Showing posts with label Computer. Show all posts
Showing posts with label Computer. Show all posts

পিসির জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যার ডাউনলোড করেনিন।

কিছু সফটওয়ার আছে যা খুবই নিত্য প্রয়োজনীয়।
মাঝেমধ্যে কারন বসত এগুলি হারিয়ে বসি বা আপডেট করতে হয়।
তাই, প্রয়োজন অনুযায়ী আপনারটি নিয়ে নিন।
১) Avro Keyboard : আমাদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত সফটওয়্যার তবুও যারা জানেন না তাদের জন্য বলে রাখি এই সফটওয়্যারটা দিয়ে আপনি পিসিতে বাংলা টাইপ করতে পারবেন । সত্যি কথা বলতে কি বাংলা টাইপ করার জন্য এটা একটা অসাধারন সফটওয়্যার এর থেকে সহজে বোধয় বাংলা লেখা যায় না । এছাড়া আপনি এই সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করলে পাবেন Avro Spell Checker যেটা দিয়ে আপনি আপনার লেখাতে কোন বানান ভুল আছে কিনা সেটা চেককরতে পারবেন । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে
২) Google Chrome / Mozilla Firefox :এ দুটো হল ব্রাউজার । দুটো ব্রাউজারই খুব ভালো । অবশ্য আমি নিজে গুগল ক্রম ব্যবহার করি তবে যাদের ইন্টারনেট এর স্পীড ভালো তাদের পক্ষে মজিলা ফায়ারফক্সই ব্যবহার করা ভালো । Google Chrome ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  আর Mozilla Firefox ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
৩) Java Runtime Environment : এটাও একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার । এটা প্রোগ্রামিং এর কাজে ব্যবহার করা হয় এছাড়া বহু সফটওয়ার চালাতেও এটি কাজে লাগে । ৩২ বিট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে   আর ৬৪ বিট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  ।
৪) Adobe Flash Player : Youtube ভিডিও দেখার জন্য এটা একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার । এটা ছাড়া আপনি Youtube এ ভিডিও দেখতে পাবেন না । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
৫) VLC Media Player : এই ভিডিও প্লেয়ারটি সব ধরনের ভিডিও চালাতে পারে । খুব ভালো একটা ভিডিও প্লেয়ার । ৩২ বিট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  আর ৬৪ বিট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে   ।
৬) DAEMON Tools Lite : আমরা অনেক সময় অনেক .iso ফাইল ডাউনলোড করি কিন্তু এগুলো চালাতে আমাদেরকে আগে ডিভিডি অথবা সিডি তে বার্ন করতে হয় তবে এই সফটওয়্যারটা থাকলে আপনি সিডি অথবা ডিভিডি তে বার্ন না করেও ফাইলটা চালাতে পারবেন । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
৭) Nero Multimedia Suite : অনেক সময় আমাদের সিডি অথবা ডিভিডি বার্ন করতে হয় তখন আপনি এই সফটওয়্যারটা দিয়ে খুব সহজেই আর খুব ভালোভাবে সিডি অথবা ডিভিডি বার্ন করতে পারবেন । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  ।
৮) Skype : ভিডিও চ্যাট করার জন্য এটার তুলনা হয় না ।  এক কথায় অসাধারন । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
৯) Oovoo : আমাদের কাছে এই সফটওয়্যারটা অপরিচিত তবে খুব কাজের সফটওয়্যার । এটা দিয়ে আপনি Facebook না খুলেই চ্যাট করতে পারবেন । এছাড়া ভিডিও চ্যাটও করা যায় । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  ।
১০) WinRAR : RAR ফাইল EXTRACT করার জন্য এটা খুব ভালো সফটওয়্যার তবে দুঃখের বিষয় হল আপনাকে এই সফটওয়্যারটা কিনতে হবে । কি খুব কষ্ট হল শুনে ? তবে আপনাদের জন্য আমি এর বদলে আরও একটা সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি যেটার নাম  Extract Frog । এটা পুরো ফ্রী । যদি Winrar কিনতে না চান তাহলে এটা ব্যবহার করতে পারেন । এটাও খুব ভালো কাজ করে । তবে আপনি নেটে একটু খুঁজলেই ফুল ভার্সন Winrar পেয়ে যাবেন । আমি অবশ্য ফুল ভার্সন এর ডাউনলোড লিঙ্ক দেব না আমি কেবল ট্রায়ালটার ডাউনলোড লিঙ্ক দেব । Winrar 32 বিট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  আর ৬৪ বিট ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে এবং Extract Frog ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
১১) Adobe Reader : pdf ফাইল পরার জন্য এই সফটওয়্যারটার তুলনা নেই । আমি অ্যাডোব রিডার ১১ এর লিঙ্ক দিলাম । আপনি যদি অ্যাডোব রিডার ১০ ব্যবহার করেন তাহলে আপডেট করে নিতে পারেন । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
১২) Picasa : এটা ছবি দেখার সফটওয়্যার । খুব ভালো একটা Photo Viewer । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
১৩Avast! Free Antivirus : আপনারা যারা প্যাচ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন তারা এটা ব্যবহার করতে পারেন । পুরো ফ্রী । পিসি এর Protection হয়ত ততটা ভালো হবে না তবে প্যাচ অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করার থেকে অনেক ভালো । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
১৪Internet Download Manager : ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার জন্য এর থেকে ভালো সফটওয়্যার আর হয় না । তবে এটা কিনতে হয় যদি কিনতে না চান তাহলে প্যাচ ব্যবহার করতে পারেন । আমি অবশ্য ট্রায়াল ভার্সন এর ডাউনলোড লিঙ্ক দেব । ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে  
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

পেনড্রাইভ থেকে সহজেই সেটআপ করে নিন কম্পিউটার

পেনড্রাইভ দিয়েই খুব সহজে যে কোনো ডিভাইসে উইন্ডোজ এক্সপি থেকে শুরু করে ৭ এবং ৮ এর মতো ওসগুলো সেটআপ দিতে পারবেন। এছাড়া আরো যেসব ওস সেটআপ দেয়া যাবে সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে দেয়া রয়েছে। এর প্রথমেই পেনড্রাইভকে বুটেবল করতে হবে।
যেভাবে বুটেবল করবেনউইন্ডোজ এক্সপির জন্য চার এবং উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর জন্য কমপক্ষে আট গিগাবাইটের পেনড্রাইভ লাগবে। যে অপারেটিং সিস্টেমটি সেটআপ দেবেন তার আইএসও ফাইলও লাগবে। অপারেটিং সিস্টেমের ডিভিডি ও সিডি ছাড়াও নেট থেকেও আইএসও ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
সব কিছু রেডি হয়ে গেলে রুফাস নামের এই সফটওয়্যারটিডাউনলোড করে নিতে হবে। মাত্র ৬১৫ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যারটি আপনার পেনড্রাইভকে বুটেবল করবে। এবার মূল কাজে আসা যাক। বেশ কয়েকটি ধাপে পেনড্রাইভকে বুটেবল করার পর সেই পেনড্রাইভ থেকেই আপনার পিসিতে উইন্ডোজ সেটআপ দিতে পারবেন।
১) প্রথমেই রুফাস চালু করুন। তারপর সব উপরে ডিভাইসের জায়গায় আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট করুন।
২) রুফাসে ডিভাইস অপশনের পরই ‘Partition Scheme and target system type’ নামে একটি অপশন পাবেন। এখানে কোনো পরিবর্তন করার দরকার নেই।
৩) তৃতীয় অপশনে এসে আপনাকে ফাইল সিস্টেম সিলেক্ট করতে হবে। রুফাসে ডিফল্ট হিসেবে Fat ৩২ দেয়া থাকবে। এক্ষেত্রে আপনাকে তা NTFS করে নিতে হবে।
৪) Cluster Size যা আছে সেটাই রেখে দিতে হবে। এর পরেই রয়েছে বুটেবল পেনড্রাইভের নাম রাখার অপশন। ইচ্ছামত একটি নাম দিয়ে দিন।
৫) ফরমেট অপশনের প্রথম ধাপটি আনচেক রেখে দিয়ে কুইক ফরমেট সিলেক্ট করতে হবে।
৬) এবার Create a bootable disk using  চেক করে। ডানপাশে আইএসও ইমেজ সিলেক্ট করতে হবে।
৭) এরপর নিচের Creat extend label and icon files সিলেক্ট করতে হবে।
৮) উপরের ধাপগুলো ঠিক মতো অনুসরণ করা শেষ হলে এবার স্টার্ট বাটনে ক্লিক করলে বুটেবল পেনড্রাইভ তৈরি শুরু হবে।
যেভাবে সেটআপ দেবেনপেনড্রাইভ বুটেবল করা শেষ হলে সেটআপ দেয়ার জন্য প্রথমে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিতে হবে। এরপর বুট অপশনে ঢুকে প্রাইমারি বুট হিসেবে ইউএসবি ডিভাইস সিলেক্ট করতে হবে। এরপর বাকি কাজ আগের ওস সেটআপের মতই।
যেসব ওস সেটা আপ দিতে পারবেন এ পদ্ধতিতে:
Arch Linux, Archbang, BartPE/pebuilder, CentOS, Damn Small Linux, Fedora, FreeDOS, Gentoo, GParted, gNewSense, Hiren’s Boot CD, noppix, KolibriOS, Kubuntu , Linux Mint, OpenSUSE , ReactOS, rEFInd, Slackware, Tails, Trinity Rescue Kit, Ubuntu, Ultimate Boot CD, Windows XP (SP2, SP3), Windows Server 2003 R2, Windows Vista, Windows 7, Windows 8, Windows 8.1

ফায়ারফক্স ও,এস সম্পর্কেজেনে নিন।

ফায়ারফক্স বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে ফায়ারফক্স ব্রাউজারের সেই চিরচেনা আইকনটি। আর  ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রায় সবাই জানে এবং চিনে ফায়ারফক্সকে একটি ব্রাউজার হিসাবে। কিন্তু এর বাইরে ফায়ারফক্স ওএস(অপারেটিং সিস্টেম) সম্পর্কে কম লোকেই জানে। আজকে আপনাদের ফায়ারফক্স ওএস সম্পর্কে  কিছু তথ্য দিয়ে বোঝানো চেষ্টা করবো ফায়ারফক্স ওএসটা আসলে কি? ইনশাল্লাহ আশা করি পোষ্টের সাথেই থাকবেন।
ফায়ারফক্স ওএস মূলত কি ?

আমার যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে পরিচিত ফায়ার ফক্স। মূলত আমরা সবাই ফায়ারফক্সকে একটি ব্রাউজার হিসাবেই বেশি চিনি। কিন্তু এর বাইরেও ফায়ারফক্স আরেকটি অনেক বড় পরিচয় আছে আর তা হল Firefox OS বা ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম।
ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম বা ওএস হচ্ছে কোডনেম ( Boot to Gecko সংক্ষেপে B2G) এর Linux kernel বেস Mozilla’s Gecko টেকনোলজির উন্মুক্ত একটি অপারেটিং সিস্টেম। যা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও স্মার্ট টিভিতে ব্যবহার করা হয়। এবং এই ওএসটি সম্পূর্ণ ডেভোলাপ করেছে Mozila Foundation । যা একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক সংস্থা।
শুরু হয় যেভাবেঃ

জুলাই ২৫, ২০১১ সালে মোজিলা কর্পোরেশন এর রিচার্স ডিরেক্টরAndreas Gal ফায়ারফক্স ওএস এর কথা ঘোষনা করেন। mozilla.dev.platform মেইলিং লিস্টে “Boot to Gecko” সংক্ষেপে (B2G) প্রজেক্টের আয়তায় এটি তৈরি করা হয়।
এই অপারেটিং সিস্টেমটা তৈরির প্রথম লক্ষ্য থাকে, এমন একটি  মোবাইল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যাতে, অনেক ডেভেলপার থাকবে, সবাই সহজেই ওএসটির এপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবে এবং ওএস নিয়ে গবেষণা, বিভিন্ন সোর্স কোড পরিবর্তন, সংশোধণ করতে পারবে ফলে বিষয়টি অনেক ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং সবার আছে আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে। একটি অনেকে মনে করে iPhones অথবা অ্যান্ড্রয়েড এর প্রতিযোগিতার জন্য ফায়ারফক্স ওএস এর উদ্ভব। আসলে তা নয় ইউজাররা যাতে কম খরচে এবং নিজেদের মতো একটি স্মার্টফোনে পায় এটিই প্রধান উদ্দেশ্য।
 যেভাবে কাজ করে ফায়ারফক্স ওএস!

ফায়ারফক্স ওএস Mozila Foundation এর উন্মুক্ত আপরেটিং সিস্টেম বা ফ্রিওয়্যার। এটিতে যে কেও এপ্লিকেশন তৈরি এবং ওএস এ অবদান রাখতে পারেন।এই অপারেটিং সিস্টেমটি সর্ম্পূণ এইচটিএমএল৫, সিএসএস৩ ও জাভাস্ক্রিপ্ট ভিত্তিক।তাই অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম এর মতন এর এপ্লিকেশন ডেভোলাপ করতে C+, C# বা Python ইত্যাদি জানার দরকার নেই। যে কেও এইচটিএমএল৫, সিএসএস৩ ও জাভাস্ক্রিপ্ট জানা থাকলেই আপনি নিজেই একজন এপ্লিকেশন ডেভোলাপার হয়ে যেতে পারেন। এবং এই ওএসটির সকল কিছুই এইচটিএমএল৫, সিএসএস৩ ও জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে করা।
ফায়ারফক্স ওএস টি মূলত একটি ওয়েব টেকনোলজির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা। সহজ ভাবে বলতে গেলে ফায়ারফক্স ওএস চালিত ফোনটি একটি ব্রাউজারের মতো কিন্তু এটি দিয়ে আপনি মোবাইলের সকল সুবিধা পাবেন। যেহেতু এটি একটি ওয়েব টেকনোলজি বেসের মাধ্যমে তৈরি করা তাই এটি কম হার্ডওয়্যারে অনেক ভাল পার্ফমেন্স করতে সক্ষম।ঠিক সেই জন্য অন্যান্য স্মাটফোনের তুলনায় ফায়ারফক্স ওএস চালিত স্মার্টফোনের দাম অনেক কম।
        এপ্লিকেশন

আগেই বলা হইছে ফায়ারফক্স ওএস এপ্লিকেশন ডেভোলাপ করতে C+, C# বা Python ইত্যাদি জানার দরকার নেই। এইচটিএমএল৫, সিএসএস৩ ও জাভাস্ক্রিপ্ট জানা থাকলেই এপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবেন।
ফায়ারফক্স ওএস এর এপ্লিকেশন গুলোকে দুইটি ফর্মে ভাগ করা যায়ঃ Hosted Apps এবং Packaged Apps।

Hosted Apps: হোস্টেড অ্যাপস গুলো সাধারণত মোজিলা সার্ভারে হোস্টেড করা থাকে। আপনি চাইলে ডাউনলোড করে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তবে হোস্টেড অ্যাপ গুলো ইন্টারনেট কানেশন ছাড়া চলতে পারে না। এক মাত্র ডাটা কানেকশন থাকলেই এগুলো রান হবে, না হলে হবে না।
Packaged Apps: প্যাকেজ অ্যাপস গুলো আপনি একবার ডাউনলোড করলেই হবে। এর কমপ্রেস সোর্স কোডগুলোর সাহায্য আপনি বারবার ডাউনলোডকৃত অ্যাপ এর এক্সেস পাবেন কোন ডাটা কানেকশন ছাড়াই। আর এই অ্যাপস গুলোর সাইজ কম, দ্রুত অপেন হবে।
             পাবলিশ ভাসর্ন
প্রথম ভার্সন ১.০ যা ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তে প্রকাশ করা হয়। কোডনেম TEFদ্বিতীয় ভার্সন ১.০.১ যা ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তে প্রকাশ করা হয়। কোডনেম Shiraতৃতীয় ভার্সন ১.১.০ যা ০৯ অক্টোবর ২০১৩ তে প্রকাশ করা হয়। কোডনেম Leoচতুর্থ ভার্সন ১.১.১ যা তৃতীয় ভার্সন এর মতই শুধু একটু উন্নত করা হয়েছে। কোডনেম HDপঞ্চম ভার্সন ১.২.০ যা ০৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তে প্রকাশ করা হয়। কোডনেম Koiষষ্ট ভাসর্ন ১.৩.০ যা ১৭ মার্চ ২০১৪ তে প্রকাশ করা হয়।সপ্তম ভার্সন ১.৪.০ যা ০৯ জুন ২০১৪ তে প্রকাশ করা হয়।অষ্টম ভার্সন ২.০.০ যা ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তে প্রকাশ হয়।নবম বর্তমান ভার্সন ২.১.০ যা ২১ নভেম্বর ২০১৪ তে প্রকাশ হয়।
 ফায়ারফক্স ওএস ইউজার ইন্টারফেস (User Interface [UI])


ফায়ারফক্স ওএস এর ইউজার ইন্টারফেস অনেকটা অ্যান্ডোয়েড এর মত । এখানে আপনি অ্যান্ড্রয়েড এর মত হোমস্কিন, লকস্কিন, নোটিফিকেশন বার ইত্যাদি পাবেন।তারপরও এই ওএস থেকে অ্যান্ড্রয়েড ওএসটি একটু হলেও ভিন্ন। এর হোম স্কিনে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেইজ, ক্লাসিকেল ঘড়ি আছে কিন্তু এখানে এখন পযন্ত কোন উইজেট সার্পোটেড হয় নাই।ফায়ারফক্স ওএস আইফোন অথবা উইন্ডোজ ফোন থেকে অনেক ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং স্মুথ একটি ওএস।
ফায়ারফক্স ওএস ডাটা কম খরচ করে

অ্যান্ডোয়েড স্মাটফোন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায়, যেকোন ভাবেই স্মাটফোনটি বেশি নেট ডাটা খরচ করছে। ফায়ারফক্স ওএস এর ক্ষেত্রে ডাটা সাশ্রয় এর সবচেয়ে বড় সুবিধা পাওয়া যায়। এই ওএস চালিত স্মাটফোনটি অন্যান্য ওএস চালিত স্মাটফোনের ব্রাউজিং থেকে তুলনামুলক ভাবে অনেক কম ডাটা খরচ করে। এর প্রধান কারণ ফায়ারফক্স ওএস এর ওয়েব কমপ্রেশন টেকনিক ফিচার যার জন্য ব্যবহারকারী অতিরিক্ত নেট ডাটার ব্যবহার কমিয়ে দিতে পারে।
 ফায়ারফক্স ওএস এর সিকিউরিটি

ফায়ারফক্স ওএসটিতে অন্যান্য ওএস এর মত উন্নত সিকিউরিটি ব্যবস্থা আছে।বলা যায় ফায়ারফক্স ওএস এর সিকিউরিটি বৈশিষ্ঠ্য গুলো অনেকটা অ্যান্ডোয়েড এর মত।
আপনি আপনার ফায়ারফক্স চালিত ওএসটি পিন এর সাহায্য স্কিনলক বা সিম লক করে রাখতে পারবেন।
অ্যান্ডোয়েড এর মত এখানে প্রতিটি এপস ইনিষ্টল করার সময় পার্মিশন চাওয়া হয়। Low-risk থাকে ওয়েব বা হোস্টেড এপস এর ক্ষেত্রে আর high-risk থাকে লোকাল বা সোর্স অ্যাপস এর ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে প্রথমেই আপনার কাছ থেকে কনফ্রাম করা হবে অ্যাপস সম্পর্কে। আপনি চাইলে অ্যাপস ইনিষ্টল এর ক্ষেত্রে পারমিশন ম্যানুয়েল করে রাখতে পারেন।
Do not track : এটি ফায়ারফক্স ওএসর আরেকটি উল্লেখযোগ্য সিকিউরিটি বৈশিষ্ট্য। বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিটরদের ট্র্যাক বা অনুসরণ করে এবং তার ব্রাউজিং তথ্য অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে অনুমতি ছাড়াই প্রদান করে বা বিক্রি করে। ফায়ারফক্স ওএস এর এই বৈশিষ্ঠ্যটির মাধ্যমে উক্ত ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটকে জানায় যে আপনি চান না ব্রাউজিং অনুসরণ করা হোক।তবে এই নির্দেশ মানা অনেকটাই উক্ত ওয়েবসাইটটির ইচ্ছাধীন — প্রত্যেক ওয়েবসাইট Do not track নির্দেশ মানবেই এমন কোন কথা নেই। যে ওয়েবসাইট গুলো এই নিদের্শটাকে বা ভিজিটরকে সম্মান করে তারা আপনাকে অনুসরণ করবে না।
 ফায়ারফক্স মার্কেটপ্লেস


অ্যান্ডোয়েড অ্যাপসস্টোর এর মত ফায়ারফক্স ওএস এর জন্যও রয়েছে Firefox Marketplace যেখানে বর্তমানে হাজারো অ্যাপস এর এক বিশাল সম্ভার রয়েছে। বাংলাদেশে তৈরি বিভিন্ন লোকাল অ্যাপ্লিকেশন ছাড়াও আপনার প্রয়োজনীয় প্রায় সকল অ্যাপস পাবেন মার্কেটপ্লেসটিতে। তবে ফায়ারফক্স ওএস নিতান্তই নতুন হওয়াতে হয়তো অনেক অ্যাপস এখনো পাবলিশ নাও হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে আপনার কাছে তো সেরা ওয়েব ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা তো থাকছেই।তাই অ্যাপস এর দিক দিয়ে একটু ছাড় তো দিতেই হবে। আর নতুন নতুন অ্যাপস এড করার জন্য মোজিলিয়ানরা কাজ করে যাচ্ছে।
 সম্পূণ শুদ্ধ বাংলা

ফায়ারফক্স ওএসটি সবার কাছে সহজে বোধগম্য করতে এতে রয়েছে সম্পূণ শুদ্ধ বাংলা ভাষা। ফায়ারফক্স ওএস এর মাধ্যমে সবার কাছে বাংলা ভাষা পৌঁছে দিতে মোজিলিয়ানদের একটি বড় অবদান এর প্রতিটি অংশ বাংলা ভাষার ব্যবহার করা। সেই জন্য নিবেদিত মোজিলিয়ানরা কাজ করে যাচ্ছে। যেকোন রোবটিক বাংলা ভাষার বাইরে এটি সহজবোধ্য ও শুদ্ধ। বাংলা ভাষার ভাল ব্যবহারের জন্য যেকোন শ্রেনীর, যেকোন পেশাজীবিদের জন্য অনেক সহজ হবে স্মাটফোনটি চালাতে।
 বাংলাদেশে ফায়ারফক্স ওএস

বাংলাদেশে দক্ষিন এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ হিসাবে মজিলার তৈরি স্মাটফোন অপারেটিং সিস্টেম ফায়ারফক্স ওএস বাজারে আনে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে রাজধানীর দি ওয়েস্টিনে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রামীনফোন ফায়ারফক্স ওএস সার্পোটেড ফোন GoFox F15 আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে।
GoPro F15 স্পেসিফিকেশন

বাংলাদেশে ফায়ারফক্স ওএস সম্বলিত ফোন Symphony GoFox F15 টিতে রয়েছে ফায়ারফক্স এর ওএস ভার্সন Firefox OS 1.4।
ফোনটির ডিসপ্লে ৩.৬” এবং হার্ডওয়্যার স্পেক এ রয়েছে ১গিগাহায সিঙ্গেল কোর প্রসেসর, ৫১২ র‌্য্যম ও ৫১২ মেগাইট রম। সবচেয়ে ভাল ব্যাপার এটিও ফায়ারফক্স ওএস চালিত একমাত্র ৩জি ফোন যাতে ভিডিও কলিং এর ফিচার রয়েছে। আপনি ডুয়েল সিম ব্যবহার করতে পারবেন ফোনটিতে। ফোনটিতে আরো আছে
৩.২ মেগাপিক্সেল ব্যাক এবং ০.৩ ফ্রন্ট ক্যামেরা।ওয়াইফাই, ব্লুটুথ রয়েছে কিন্তু জিপিএস নেই, তবে মজিলার MLS সার্ভিস দ্বারা নেভিগেশন এর কাজ করতে পারবেন জিপিএস ছাড়াই। তাছাড়া ফোনটিতে সেন্সর হিসাবে Gsensor এবং Accelerometer সেন্সর রয়েছে।গ্রামীনফোন অতিরিক্ত সুবিধার জন্য রেখেছে “WowBox” ফিচার যার মাধ্যমে দৈনিক ২০ এমবির মত ইন্টারনেট পেতে পারেন।
 Symphony GoFox F15 টি প্রি-বুকিং শুরু হয় ১৭ সেপ্টেম্বর।প্রি-অর্ডার শুরু হওয়ার মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যেই ফোনের স্টক শেষ হয়ে যায়।এতেই বোঝা যায় ফায়ারফক্স ওএস এর জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশে ফোনটির দাম ৪,৬৫০ টাকা (প্রায় ৫৮ ডলার) ধরা হয়েছে।

৫৮ ডলার মূল্য ধরায় প্রখমেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কারণ ভারতে ২৫ ডলার মূল্য এই স্মাটফোনটি বিক্রি হলেও এখানে তা প্রায় ৫৮ ডলার! যার কারণে বাংলাদেশের মোজিলিয়ানরা এর উত্তর দিয়েছেন।
 ফায়ারফক্স ওএস ফোনটির আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচারঃ
ভিডিও কল সুবিধা

Symphony GoFox F15 ফায়ারফক্স ওএস স্মার্টফোনটিতে ডিফল্ট ভাবেই ভিডিও কল সুবিধা সম্বলিত, ৩জি থাকাতে এটি আরো সহজ হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ফায়ারফক্স মার্কেটপ্লেসে থার্ডপার্টি বিভিন্ন ভিডিও কলিং মেসেঞ্জার যেমনঃ স্কাইপি না থাকার কারণে হয়তো একটু সমস্যা হতে পারে। কিন্তু আশা করা যায় ব্যবহারকারী ও ডেভোলাপার বাড়ার সাথে সাথে স্কাইপিও অচিরেই চলে আসবে মাকের্টপ্লেসে।
অ্যাডাপ্টিভ অ্যাপস সার্চ

ফায়ারফক্স ওএস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ আর আকর্ষনীয় বিষয় হচ্ছে অ্যাডাপ্টিভ সার্চ। যার মাধ্যমে আপনি যে অ্যাপ চাচ্ছেন তা সার্চ করবেন অত্যন্ত কম সময়েরে মধ্যে আপনাকে সার্চ এর রেজাল্ট দেখাবে। শুধু তাই নয় প্রতিবার সার্চ এ ব্যাকগ্রাউন্ড পিক পরিবর্তন হবে এবং যদি এমন থাকে, কোন অ্যাপ আগে থেকে ইনিষ্টল তবে তা বাদ দিয়ে রেজাল্ট শো করবে। আরে সুন্দর ভাবে দেখার জন্যফায়ারফক্স ওএস অফিসিয়ালে পেজে যেতে পারেন।
 Moments That Entertain (এন্টারটেইন)





এতকিছু যে স্মার্টফোনে আছে তাতে আর মিউজিক থাকবে না তা কি হয়। আসলেই তাই ফায়ারফক্স ওএস এ আছে স্মার্ট “মোমেন্টস দ্যাট এন্টারটেইন” MP3 প্লেয়ারে MP3 ছাড়াও AAC, WAV সাপোর্টেড। আছে উন্নত Radio অ্যাপ আপনি রেডিও অন করার সাথে সাথে রেডিও চ্যানেল খোজঁ শুরু হয়ে যাবে। এবং যে FM চ্যানেল গুলো পাওয়া যাবে তা আপনার সামনে শো করাবে। ফেভারেট বা গ্রুপ করে চ্যানেল রাখার সুবিধা রয়েছে। Video তে আপনি সব ধরণের MP4 ফরমেটের ভিডিও গুলো চালাতে পারেন। তাছাড়া 3GP এবং FLV সাপোর্টেড।
ফটো এডিটর অ্যাপস

ফায়ারফক্স ওএস এ বিল্টইন ভাবেই ফটো এডিটর রয়েছে। অন্যান্য স্মাটফোনের মতো এখানেও আপনি ছবিতে বিভিন্ন ইফেক্ট, ক্রপ, টেক্সট এড, ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমাতে পারবেন।
 শেষ কথা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফায়ারফক্স ওএস একদমই নতুন। বর্তমানে অনেকেই অ্যান্ডোয়েড ওএস এর যথাযথ ব্যবহার করতে জানে না। কিন্তু নিতান্তই সহজ ইন্টারফেস, বাংলা সাপোর্ট, ওয়েব ব্রাউজিং এর দারুন অভিজ্ঞতার জন্য বলা যায় খুব তাড়াতাড়িই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে সবার আছে ফায়ারফক্স ওএস এর স্মার্টফোন। এই বিষয়টাকে আরো পরিষ্কার করে গ্রামীনফোনের স্মার্টফোনটি প্রি-অর্ডার এর স্টক শেষ হওয়ার মাধ্যমে।
আশা করা যায় বাংলাদেশের প্রতিটি পেশাজীবি মানুষের কাছে কম মূল্যর কিন্তু ভাল ফিচার সমৃদ্ধ এই স্মার্টফোনটি পৌছেঁ যাবে।
আর উদ্দেশ্য পূরর্ণ হবে মোজিলা ফাউন্ডেশনের সবার কাছে সাশ্রয়ী মূল্যর স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চত করা।

নিয়ে নিন সেরা ৯ টি অ্যান্টিভাইরাস এর Activator, Keygen & Trial Resetter!

সেরা ৯ টি অ্যান্টিভাইরাস এর Activator, Keygen & Trial Resetter ডাউনলোড লিঙ্
১. Avast (Premier, Pro, Free, Internet Security)

Keys ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
Crack ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
Trial Resetter ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
Key : W1208070R9900D1199-T549MYK0
২. Avira (Antivirus, Family Protection, Internet Security, Ultimate Protection)

Keys ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
৩. Kaspersky (Antivirus, Crystal, Internet Security, OpenSpace,Pure)

2013
Keys ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
2014
Crack & Trial Restter ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
৪. AVG All Products

৫. ESET NOD32 & Smart Security

NOD32:
Keys ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন অথবা Mirrors
Crack ডাউনলোড : Mirrors
Smart Security:
Crack ডাউনলোড : Mirrors
৬. Bitdefender All Products

৭. Norton All Products

2014:
Trial Resetter ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন
2013:
Trial Resetter ডাউনলোড : এখানে ক্লিক করুন Password : onhax
৮. Malwarebytes

৯. IObit Malware Fighter 2

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর সাতটি কার্যকর উপায়

অনেকেই কম্পিউটারের গতি কমে গেলে বিভ্রান্ত হয়ে যান। কম্পিউটার যদি ধীরগতিতে কাজ করে তাহলে কার না বিরক্ত লাগে! কিন্তু সামান্য কিছু কাজ করলে কম্পিউটারের গতি কিছুটা বাড়িয়ে নেওয়া যায়। এ ধরনের কয়েকটি উপায় প্রকাশিত হলো এ লেখায়।
১. জায়গা খালি করুন
অনেক কম্পিউটারেরই হার্ড ডিস্কের জায়গা ভর্তি হয়ে যাওয়ায় সেগুলো ধীর হয়ে যায়। আর হার্ড ডিস্কের জায়গা খালি না করলে কোনোভাবেই সেগুলোর গতি ফেরানো সম্ভব হয় না। প্রত্যেক হার্ড ডিস্কেরই কমপক্ষে পাঁচ ভাগ স্থান খালি রাখা প্রয়োজন। তাই গতি বাড়ানোর জন্য প্রথমেই আপনাকে হার্ড ডিস্কের কিছু জায়গা খালি করতে হবে। অনেক কম্পিউটারেই বহু প্রোগ্রাম ইনস্টল করা থাকে, যেগুলোর কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। এসব অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ফাইল মুছে ফেলাই হতে পারে গতি বাড়ানোর অন্যতম উপায়।
২. কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখুন
কম্পিউটারের ভেতরের যন্ত্রগুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে তার গতি কমে যেতে পারে কিংবা বন্ধও হয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা দেখা দিলে প্রথমেই কম্পিউটারের বাতাস চলাচলের পথগুলো উন্মুক্ত রাখতে হবে। ভেতরে ময়লা জমলে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। ল্যাপটপে এমনটা হলে বাড়তি ফ্যানসহ কুলিং প্যাড ব্যবহার করতে পারেন। আর ডেস্কটপ কম্পিউটার বেশি গরম হলে বাড়তি ফ্যান লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করুন
আপনার ইন্টারনেটের ফাইলগুলো কি কখনো ডিলিট করেছেন? যেকোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করলেই এসব ফাইল কম্পিউটার সেভ করে রাখে। আর এ প্রক্রিয়ায় কম্পিউটার ক্রমে ধীরগতির হয়ে যায়। এ ঝামেলা দূর করার জন্য আপনার নিয়মিত টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করা উচিত। এ ছাড়া কম্পিউটারেরও কিছু টেম্পোরারি ফাইল থাকে। এগুলো ডিলিট করার ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি আছে। আপনি যে ব্রাউজার ব্যবহার করেন সেটার এবং কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম অনুযায়ী খবর নিয়ে টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলিট করে নিন।
৪. একসঙ্গে বেশি প্রোগ্রাম চালাবেন না
কম্পিউটারে যদি আপনার একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোগ্রাম কিংবা ওয়েবসাইট চালানোর অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা বাদ দিন। এ কারণে কম্পিউটারের ব্যবহারযোগ্য মেমোরি কমে যায় এবং কম্পিউটারের গতিও কমে পাল্লা দিয়ে।
৫. কম্পিউটার চালু
কম্পিউটার চালুর সময় একাধিক প্রোগ্রাম চলতে শুরু করলে তা আপনার কম্পিউটারের গতি অনেকাংশে কমিয়ে দেবে (যেমন মেসেঞ্জার, একাধিক ভাইরাস গার্ড, স্কাইপ)। এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রোগ্রামগুলো যেন শুধু প্রয়োজনের সময়েই চলে এবং অন্য সময় না চলে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. মেমোরি সমস্যা মোকাবিলা
কম্পিউটার যদি হয় পুরনো মডেলের তাহলে নতুন সফটওয়্যার চালাতে তা সমস্যায় পড়তে পারে। এ সমস্যা মোকাবিলায় সবার আগে দেখতে হবে কম্পিউটারে অতিরিক্ত র‌্যাম লাগানোর উপায় আছে কি না। যদি পর্যাপ্ত র‌্যাম লাগানো যায়, তাহলে কম্পিউটারের গতি আগের তুলনায় অনেক বাড়বে।
৭. রক্ষণাবেক্ষণ
কম্পিউটারের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে আপডেটেড ভাইরাস গার্ড দিয়ে নিয়মিত কম্পিউটার স্ক্যান করা। এ ছাড়া খুঁজে দেখতে হবে স্পাইওয়্যারও। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আনইনস্টল করাও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আপনার কম্পিউটার যদি অস্বাভাবিকভাবে ধীর হয়ে যায় তাহলে আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে ভালোভাবে স্ক্যান করে নেওয়া প্রয়োজন।

কম্পিউটারকে তিনটি সাধারণ উপায়ে ভাইরাসমুক্ত রাখুন

আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আসে শক্ত ভীত গড়ার জন্য। কম্পিউটার ভাইরাস কোনো মেশিনে প্রবেশের পর থেকেই তার শক্তি সঞ্চয় করা শুরু করে। প্রাণীর দেহে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে যেমন তা ক্ষতিসাধন করতে থাকে, কম্পিউটারে ভাইরাসও ঠিক তাই করে। তাই এর আক্রমণ হওয়ামাত্র তাকে বিতাড়িত করা জরুরি কাজ। ওয়ার্মস, ট্রোজানস, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি নামে বহু রকমের ভাইরাস রয়েছে। এগুলোকে এক কথায় ম্যালওয়্যার বলে। এগুলোকে তাড়াতে বিভিন্ন নিরাপত্তা সফটওয়্যার বাজারে বের হয়েছে। এ ছাড়া মাইক্রোসফট এসব ম্যালওয়্যার দূর করতে তাদের উইন্ডোজেই কিছু মৌলিক উপায় দিয়ে রাখে। এ দুইয়ের সমন্বয় ঘটিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবেন ভাইরাস দমনে।
কম্পিউটারে ভাইরাস এসেছে কিনা এবং আসলেও তাকে কীভাবে তাড়াতে হবে তা বুঝতে তিনটি ছোট কিন্তু কার্যকর টিপস নিন।

১. প্রতিদিন অ্যান্টি-ভাইরাসের মাধ্যমে কুইক স্ক্যান করুন। আর প্রতি সপ্তাহে ভাইরাস খুঁজতে বড় আকারের স্ক্যান করুন। এই স্ক্যান যখন ইচ্ছে তখন করতে পারবেন। আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যানের জন্য সময়ও ঠিক করে নেওয়া যাবে।
২. আপনি যে ই-মেইল ব্যবহার করেন তা হয়তো একটি ছবি বা মেইল ডাইনলোডের আগে তা ম্যালওয়্যার কিনা তা সাবধান করে দেয়। এমন সাবধানতার সংকেত দিলে হয় তা স্ক্যান করে দেখুন অথবা এ ধরনের ছবি বা মেইল আসা বন্ধ করে দিন।
৩. যদি ই-মেইলের প্রেরককে না চিনতে পারেন এবং তাতে কোনো লিঙ্ক দেওয়া থাকে, তবে ওই লিঙ্কে কখনো ক্লিক করবেন না। যদি তা দেখতেই হয় তাহলে লিঙ্কটি ওয়েব অ্যাড্রেস বারে কপি করে ওয়েবসাইটটি দেখে নিন। আবার প্রেরককে মোটামুটি পরিচিত মনে হলেও নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। সাইবার ক্রিমিনালরা পরিচিত কোনো ওয়েবসাইটের মতো দেখতে পেজের লিঙ্ক পাঠিয়ে দেবে।
এই ছোট তিনটি উপায়ে আপনি প্রতিনিয়ত ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে পারেন। আর কোনো ভাইরাস যদি পেয়েই যান, তাহলে তাকে শায়েস্তা করার দায়িত্ব ছেড়ে দিন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপর। বাজারে অনেক ভালো মানের এসব সফটওয়্যার রয়েছে যা ভাইরাস চিহ্নিত করে দূর করতে পারে।
সূত্র : হাফিংটন

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর দারুন কিছু কৌশল

নতুন কম্পিউটারে কাজের গতি থাকে দারুণ। কিন্তু ধীরে ধীরে কমতে থাকে এর গতি। এটি ঘটে থাকে মূলত কিছু অপ্রয়োজনীয় স্পাইওয়্যার, অ্যাড এবং কম্পিউটার ভাইরাসের কারণে। আপনি চাইলেই কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারবেন।চলুন তাহলে দেখে নেই কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধির উপায়গুলো।



রেজিস্ট্রি পরিষ্কার রাখুন :

কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়ার প্রধান একটি সমস্যা রেজিস্ট্রি। স্পাইওয়্যার বা ভাইরাসের অন্যতম লক্ষ্য থাকে কম্পিউটারের রেজিস্ট্রিতে হামলা করা। এতে করে আপনার কম্পিউটার আপনার প্রয়োজন মোতাবেক কাজ করতে ব্যর্থ হয়। তাই আপনার প্রথম কাজ নিয়মিত রেজিস্ট্রি পরিষ্কার রাখুন। আপনি যেকোনো তৃতীয় পক্ষের সফটওয়ারের সাহায্যে এই কাজটি করতে পারবেন। যেমন অ্যাডভান্সড সিস্টেম কেয়ার।

মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় ফাইল :

আমরা যখন ইন্টারনেটের দুনিয়ায় বিচরণ করি, তখন কিছু অস্থায়ী ফাইল আপনার কম্পিউটারে জমা হয়। যা শুধু একবারেই আপনার প্রয়োজন হয়। এই ফাইলগুলো ধীরে ধীরে আপনার সিস্টেমের গতির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই আপনি নিজে এই ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারেন।

মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার :

আমরা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অনেক সফটওয়ার কম্পিউটারে ইনস্টল করি। যেসব সফটওয়্যার একবার ব্যবহার করে ফেলে রাখি, সেসব সফটওয়্যার আন-ইনস্টল করে দিন। এতে করে আপনার কম্পিউটারের র্যা ম ফাঁকা থাকবে এবং আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে দেবে।

ফাঁকা রাখুন রিসাইকেল বিন :

কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা ফাইল রিসাইকেল বিনে জমা হয়। রিসাইকেল বিনে জমা হওয়া বেশি সংখ্যক ফাইলও কম্পিউটারের গতি কমিয়ে ফেলে। তাই নিয়মিত রিসাইকেল বিন পরিষ্কার রাখা জরুরি।

ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন :

কম্পিউটারের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ডেটাগুলোকে এক জায়গায় এনে পিসির পারফরম্যান্স বা অ্যাকসেস গতি বাড়িয়ে দেয় ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট সুবিধাটি। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার মাই কম্পিউটারের প্রতিটি ড্রাইভের ডিফ্রাগমেন্ট করা হলে পিসির গতি অনেক বেড়ে যায়।

এছাড়া এমন অনেক র্যামক্লিনার আছে যা ব্যবহার করে আপনি আপনার কম্পিউটারকে অনেক বেশি গতিশীল করতে পারবেন
কিছু কীবোর্ডের শর্টকার্ট দেখে নিন।

কিছু কীবোর্ডের শর্টকার্ট দেখে নিন।

কীবোর্ডের শর্টকার্ট নিয়ে আমরা অনেকেই ঝামেলা পাকিয়ে ফেলি।সঠিক ভাবে কীবোর্ডের শর্টকার্ট ব্যাবহার করতে পারলে কম্পিউটারের ব্যাবহার আমাদের কাছে অনেকটা সহোজ হয়ে ওঠে।চলুন তাহলে দেখে নেই প্রধান প্রধান কীবোর্ডের শর্টকার্ট গুলো যা প্রতিটা কম্পিউটার ব্যাবহারকারীর জানাটা জরুরী।


Keyboard Shortcut

Ctrl + C

এটা দিয়ে হাইলাইট করা যে কোন কিছুই সহজে কপি করা যায়।

Ctrl + V

আমরা যদি কোন টেক্সট বা অন্য কোন ফাইল কথাও কপি করে নিতে চাই তাহলে আমাদেরকে তা কপি করে আবার পেস্ট করতে হয়। আর এই পেস্ট করতেই সাহায্য করে।

Ctrl + Z

কোন একটা কাজ করলেন, এখন আবার পেছনে যেতে হবে, তাহলে এই শর্টকার্ট কী ব্যবহার করেন, কাজ হয়ে যাবে।

Ctrl + F

আপনি কোন প্রোগ্রাম এ কোন কিছু খুজতে চাচ্ছেন। তাহলে এই শর্টকার্ট টি আপনার জন্যই। যেমনঃ আপনি যদি ওয়ার্ড এ কিছু খুঁজে বের করতে চান তাহলে এই শর্টকার্ট ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

Alt + Tab

এই শর্টকার্ট কী ব্যবহার করা হয় এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রাম এ সহজেই যাবার জন্য।

Ctrl + Backspace

সাধারণত Backspace দিয়ে আমরা একটা একটা করে বর্ণ মুছে থাকি। কিন্তু এই শর্টকার্ট কী দ্বারা আমরা একটা শব্দকেই একবারে মুছে ফেলতে পারবো।

Ctrl + S

এটি দ্বারা খুব সহজেই আমরা আমাদের যে কোন ফাইল কে সেভ করে ফেলতে পারবো।

Ctrl + Home or Ctrl + End

প্রথমটা দিয়ে আমরা মাউস এর কার্সর কে একেবারে উপরে নিয়ে যেতে পারবো এবং দিতীয়টি দ্বারা মাউস এর কার্সর কে একেবারে নিচে নিয়ে আসতে পারবো খুব সহজেই।

Ctrl + P

এটি দ্বারা কোন ডকুমেন্ট বা অন্য যে কোন কিছু প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে খুবই উপকার পাওয়া যায়।

Page Up

এই শর্টকার্ট কী দ্বারা যে কোন পেজ এর উপরের দিকে ওঠা যায়।

Page Down

এই শর্টকার্ট কী দ্বারা যে কোন পেজ এর নিচের দিকে আসা যায়।