Showing posts with label Health & Wealth. Show all posts
Showing posts with label Health & Wealth. Show all posts

অল্প সময়েই ক্যান্সার সারাবে যে ফল!

 দূরারোগ্য ক্যান্সার প্রতিরোধে ওষুধ বের করার জন্য প্রাণান্তর চেষ্টা করছেন গবেষকরা। তবে এবার খুব সহজেরই এক ফলের সন্ধান পাওয়া গেছে যেটি খুব অল্প সময়ে ক্যান্সার সারাবে!
ক্যান্সারকে আমরা দূরারোগ্য ও ভয়ংকর রোগ হিসেবে জানি। কারণ এমন এক সময় ছিল যখন এই ক্যান্সার মানেই অবধারিত মৃত্যু ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবর্তন ঘটছে। এখন এর চিকিৎসাও হচ্ছে। চিকিৎসা করে অনেক ক্যান্সার রোগি মোটামুটিভাবে সুস্থ্য জীবন-যাপন করছেন। এসব কিছুই হয়েছে বিজ্ঞানের দৌলতে। তাই বলা যায় এখন সেই খারাপ সময় কেটে গেছে। তবুও ক্যান্সার নিয়ে মানুষের এখনও রয়েছে ভয়ের অনেক কারণ।
সাম্প্রতিক সময়ে ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিস্কার হয়েছে। সঠিক সময় চিকিৎসা করে করে ক্যান্সারের হাত থেকেও বেঁচে ফিরেছেন অনেক মানুষ।
দিনকে দিন বিজ্ঞান আরও উন্নত হচ্ছে। নানা গবেষণা করে উদ্ভাবন করা হচ্ছে কঠিন রোগের ওষুধ। ইতিমধ্যে একদল বিজ্ঞানী শোনালেন আরও এক চমকপ্রদ তথ্য। তারা দাবি করেছেন, তারা এমন একটি ফল আবিস্কার করেছেন, যা ক্যান্সার সারিয়ে দিতে সক্ষম!
ব্রিসবেনের মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষ হতে বলা হয়, এক ধরণের ফল ‘রেইন ফরেস্ট বেরি’ মাথা ও গলার টিউমার সারিয়ে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, সেইসঙ্গে মাত্র কয়েক মিনিটে মেলানোমাও সারিয়ে দিতে পারে এই আজব ফল।
গবেষকরা বলেছেন, এটি শুধু ধারণা নয়, পরীক্ষার মাধ্যমেও প্রমাণিত হয়েছে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এই ফলের বীজ বিড়াল, কুকুর, ঘোড়ার শরীরে হওয়া টিউমার সারিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, একটি কুকুরের শরীরে হওয়া টিউমারের ওপর এই ফল হতে তৈরি ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করার ৫ মিনিটের মধ্যে সেটি কাজ করতে শুরু করে দেয়। এরপর মাত্র একদিনের মধ্যে কুকুরটি সুস্থ্য হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সারানোর আশ্চর্যজনক এই ফলটি পাওয়া যায় একমাত্র উত্তর কুইন্সল্যান্ডে।

সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিমের কুসুম!

আমরা ডিম সিদ্ধ হোক আর পোসই হোক খাওয়ার সময় ডিমের কুসুমটি আগে খেয়ে থাকি। কারণ কুসুমই সবচেয়ে বেশি মজা। কিন্তু গবেষকরা বলেছেন, সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিমের কুসুম!
আমরা সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে সেদ্ধ ডিম কিংবা ডিম পোস খেয়ে অভ্যস্ত। বিশেষ করে ডিমের কুসুম আমরা চেটেপুটে খেয়ে থাকি। কিন্তু এবার কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে যে, ধূমপান করার থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিম খাওয়া, আরও বেশি ক্ষতিকারক ডিমের কুসুম।
আনন্দবাজার পত্রিকার এ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি ১২০০ জন নারী-পুরুষকে নিয়ে সমীক্ষা করেন। ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সেদ্ধ ডিম খাওয়াতে তাদের শরীরে ‘ক্যারোটিড আর্টারি স্টেনোসিস’ তৈরি হয়েছে। এতে করে ব্রেন স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি থাকে।
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোশিয়েসনের কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক জর্ডন তোমাসেলি বলেছেন, অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার পর ক্যারোটিড প্লেক যতোটা তৈরি হয় ধূমপান করলেও ঠিক সেই পরিমাণ প্লেক তৈরি হয় ধমনীতে। এতে রক্তচাপ প্রচুর বাড়ে। এমনকি ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।
এতোকিছু শোনার পরও অনেকেরেই ব্রেকফাস্ট টেবিলে সেদ্ধ ডিম চাই। তাহলে কীভাবে খাবেন সেদ্ধ ডিম? সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান বাতলে দিয়েছেন চিকিৎসক জর্ডন তোমাসেলি।
তিনি বলেছেন, আমাদের শরীরে প্রতিদিন ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল প্রয়োজন পড়ে। সেখানে একটি সেদ্ধ ডিমে কুসুমে কোলেস্টেরল থাকে ১৮৫ মিলিগ্রাম। শুধুসেদ্ধ ডিমই নয়, সারাদিন আমরা কোলেস্টেরল, প্রোটিন জাতীয় অনেক খাদ্য খেয়ে থাকি। এতে করে প্রতিদিন ৩০০ মিলিগ্রামের অনেক বেশি কোলেস্টেরল আমাদের শরীরে জমা হয়।
গবেষক জর্ডনের পরামর্শ, ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে যদি সাদা অংশ খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে পরিমাণ মতো কোলেস্টেরল, ভিটামিন ই পৌঁছাবে। এক কথায় বললে, অতিরিক্ত ডিমের কুসুম খাওয়ার কারণে শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রাতিরিক্ত বাড়তে পারে। তাই হিসেব করে ডিম খেতে হবে। তা না হলে ভালোর থেকে খারাপই বেশি হবে।

সূর্যালোক ব্যবহারে বিশুদ্ধ হবে পানি

একটি নতুন জাপানি প্রযুক্তির সাহায্যে সূর্যালোক এবং ফটোক্যাটালিস্টস ব্যবহার করে দূষিত পানি বিশুদ্ধিকরণ পরীক্ষা চালু হচ্ছে ভারতে।
‘ফটোক্যাটালাইটিক ওয়াটার পিউরিফিকেশন টেকনোলজি’ নামক নতুন সিস্টেমের রয়েছে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড(TiO2) আবদ্ধ করার ক্ষমতা এবং ফটোক্যাটালিস্ট অতিবেগুনি রশ্মির অধীন ক্ষীণভাবে প্রতিক্রিয়া করে। টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডের অসুবিধা হল যে এটি একবার জলে মিশে গেলে সংগ্রহ করা কঠিন হয়।
এই সমস্যা সমাধানে এই প্রযুক্তির নির্মাতা জাপানি কোম্পানি প্যানাসনিক ফটোক্যাটালিস্টের উভয় দিকে সক্রিয় সাইট বজায় রাখার জন্য একটি উপায় খুঁজে পেয়েছে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডকে অন্য একটি কণা জিওলাইটের সাথে মিশ্রনের মধ্য দিয়ে।
যেহেতু দুটি কণা ইলেকট্রস্ট্যাটিক বল দ্বারা একসঙ্গে আবদ্ধ করা হয় তাই এই পদ্ধতিতে কোন দপ্তরী রাসায়নিকতার প্রয়োজন হয়না। যখনই ফটোক্যাটালাইটিক কণা নাড়া হয় তখন টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড জিওলাইট থেকে মুক্ত এবং জলে বিচ্ছুরিত হয়, যা টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড সমস্যা সমাধানের জন্য অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে অনেক দ্রুত গতির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
প্যানাসনিক জানায় স্বল্প খরচে নির্মিত এই প্রযুক্তির উদ্দেশ্য হল ভারত ও এশিয়ার অন্যান্য দরিদ্র দেশগুলোতে পানি দূষণে মৃত্যুর হার হ্রাস করা।

১০ বছর আয়ু বাড়িয়ে দেবে এমন এক ওষুধ আবিষ্কার!

১০ বছর আয়ু বাড়িয়ে দেবে এমন এক ওষুধ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা ! বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার চেষ্টায় এই সাফল্যে বিজ্ঞান আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক দাবি করে বলেছেন, নতুন একটি ওষুধ মানুষের আয়ু প্রায় ১০ বছর বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার চেষ্টায় এই সাফল্যে বিজ্ঞান আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
গবেষণায় দেখা যায় যে, জিএসকে-থ্রি নামে এক প্রোটিনের অণুগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে সংক্ষিপ্ত করে দেয়। এতে করে সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারলেই জীবনকাল বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলের মাছির শরীরেও নাকি জিএসকে-থ্রি প্রোটিন থাকে। এদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় যে, লিথিয়াম প্রয়োগের মাধ্যমে ওই প্রোটিনের কার্যক্রম ব্যাহত করা সম্ভব। এতে করে ওই প্রাণীটির আয়ু ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল), ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজি অব অ্যাজিং ও ইউরোপিয়ান মলিকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরির যৌথ এই গবেষণার সূত্র ধরে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে, লিথিয়াম কিংবা সমজাতীয় অন্য কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে কম হলে সেগুলো মানুষের আয়ু বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করা যাবে। সেইসঙ্গে ওই প্রোটিন অণু সম্পর্কে আরও বিশদ ধারণা অর্জন করতে পারলে প্রবীণদের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ (যেমন আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ইত্যাদি) নিরাময়ের চেষ্টায়ও সাফল্যের সুযোগ থাকবে।
এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনটি সেল রিপোর্টস সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।
ওই রিপোর্টের প্রধান লেখক জর্জ ইভান ক্যাস্টিলো-কুয়ান বলেন, জিএসকে-থ্রি নিয়ে তাঁরা অনেক আশাবাদী। মধ্যবয়সে এটি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর চিকিৎসা শুরু করা গেলে প্রবীণদের অনেক রোগের চিকিৎসার সঙ্গে সঙ্গে জীবনকে দীর্ঘ করার সম্ভাবনা ঢেড় রয়েছে। যদিও জীবনকাল বৃদ্ধি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। তবে সুস্থভাবে বাঁচতে না পারলে জীবনকে দীর্ঘায়িত করার সুফল কখনও মিলবে না। লিথিয়ামজাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করে আলঝেইমার রোগটি শুরু হওয়ার বয়স ৭৫ হতে ৯০ বছরে নেওয়া সম্ভব হলে অবশ্যই সেটি খুব ভালো হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

রাত জেগে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করবেন কিভাবে?

বর্তমানে বিনা কারণে রাত জেগে থাকা (staying up all night)অনেকের কাছে একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অনেকেই আছেন যারা রাত জেগে থাকেন এবং ভোর বেলা বা সকালে ঘুমান।
রাত জাগা অত্যন্ত বাজে অভ্যাস। কোন কাজ যা করা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং আগামীকাল কাল করা সম্ভব নয় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছাড়া রাত জাগা অত্যন্ত বাজে অভ্যাস। শুধু রাতেই করা যায় এবং দিনে করা অসম্ভব এমন কাজ নিশ্চয়ই প্রতিদিন আমাদের থাকেনা।
আপনি কেন রাতে ঘুমাবেন? (proper sleep at night)
আমাদের শরীর এবং মনের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য রাতের ঘুম প্রয়োজন। ফেসবুক ব্যবহার করা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, মুভি দেখা কিংবা যেকোনো কাজ যা রাতে না করে দিনেও করা যায় ইত্যাদি কাজের জন্য যদি আপনি রাত জেগে থাকেন তবে আপনার রাত জাগার কুফল সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
নিয়মিত রাত জেগে শরীর ও মনের ক্ষতি করার ফলাফল খুবই খারাপ কারণ দিনে ঘুমিয়ে রাতের ঘুম পূরণ করা কঠিন কাজ। গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে যে ঘুমের অভাবের কারণে বিষণ্ণতা, মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, দিনের বেলা ঘুম আসা এবং সহজেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া,সহজে রেগে যাওয়া এমনকি আত্মহত্যার ইচ্ছা জাগার মতো সমস্যা ইত্যাদি দেখা যেতে পারে। মনে রাখুন প্রথমে আপনার শরীর তারপর আপনার কাজ।
কিভাবে রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করবেন?
তারিখ নির্বাচন করুন- কবে থেকে আপনি রাত জাগার অভ্যাস পরিবরতন করতে চান তা নির্ধারণ করুন এবং সম্ভব হলে আপনার আশপাশের মানুষদেরকেও জানিয়ে রাখুন।প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে উঠুন - প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে গেলে এবং ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করলে আপনার জন্য রাতে ঘুমাতে যাওয়া সহজ হয়ে যাবে।ঘুমানোর আগে যা যা করবেন- ঘুমানোর কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে পিসি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করা বন্ধ করুন এবং টিভি বন্ধ করে দিন। ঘুমানোর আগে নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে রাতের গুরুত্ব কত বেশি। বিকালের পর কোন ধরনের চা বা কফি খাবেন না। ঘুমানোর আধা ঘণ্টা পূর্বে সম্ভব হলে এক গ্লাস মৃদু উষ্ণ দুধ পান করুন। ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন।
যদি ঘুম না আসে তাহলে কি করবো?
গভীর নিঃশ্বাস নিন- ঘুমানোর জন্য শোবার পর চোখ বন্ধ করুন এবার নাক দিয়ে গভীর ভাবে আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস নিন এরপর ২-৩ সেকেন্ড নিঃশ্বাস আটকে রাখুন এবার মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে ছেড়েদিন এবং আবার প্রথম থেকে শুরু করুন। এভাবে কমপক্ষে ৫-১০ মিনিট করুন অথবা ঘুম আসার পূর্ব পর্যন্ত করতে থাকুন।ধারাবাহিক ভাবে পেশী শিথিল করুন- শুয়ে থাকা অবস্থায় পা থেকে মুখের পেশী পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রত্যেকটি পেশীকে টান টান করে সামান্য কিছুক্ষণ ধরে রাখুন এবং ছেড়ে দিয়ে পেশীকে সম্পূর্ণ শিথিল হয়ে যেতে দিন।পুরো প্রক্রিয়া একবার শেষ করে আবার প্রথম থেকে শুরু করুন। এভাবে করতে থাকুন ঘুম আসার পূর্ব পর্যন্ত।তবে পেশি শিথিল করার সময় তাড়াহুড়া করবেন না।গণনা পদ্ধতি- ২০০ থেকে ০ শুণ্য পর্যন্ত গননা করুন। প্রত্যেক গণনার মাঝে ২-৩ সেকেন্ড বিরতি রাখুন এবং বিরতির মাঝে মনে মনে ধীরে ধীরে নিজেকে বলুন “আরাম আরাম” অথবা “ঘুম ঘুম”। পেশীগুলোকে ছেড়ে দিন এবং শিথিল হতে দিন।পুরো প্রক্রিয়া প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত করে আবার শুরু করুন ঘুম না আসা পর্যন্ত।
এই পদ্ধতিগুলো একটির পর একটি করা যেতে পারে অথবা যেকোনো একটি করা যেতে পারে। তবে কোন পদ্ধতি টি প্রয়োগ করে আপনি ভালো ফলাফল পান তা জানার জন্য সব গুলো পদ্ধতি একবার হলেও প্রয়োগ করে দেখুন।
এই লিখাটি আপনাদের ভালো লেগেছে তা আমি জানতে পারলে আশা করছি ঘুমানোর সমস্যা সমাধানের জন্য বিস্তারিত একটি লিখা পরবর্তীতে লিখবো। আপনারা সবসময় ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন এই কামনা করছি।

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষন সমূহ

প্রতিটি নারীর কাছেই খুশির সংবাদ হল সন্তানের মা হওয়া। গর্ভধারণের  প্রক্রিয়াটি শুরু হয় আপনার গর্ভে ভ্রুনের জন্মের মধ্য দিয়ে। আর আপনি আসলেই সন্তানসম্ভবা হয়েছেন কিনা তা ঘরে বা ক্লিনিকে pregnancy test kit দিয়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে নিয়মিত মাসিক বন্ধ হওয়ার পর আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু আপনার শরীর তার আগে থেকেই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে জানিয়ে দিবে যে আপনি মা হতে চলেছেন। চলুন তাহলে এই লক্ষন গুলো কি কি তা জেনে নেয়া যাক –
ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া :
যাদের নিয়মিত মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারনের সর্বপ্রথম চিহ্ন মাসিক বন্ধ হওয়া। মাঝে মধ্যে গর্ভবতী হলেও মাসিকের সময় সামান্য রক্তক্ষরণ হতে পারে। সবচেয়ে প্রচলিত ও তাৎপর্যপূর্ণ লক্ষণ হলো মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া। তবে কোনো কোনো গর্ভবতী নারীর পিরিয়ড থাকতে পারে তবে তা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক হাল্কা মাত্রার ও কম সময়ের জন্য। কোনো নারীর যদি আগে থেকেই অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে তবে গর্ভধারণের এ লক্ষণটি তার ক্ষেত্রে একটু সমস্যার সৃষ্টি করবে। ঠিক কবে থেকে মাসিক বন্ধ হলো তা সনাক্তকরণ একটু কঠিনই হবে।
খাবারের প্রতি অনীহা :
সবচেয়ে কমন একটি লক্ষন। আগে ভাল লাগত এমন খাবার বিস্বাদ লাগে আর নতুন নতুন খাবার খেতে ইচ্ছে করে। আবার অনেকের মুখে তামাটে স্বাদ লাগে।
তলপেট ফাপা :
এটিও হয় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে। মাসিক শুরু হওয়ার আগেও একি রকম লক্ষন দেখা দেয়।
ঘন ঘন প্রস্রাব :
গর্ভধারণের পর হরমোনের পরিবর্তনের কারনে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনির ব্লাডার দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহের মাঝেই এই লক্ষন প্রকাশ পায়। গর্ভাবস্থার পরবর্তী মাস গুলোতে এর মাত্রা আরও বাড়তে পারে।
ক্লান্তি/অবসাদ :
প্রজেস্টেরনের বৃদ্ধির কারনে এই সময়ে অল্পতেই ক্লান্ত অনুভব করতে পারেন। গর্ভকালীন সময়ে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) এবং রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারনেও অবসাদ গ্রস্ততা বেড়ে যায়।
স্তন স্ফীত হওয়া ও সংবেদনশীলতা বেড়ে যাওয়া :
মাসিকের সময়েও এই অসস্তিকর লক্ষন গুলো দেখা যায়, তবে গর্ভকালীন সময়ে এর তীব্রতা অনেক বেশী হয়। শরীরে হরমোনের পরিবিরতনের কারনে এমনটি হয়। গর্ভধারণের পরবর্তী মাসগুলোতে শরীর যখন ধীরে ধীরে হরমোনের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয় তখন এই অসস্তিকর অনুভুতি কমে যায়।
বমির ভাব :
কনসিভ করার ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর থেকে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) দেখা দেয়। বমি বমি ভাব শুধু সকালেই নয় এমনকি দুপুরে ও রাতেও অনুভুথতে পাজায়। সাধারনত গর্ভধারণের ১২-১৬ সপ্তাহ পরে বমির ভাব অনেকটাই কমে যায়।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

ঘরে বসে তৈরি করুন স্বাস্থ্য সম্মত পিজ্জা।

পিজ্জা দেখতে যেমন ভিন্নধর্মী, খেতেও তেমনি দারুণ সুস্বাদু। আর সঠিক রেসিপি জানলে তৈরি করা কোন বিষয়ই না। জেনে নিন ফারহানা রহমানের এই দারুণ রেসিপি।
পিজ্জার খামির এর উপকরণ :
২কাপ ময়দা, ১ চা চামচ ঈস্ট, হাফ কাপ দুধ, ১টেবিল চামচ চিনি, হাফ চা চামচ লবণ, ৪ টেবিল চামচ তেল , খামির নরম করার জন্য আরো খানিকটা কুসুম গরম দুধ (যদি লাগে)
টপিং- এর উপকরণ :
বিভিন্ন রং এর ক্যাপ্সিকাম (আপনি চাইলে যে কোনো সবজি দিতে পারেন), ১ টি ছোট পেঁয়াজ, রান্না করা মুরগির মাংসের ছোট ছোট টুকরো অথবা কিমা/সসেজ (এতে সময় বাঁচে), ঝুরি করা মোজ্জারেলা চীজ, ১ টেবিল চামচ শুখনো অরিগানো, একটু গোলমরিচের গুঁড়ো।
পিজ্জা সসের উপকরণ :
২টি পাকা টমেটো কুঁচি (উপরের পাতলা আবরণটি তুলে ফেলতে হবে), ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুঁচি ,১ চা চামচ রসুন কুঁচি , লবণ স্বাদ মত, হাফ চা চামচ গোলমরিচ এর গুঁড়ো , হাফ চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো, হাফ চা চামচ অরিগানো ,২ টেবিল চামচ তেল , দেড় চা চামচ চিনি
প্রস্তুত প্রণালি :
– প্রথমেই খামির করে নিন। দুধ গরম করে চিনি মিশিয়ে নিন। আঙুল ডুবানো যায় এমন গরম থাকতে ঈস্ট গুলিয়ে দিন। এভাবে ৫ মিনিট ঢেকে রাখুন। ৫ মিনিট পর ময়দা মিশিয়ে দিন। অতিরিক্ত দুধ কুসুম গরম করে খামিরে ব্যবহার করুন। খামির খুবই নরম করতে হবে। নইলে পিজ্জা শক্ত হবে। লবন মেশান। তেল দিয়ে মিশিয়ে গোল বল বানিয়ে একটি বড় বাটিতে ২ ঘন্টা ঢেকে রাখুন। বাটিটি গরম কোনো জায়গাতে রেখে দিন।
– এবার সস বানিয়ে নিন। পেঁয়াজ, রসুন তেলে ভেজে কুচি করা টমাটো দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ ভেজে চিনি বাদে সব উপকরণ এবং একটু পানি দিয়ে ঢেকে দিন। চামচ দিয়ে চেপে চেপে টমাটো গলিয়ে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে আসলে চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন।
– টপিং এর জন্য ক্যাপ্সিকাম ও পেঁয়াজ কুচি করে রেখে দিন।
– ২ ঘন্টা পর পিজ্জার খামির ফুলে উঠবে। হাত দিয়ে চেপে বাতাস বের করে দিয়ে খামিরকে ৫ ভাগে ভাগ করুন। হাত দিয়ে টেনে টেনে প্রত্যেকটি ভাগ দিয়ে ছোট ছোট মোটা রুটি করুন। এবার টমাটো সস মাখিয়ে দিন রুটির উপরে। চীজ বিছিয়ে দিন। ক্যাপ্সিকাম,মুরগির টুকরো ও পেয়াজ কুচি ছরিয়ে দিন। এর উপর আরো একটু চীজ ছড়িয়ে দিয়ে অরিগানো এবং গোলমরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন।
– প্রিহিটেট ইলেক্টিক ওভেনে ১৯০-২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১৫-২০ মিনিট বেক করুন। হয়ে গেলে ৫ মিনিট রেখে দিন পিজ্জা সেট হওয়ার জন্য। ব্যাস, তৈরি আপনার পিজ্জা ।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

স্তনের আকৃতি নষ্ট হবার জন্য দায়ী যে ৬টি বদ অভ্যাসঃ

  • বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে নারীদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৬টি এমন ভুলের কথা, যেগুলোর ফলে আপনার স্তনে পড়ছে বয়সের ছাপ ও নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক আকৃতি ও সৌন্দর্য।
    একটি বড় কারণ ব্রাঃ
  • ২০১৩ সালে প্রকাশিত একটি রিসার্চে বলা হয়, যারা প্রতিনিয়ত ব্রা পড়ে থাকেন তাঁদের তুলনায় যেসব নারীরা কখনোই ব্রা পরিধান করেন নি, তাঁদের স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্তও সুন্দর থাকে।
  • অপর আরেকটি রিসার্চে দেখা যায় যে ভুল মাপের ব্রা পরিধান দ্রুত নষ্ট করে ফেলে আপনার স্তনের আকৃতি। ব্রা যদি পরিধান করতেই হয়, তবে সেটি হতে হবে সঠিক মাপের। খুব বেশী টাইট বা খুব ঢিলেঢালা ব্রা, দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
    আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করেন না:
  • পানি হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে জাদুকরী পানীয়। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ক্রমশ বয়সের ছাপ পড়ে আপনার ত্বকে এবং ঝুলে যেতে থাকে ত্বক সময়ের অনেক আগেই। এবং হ্যাঁ, শুধু মুখের নয়, সম্পূর্ণ শরীর তথা স্তনের ত্বকেও এর প্রভাব দেখা যায় অত্যন্ত বেশী।
    সূর্যরশ্মি হতে রক্ষা করেন নাঃ
  • সংক্ষিপ্ত পোশাক কিংবা পাতলা ফেব্রিক পরতে ভালোবাসেন? জেনে রাখুন, প্রখর সূর্যরশ্মি আপনার মুখের ত্বকের পাশাপাশি সম্পূর্ণ ত্বকেরই ক্ষতি করে। পোশাকে ঢাকা থাকলেও সূর্যের রশ্মি আপনার দেখা পছায় ঠিকই, তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। বিশেষ করে স্তনের নরম ত্বকে। সূর্যের প্রখর উত্তাপ বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে অনেক ত্বরান্বিত করে দেয়।
    আপনি ধূমপান করেনঃ
  • ধূমপান মানবদেহের জন্য একটি অভিশাপের নাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরুষের চাইতে অনেকটাই বেশী। ধূমপান আপনার ত্বকের ইলাসটিনকে নষ্ট করে ফেলে, যা ত্বকে টানটান ভাব ও তারুণ্য ধরে রাখে। ফলে আপনাকে দেখায় অনেক বেশী বয়স্ক। ধূমপায়ী নারীদের স্তনের আকৃতি ও সৌন্দর্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
    আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে নেই, খুব দ্রুত বাড়ে-কমে:
  • ওজন কমানো ভালো, তবে ওজন কম্লে সবার আগে প্রভাব আপনার স্তনে পড়ে। কেননা স্তন তৈরি মূলত ফ্যাট সেল দিয়ে, তাই ওজন কমলে প্রথমেই স্তনে এর প্রভাব দেখা যায়। আপনি যখন বেশী মোটা থাকেন, ত্বকে স্ট্রেচ হতে হতে ইলাসটিসিটি হারিয়ে ফেলে।
  • পরে পরবর্তীতে আপনি যখন স্লিম হয়ে যায়, তখন স্তন ঝুলে যায়। দ্রুত ওজন না কমিয়ে ধীরে সুস্থে কমাতে হবে এবং ওজন খুব দ্রুত ওঠানামা করতে দেয়া যাবে না। অল্প অল্প করে ওজন কমালে স্তনের আকৃতি অনেকটাই কম নষ্ট হবে।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

নাক দিয়ে রক্ত পড়া সমস্যার ঘরোয়া সমাধান

নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যা কয়েক সেকেন্ড হতে শুরু করে ১০ মিনিট পর্যন্তও স্থায়ী হয়ে থাকে। এই সমস্যাটি হওয়ার কিছু কারণ হল- মাথাঘোরা, শারীরিক দুর্বলতা, অত্যধিক মানসিক চাপ, মাথায় আঘাত পাওয়া এবং অনেক সময় অজ্ঞান হয়ে গেলেও নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহ হয়ে থাকে। যে কোন ব্যক্তির নাক দিয়ে রক্তপ্রবাহ হতে পারে তবে বিশেষ করে ২ থেকে ১০ বছরের বাচ্চা এবং ৫০ থেকে ৮০ বছরের প্রাপ্ত বয়স্ক ও বৃদ্ধদের মধ্যে নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যা বেশি দেখা যায়। নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হল শুষ্ক বায়ু যার কারণে নাকের ভিতরের নালী শুকিয়ে যায় এবং নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহ হয়।
এছাড়াও আর কিছু ভিন্ন কারণ আছে নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহ হওয়ার যা হল- এলার্জি, নাকে ব্যথা পাওয়া, বার বার হাঁচি দেওয়া, অত্যাধিক গরম, মদ পান করা, অতিরিক্ত ধূমপান করা, খুব বেশি মাত্রায় এসপেরিন ব্যবহার করা, দেহে পুষ্টির অভাব, গর্ভাবস্থায় দেহে হরমোনাল পরিবর্তন, শ্বাস জনিত সংক্রামন, উচ্চ রক্তচাপ,দেহে রক্তজমাট রোগ ও ক্যানসার। এতোগুলো কারণে যেহেতু নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যা হয়ে থাকে তাই এই সমস্যাটিকে কখনোই সাধারণ ভাবে নেয়া ঠিক হবে না খুব বেশি সমস্যা হলে ডাক্তার দেখাতে হবে এবং ঘরে বসেও বিশেষ কিছু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
পেঁয়াজ –
নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহ হওয়ার সমস্যা রোধ করতে পেঁয়াজ খুব ভালো। পেঁয়াজের প্রাকৃতিক উপাদান ফিউমস নাক দিয়ে রক্ত প্রাবাহ হওয়ার সমস্যা রোধ করে।
১। একটি পেঁয়াজ মোটা করে স্লাইস করে নিন। এক টুকরো পেঁয়াজ নিয়ে নাকের নিচে চেপে দিয়ে এর গন্ধ নিন। রক্ত প্রবাহ খুব দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।
২। পেঁয়াজের রস ২-৩ ফোঁটা নাকের ভিতরে দিয়ে নিন। প্রয়োজন হলে আবার দিন।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার –
নাকের রক্ত প্রবাহ বন্ধ করার জন্য অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুব উপকারী। এটি দেহ থেকে অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ রোধ করে এবং ভঙ্গুর রক্তের প্রাচীর ঠিক করে।
১। এক টুকরো তুলোয় অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে নিয়ে নাকের নিচে দিয়ে এর গন্ধ নিন ও ১০ মিনিট রাখুন। আপনি চাইলে সাদা ভিনেগারও ব্যবহার করতে পারেন। এই উপায়ে রক্ত প্রবাহ দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।
২। নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহ বন্ধ করতে এক গ্লাস পানিতে ২ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে ৩ বার পান করুন।
তুলসী পাতা –
যেকোন সমস্যার ভেষজ প্রতিকারের উপাদানগুলোর মধ্যে তুলসী পাতা খুব ভালো। নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যায় তুলসী পাতা খুব উপকারী।
১। কয়েকটি তুলসী পাতা ধুয়ে সরাসরি চিবিয়ে খান। তুলসী পাতা দেহকে ঠাণ্ডা রাখবে এবং রক্ত প্রবাহ বন্ধ করবে।
২। তুলসী পাতার রস তৈরি করুন এবং কয়েক ফোঁটা রস নাকে দিয়ে নিন। এই উপায়েও নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যা রোধ করা যায়।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

১ চিমটি জাফরান ১৫ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে

জাফরান বিশ্বের সবচাইতে দামী মসলা হিসবেই পরিচিত। ‘গোল্ডেন স্পাইস’ হিসেবেও এর সুনাম রয়েছে অনেক। নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয় জাফরান। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এর জুড়ি নেই। জাফরানের রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। মাত্র ১ চিমটি জাফরান আপনাকে প্রায় ১৫ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
১/ মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
২/ হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত সকল রোগ দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩/ জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪/ জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা দূর করে।
৫/ জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিত রোগ দূর করে।
৬/ নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা, পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে সহায়তা করে।
৭/ জাফরানের রয়েছে অনিদ্রা সমস্যা দূর করার জাদুকরী ক্ষমতা। ঘুমুতে যাওয়ার আগে গরম দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে পান করলে দূর হবে অনিদ্রা সমস্যা।
৮/ সামান্য একটু জাফরান নিয়ে মাড়িতে ম্যাসেজ করলে মাড়ি, দাঁত এবং জিহ্বার নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
৯/ গবেষণায় দেখা যায় জাফরান saffron দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের ছানি পড়া সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে।
১০/ জাফরানের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং দুর্বলতা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
১১/ অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সামান্য একটু জাফরান।
১২/ জাফরান কয়েক ধরণের ক্যান্সারের কোষ আমাদের দেহে বাসা বাঁধতে বাঁধা প্রদান করে। এতে করে ক্যান্সার থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব হয়।
১৩/ জাফরান দেহের কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে করে কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড জনিত সমস্যা দূরে থাকে।
১৪/ মস্তিস্কের গঠন উন্নত করতে জাফরানের ভূমিকা রয়েছে। স্মৃতিশক্তি উন্নত, চিন্তা ক্ষমতা, কোনো কিছু শেখার ক্ষমতা বাড়ায় নিয়মিত জাফরান সেবন।
১৫/ জাফরানের ক্রোসিন নামক উপাদানটি অতিরিক্ত জ্বর কমাতে সহায়তা করে।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

অন্তঃসত্বা অবস্থায় যেসব খাবার একদম খাবেন না

একজন নারী গর্ভধারনের পূর্বেই নিজের স্বাস্থ্য, গর্ভধারণ ও সন্তান পালন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন হওয়া দরকার। কারণ একজন সুস্থ্য মা-ই পারে একটি সু্স্থ ও স্বাভাবিক শিশুর জন্ম দিতে। তাই গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা। অন্তঃসত্বা অবস্থায় খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। আজ আমরা জানবো গর্ভবতীর কি কি  খাবার খাওয়া উচিত না সেই সম্পর্কে –
১. কফি অথবা ক্যাফেইন যুক্ত পানীয়ঃ
পরীক্ষায় প্রমানিত অতিরিক্ত পরিমান ক্যাফেইন গ্রহন করলে গর্ভধারনের প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন মারা যেতে পারে।
২. মদঃ
গর্ভকালীন সময়ে মদ্যপান করলে গর্ভের সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যহত হওয়া সহ সমুহ বিপদের সম্ভাবনা থাকে।
৩. কিছু গভীর সমুদ্রের মাছঃ
টুনা ফিশ, শার্ক সহ অনেক নোনা পানির মাছে মাত্রাতিরিক্ত পারদ জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে যার বিষক্রিয়ায় গর্ভস্থ ভ্রুন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৪. কাঁচা মাংস, কাঁচা ডিম, কেক বাটার, বারবিকিউ, সুশী (জাপানী খাবার), মেইওনাস, কাঁচা ডিম দিয়ে তৈরি মিষ্টন্ন জাতীয় খাবারঃ
এ সব খাবরে সালমোনিল্লা নামক রাসায়নিক উপাদান এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে যা গর্ভের সন্তানের জন্য মঙ্গলকর নয়।
৫. অল্প রান্না করা মাংস অথবা সিদ্ধ করা মাংসঃ
ভালভাবে রান্না না করলে মাংসে ক্ষতিকর ‘ই-কোলী ব্যাকটেরিয়া’ নষ্ট হয়না, যা গর্ভের ভ্রুনের জন্য বিপদজনক।
৬. অপ্রয়োজনীয় ঔষুধঃ
গর্ভকালীন সময়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাওয়া উচিৎ না। অপ্রয়োজনীয় কোন ঔষুধ একদম খাওয়া ঠিক না
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

জরায়ু মুখের ক্যান্সার সম্পর্কে জানুন এবং প্রতিরোধ করুণ

বাল্য বিবাহ হওয়া মেয়েদের এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশী। অল্পবয়সেই যারা যৌনাচারে অভ্যস্ত হয়ে থাকে তাদের এই ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী। একাধিক পুরুষ সঙ্গী থাকা, বা পুরুষ সঙ্গীটির একাধিক নারী সঙ্গী থাকা কিংবা ঘন ঘন বাচ্চা নেয়া ইত্যাদি কারনেও জরায়ূ মুখ ক্যান্সার হতে পারে।
সংক্রমণঃ
হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) হিউম্যান পেপিলোমা বা এইচপি ভাইরাস জরায়ুমুখের ক্যানসারের একটি অন্যতম কারণ।
যৌন সংযোগে এর সংক্রমণ ঘটে।
জরায়ুতে এইচপি ভাইরাস হলে।
লক্ষণঃ
অতিরিক্ত সাদাস্রাব, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, অতিরিক্ত অথবা অনিয়মিত রক্তস্রাব
সহবাসের পর রক্তপাত, মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবার পর পুনরায় রক্তপাত
কোমড়-তলপেট বা উড়ুতে ব্যথা ইত্যাদি।
সনাক্তকরণঃ
এই রোগ থেকে মুক্ত থাকতে যে সকল মহিলার বয়স ৩০ এর বেশী (বাল্য বিবাহ হলে ২৫ এর বেশী) তাদের প্রতি তিন বছর পর পর স্ত্রী রোগ চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য কর্মী দ্বারা জরায়ু মুখ পরীক্ষা করানো উচিত।
প্রতিরোধকঃ
– প্রথমে দেখা যাক প্রতিরোধ করা যায় কিভাবে। বর্তমানে জরায়ু-মুখ ক্যান্সার Uterus cancer প্রতিরোধে অতি কার্যকর টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। টিকা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত জরায়ু পরীক্ষা ও সচেতনতা জরায়ু – মুখ ক্যান্সারের আক্রান্তের হার কমিয়ে দেয় বা খুব প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার প্রাথমিক লক্ষণ ধরা যায়।
– ১০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের সব মেয়ে বা নারী জরায়ু – মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে টিকা নিতে পারেন। এ টিকার তিনটি ডোজ নিতে হয়।
– ১ম ডোজ- যে কোন দিন, ২য় ডোজ- ১ম ডোজের ১ মাস পর, ৩য় ডোজ- ১ম ডোজের ৬ মাস পর
– এ টিকা দীর্ঘমেয়াদি জরায়ু-মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম।
জরায়ু – মুখ ক্যান্সার প্রারম্ভিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ পদ্ধতি বিভিন্ন হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে আছে।
প্রজননক্ষম মেয়েদের (১৫-৪৫ বছর) বা যাদের কোনরকম সন্দেহ হচ্ছে- যে ক্যান্সার টেস্ট করা দরকার বছরে ১ বার বা নেগেটিভ ক্ষেত্রে ৩ বছর পর পর এ টেস্ট করতে হবে।
আমাদের দেশে প্রতিটি মেয়ে বা নারীকে সচেতন হতে হবে এবং পরিবারের সদস্যরা এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন যাতে এ ঘাতকের হাত থেকে তার প্রিয়জনকে রক্ষা করতে পারেন।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

মাসিকের সময় যে ৭টি খাবার নারীর জন্য জরুরী

আমাদের দেশে মেয়েরা অনেক বড় বড় অসুখও যেখানে লজ্জায় লুকিয়ে রাখেন, সেখানে পিরিয়ডের সময় খাওয়া দাওয়ার দিকে মনযোগ দেয়ার ব্যাপারটা তো কারো মাথাতেই আসবে না। তবে সত্যটা হচ্ছে, পিরিয়ডের এই ৩-৫ দিন অনেকটা রক্ত বের হয়ে যায় শরীর থেকে, আর তাই অবশ্যই শরীরের চাই বিশেষ খাবার।
১/ পানি –
একথা ভুলে গেলে চলবে না যে কেবল রক্তপাত নয়, সেই সাথে শরীর হারাচ্ছে অনেক খানি তরল। আর এই অভাব পূরণ করতে পান করতে হবে প্রচুর পানি। না, পানীয় নয়। সাধারণ পানি। চা, কফি, কোলা ইত্যাদির চাইতে অনেক বেশী স্বাস্থ্যকর সাধারণ পানি। হালকা কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন, এতে পেট ব্যথায় আরাম হবে।
২/ মাছ –
বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এবং এগুলো পিরিয়ড চলাকালীন শরীরের ক্ষয় পূরণ করে এবং ব্যথা কমাতেও ভূমিকা রাখে। পিরিয়ডের সময় মাছ খেতে ভুলবেন না যেন। সামুদ্রিক মাছ খেলে আরও ভালো।
৩/কলা –
হ্যাঁ, কলা। মাসিকের দিনগুলিতে কলা খেতে ভুলবেন না একেবারেই। কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস, যা মাসিকের সময় আপনার জন্য জরুরী। এই কলা মাসিকের বিষণ্ণতা কমাতেও সহায়ক। তাছাড়া পিরিয়ডের সময় অনেক নারীই ডায়রিয়াতে ভুগে থাকেন, যা দূর করতে সাহায্য করবে এই কলা।
৪/ লাল মাংস –
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয় পিরিয়ডের সময়ে, যা পূরণ করবে লাল মাংস। চর্বি ছাড়া লাল মাংস অবশ্যই রাখুন খাবারের তালিকায়, সাথে রাখুন প্রচুর সালাদ। শরীর থাকবে সুস্থ।
৫/ বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার –
বাদাম ভর্তি নানান রকম ভিটামিন ও মিনারেলে যা পিরিয়ডের সময় শরীরের জন্য ভালো। তবে খেয়াল রাখবেন, বাজারের বাড়তি লবণে ভাজা বা চিনিতে জড়ানো বাদাম খাবেন না। চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি তো খেতে পারেনই। সাথে বীজ কুমড়ার বীজ সহ নানা ধরণের বীজ রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়।
৬/ ডার্ক চকলেট –
পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন কয়েক টুকরো ডার্ক চকলেট হতে পারে আপনার জন্য দারুণ উপকারী। ডার্ক চকলেটে চিনি নেই, ফলে ওজন বাড়বে না। বরং আছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম। এই চকলেট পিরিয়ড চলাকালীন বিষণ্ণতাও দূর করবে।
৭/ সবুজ শাক –
সবুজ শাক ও সালাদের পাতা জাতীয় খাদ্য এই মুহূর্তে আপনার সবচাইতে বেশী প্রয়োজন। এতে আছে প্রচুর আয়রন, যা শরীরের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করবে। অবশ্যই প্রতি বেলার খাবারে রাখুন সবুজ পাতা, যেমন- বিভিন্ন ধরণের শাক ও সালাদ লিফ।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

পিল খাওয়ার পরও যেসব কারণে গর্ভধারণ হতে পারে

অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এড়াতে অধিকাংশ নারী জন্মবিরতিকরণ পিল ব্যবহার করেন। দাবি করা হয়, এসব পিল ৯৯.৭ শতাংশ নারীকে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ থেকে বাঁচায়। তবে পরীক্ষাগারের গবেষণায় কিন্তু এসব পিলের যথেষ্ট ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হয়েছে। দেখা গেছে, গর্ভনিরোধে এসব পিলের ব্যর্থতা ৯ শতাংশ। কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। সবমিলিয়ে চারটি বিষয় বের করা হয়েছে যার ফলে জন্মবিরতিকরণ পিল কোনো কাজ করে না।
১. পিল নিয়মিত না খাওয়া :
নিয়মমতো পিল না খেলে এটি কাজ করবে না। অন্যান্য হরমোন কন্ট্রাসেপ্টিভের মতোই এসব পিল নারী দেহের সংশ্লিষ্ট হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অধিকংশ পিল এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টিন হরমোনের সমন্বয়ে কাজ করে। পিল নিয়মিত না খেলে এসব হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে নারীর ডিম্বাশয় আগের মতোই উর্বর হয়ে ওঠে বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গাইনেকোলজির প্রফেসর ফিলিপ ডার্নে।
২. সময়মতো পিল না খাওয়া :
বিজ্ঞানীরা ওরাল হরমোন ডোজকে নিরাপদ করতে গবেষণা চালিয়েছেন। প্রোজেস্টরেন-এস্ট্রোজেন পিলের কার্যকারিতা পেতে হলে ৬ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। প্রোজেস্টরেন পিল ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিনের ভিত্তিতে। একদিন বাদ পড়লে দেহে হরমোনের মাত্রা কমে যেতে পারে বলে জানান প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভেনেসা কুলিনস।
৩. বিশেষ চিকিৎসা অবস্থায় :
কিছু বিশেষ চিকিৎসাপদ্ধতির জন্য এসব পিল কাজ করে না। যেমন- টিউবারকুলোসিসের জন্য রিফাডিন চিকিৎসা, গ্রিসেওফালভিনের জন্য অ্যান্টি-ফানগাল ড্রাগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে পিল কার্যকারিতা দেখাতে পারে না। তাই চিকিৎসকদের এসব ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে পিলের বিষয়ে পরামর্শ দিতে হবে।
৪. হার্বাল সাপ্লিমেন্ট :
যেকোনো হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধক পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ ওষুধ ও হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধনে ব্যাকআপ ব্যবস্থার কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

গর্ভধারণ সম্পর্কে ৪টি ভুল ধারণা

গর্ভধারণ সম্পর্কে অনেকের মাঝেই আছে কিছু ভ্রান্ত ধারণা। মন গড়া এসব ভ্রান্ত ধারণার কারণে গর্ভধারণের সময় নানান রকমের জটিলতার সম্মুখীন হতে হয় অনেককেই। আবার এসব ভুল ধারনা ও অজ্ঞতার কারণে অনেক বড় শারীরিক সমস্যা নিয়েও মাথা ঘামান না অধিকাংশ মানুষ। আসুন জেনে নেয়া যাক গর্ভধারণ সম্পর্কে এমন ৪টি ভুল ধারনা সম্পর্কে।
অনিয়মিত পিরিয়ড গর্ভধারণে প্রভাব ফেলে না –
অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময়ের কোনো ভূমিকা নেই। যাদের পিরিয়ড প্রতিমাসের নির্দিষ্ট সময়ে হয় না এবং পুরো বছরই অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভুগেন যারা তাদের অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে এই ব্যাপারে পরামর্শ করা উচিত।
কারণ যাদের বছরের মাত্র কয়েকবার পিরিয়ড হয় তাদের গর্ভধারণের সম্ভাবনাও কম থাকে। এছাড়াও অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণে গর্ভধারণের সম্ভাব্য সময় নির্নয় করাও বেশ কঠিন হয়ে যায়। তাই অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যাকে অবহেলা না করে গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হওয়া উচিত।
প্রতিদিন যত বেশিবার সহবাস করা যায় তত বেশি গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে –
অনেকের মাঝেই একটি ভুল ধারণা আছে, আর তা হলো গর্ভধারণের জন্য দিনে যত বেশিবার সহবাস করা যায় তত বেশি ভালো। বারে বারে সহবাসের মাধ্যমে ডিম্বানুর সাথে শুক্রানুর সংযুক্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায় বলে মনে করেন অনেকেই। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ন ভুল। একটি মাত্র ডিম্বাণু সাথে সহস্র শুক্রানুর যেকোনো একটির সংযুক্তি ঘটলেই গর্ভধারণ করা সম্ভব। এর সাথে দিনে একাধিক বার সহবাস করার কোনো সম্পর্ক নেই।
গর্ভধারণে বয়সের কোনো প্রভাব নেই –
অনেকেই বলেন গর্ভধারণের জন্য বয়স কোনো ব্যাপার না। অনেকেই আবার এটাও বলেন যে কত নারীই তো ৪০ বছর বয়সে সন্তানের মা হয়েছেন, তাই যে কোনো বয়সই গর্ভধারণের জন্য ভালো। এটা ভুল ধারণা। বয়সের সাথে সাথে ধীরে ধীড়ে গর্ভধারণের ক্ষমতা কমতে থাকে। বয়স তিরিশ পার হওয়ার পরে গর্ভধারণের ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুকি বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে গর্ভপাত হওয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।
গাইনি ডাক্তার বলে দিবেন সন্তান হবে নাকি হবে না –
বেশিরভাগ মানুষই গাইনি ডাক্তারের কথায় অন্ধের মত বিশ্বাস করেন একটি ক্ষেত্রে। আর তা হলো সন্তান হবে নাকি হবে না সেটা গাইনি ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করেন বেশিরভাগ মানুষ। আপনার গাইনি ডাক্তার আপনাকে আপনার শারীরিক সমস্যাগুলো জানিয়ে দিতে পারেন এবং সেগুলোর সমাধানের পথ বাতলে দিতে পারেন মাত্র। আপনার সন্তান হবে নাকি হবে না সেই নিশ্চয়তা দেয়ার ক্ষমতা তার নেই।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

নিদ্রাহীনতা… কেন? প্রতিকার কী?

বর্তমান সময়ে এমন নিদ্রাহীনতা কিংবা ইনসমনিয়ার সমস্যা বিভিন্ন মানুষের মাঝে দিনকে দিন যেন বেড়েই চলেছে। যার ফলাফল গিয়ে দাঁড়ায় সারাদিনের দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পাওয়া। তবে বেশিরভাগ মানুষই একে খুব একটা আমলে নেন না যা পরবর্তী সময় গুরুত্বপুর্ণ সমস্যার কারণ হতে পারে।
নিদ্রাহীনতা কেন হয়?
বিভিন্ন কারণেই এই নিদ্রাহীনতার সমস্যা হতে পারে। কখনো কখনো নিদ্রাহীনতা হয় ক্ষণিক সময়ের জন্য, কখনো আবার বেশ অনেকদিন ধরে। আবার ব্যক্তিভেদেও নিদ্রাহীনতার কারণ ভিন্ন হতে পারে। তবে পূর্বের তুলনায় এখনকার সময়ে নিদ্রাহীনতার সমস্যা আশংকাজনক ভাবে বেড়ে গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি এই সমস্যায় পড়েন তরুণ তরুণীরাই। সাধারণত বিভিন্ন রকমের দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা, ভয় এসব থেকেই ইনসমনিয়ার শুরু। এছাড়া খাবারে অনিয়ম, অতিরিক্ত সময় ধরে টিভি দেখা, কম্পিউটারের পর্দার সামনে বসে থাকা, শারীরিক অন্য কোন সমস্যা থেকেও নিদ্রাহীনতা দেখা দিতে পারে। আবার সারাদিনের মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম, মনোযোগের সমস্যা, ঘুমানোর স্থান পরিবর্তন এসব কিছুর উপর ভিত্তি করেও নিদ্রাহীনতার সমস্যা হতে পারে।
কী করে হবে প্রতিরোধ? কিংবা প্রতিকার?
ঘুম নেই? তাতে কী? তার জন্য আলাদা করে ভাবনার কী আছে? এমন উদাসীনতায় চলতে থাকা সময়টাই যে শরীর ও মনের জন্য কতটা বিরূপ প্রভাব ডেকে আনে তা হয়তো অনেকটা অগোচরেই থেকে যায়। আরেকটি আত্মঘাতী সিদ্বান্ত হলো চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যাতীত ঘুমের ওষুধ খাওয়া। তাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো যাতে নিদ্রাহীনতার সমস্যা যাতে আপনাকে ছুঁতে না পারে সে ব্যাপারে সচেতন হওয়া। নিদ্রাহীনতা যাতে আপনার জন্য কোন সমস্যা না হয়ে দাঁড়ায় সেজন্য আগেভাগেই সচেতন হওয়াটা জরুরী। নিদ্রাহীনতা যাতে না হয় সেক্ষেত্রে যেসব পন্থা অবলম্বন করতে হবে তা হলোঃ
  • সঠিক খাদ্যাভাস বজায় রাখা নিদ্রাহীনতা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খুব বেশি তেলমশলা জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব পরিহার করা যায় পরিহার করুন।
  • প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করুন।
  • প্রতিদিন সন্ধ্যার দিকে কিংবা পড়ন্ত বিকালে কিছুটা সময় ব্যায়াম কিংবা ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন।
  • রাতের খাবারের পর একেবারে সাথে সাথে না ঘুমিয়ে কিছুটা বিরতি নিন। হালকা হাঁটাচলা করুন, বই পড়ুন। তারপর সময়মতো ঘুমাতে যান।
  • রাতে শোবার ঘর একেবারে অন্ধকার না হলে অনেকের ঘুম আসেনা। তাই শোবার ঘরের পরিবেশ অন্ধকার করলে তা ঘুম আসার সহায়ক হতে পারে।
এসবের পরেও নিদ্রাহীনতার সমস্যা না কাটলে আপনার করনীয় হতে পারেঃ
  • কোন কিছু মনে রাখার বা শেখার চেষ্টা করুন। অথবা নিজের ব্যক্তিগত কোন ধ্যান ধারণা নিয়ে ভাবুন। এতে করে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কে আলস্য ভর করবে এবং তা ঘুম আসতে সহায়ক হবে।
  • ঘুম না আসলে বিছানায় এপাশ ওপাশ না করে উঠে পড়ুন এবং কোন কাজে লেগে যান। যেমন বই পড়া কিংবা কাপড় গোছানো। এতে করে মস্তিষ্কের আলস্য বৃদ্ধি পাবে এবং দ্রুত ঘুম আসবে।
  • ইয়োগা কিংবা মেডিটেশন অনিদ্রার সমস্যার ভালো সমাধান হতে পারে।
  • অনিদ্রার সমস্যা খুব বেশি হলে চা-কফি এবং ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় এবং খাদ্যদ্রব্য পরিহার করুন।
কোনকিছুতেই সমাধান না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে না জেনে, না বুঝে ভুল ঘুমের ওষুধ কখনোই সেবন করবেন না।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

ত্বকের যত্নে হলুদ

শত শত বছর আগে থেকে রান্নার কাজে আমরা হলুদ ব্যবহার করি। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এখন মানুষ বাটা হলুদের পরিবর্তে বাজারে পাওয়া যায় এমন প্যাকেট জাত গুঁড়া হলুদ রান্নার কাজে ব্যবহার করছে। এই মশলার উপকরণটি আমাদের দক্ষিন এশিয়ার সংস্কৃতি, ধারা, অনুষ্ঠান-পর্বের সাথে আত্মিক ভাবে জড়িত। আমাদের বিবাহিক অনুষ্ঠান “গায়ে হলুদ “ শুরু হয় বর-কনের গায়ে হলুদ ছোঁয়ানোর মধ্য দিয়ে। হলুদ বলতে গেলে একটি ন্যাচারাল কস্মেটিক্স। এটি গায়ের রঙ যেমন উজ্জ্বল করে, তার সাথে বিভিন্ন চর্ম রোগের সমস্যা যেমন অ্যালার্জি, ব্রণ, র‌্যাশ দূর করে। তাছাড়া বয়সগত রোগ আলজেইমার, ডায়বেটিস, আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি রোগ থেকে উপশম পেতে সাহায্য করে। এটি যেহেতু দক্ষিন এশিয়া তে সর্বাধিক পাওয়া যায় তাই একে “ইন্ডিয়ান জাফরান” বলা হয়।
১। ব্রণ দূর করতেঃ
হলুদের মধ্যে এন্টিসেপ্টিক এবং এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান থাকে যেটি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এটি শুধু ব্রণই দূর করে না, তার সাথে ব্রণের দাগ এবং লোমকূপ থেকে তেল বের হওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দেয়। কাঁচা হলুদ বাটা, চন্দন গুঁড়া, লেবুর রস মিশিয়ে একটি মাস্ক বানিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তাছাড়া ব্রণের উপর কাঁচা হলুদ বাটা এবং পানি মিশিয়ে দিয়ে ১৫ মিনিটের জন্য রাখুন। ব্রণ তাড়াতাড়ি চলে যাবে।
২। তৈলাক্ত ত্বকের জন্যঃ
হলুদ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক ভালো। আগেই বলেছি লোমকূপের তেল কমাতে হলুদ অনেক ভালো কাজ করে। তাছাড়া চন্দন গুঁড়া এস্ট্রিঞ্জেন্ট এর কাজ করে এবং কমলার রস ত্বকের দাগ দূর করে, ত্বক কে পরিষ্কার রাখে। ৩/৪ চিমটি হলুদের গুঁড়া, ১ চামচ চন্দন গুঁড়া এবং ৪/৫ চামচ কমলার রস মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে লাগান। তৈলাক্ত ত্বকের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
৩। শুষ্ক ত্বকের জন্যঃ
যদি আপনার ত্বক শুষ্ক থাকে, ত্বক কে উজ্জ্বল এবং লাবণ্যময়ী করতে চান, তাহলে কাঁচা হলুদ বাটা সামান্য, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস, একটা ডিমের সাদা অংশ, গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। নিজেই লক্ষ্য করবেন ত্বকের পজিটিভ পরিবর্তন। তাছাড়া শরীরে যেসব জায়গা শুষ্ক সেসব জায়গায়ও লাগাতে পারেন।
৪। বলিরেখা দূর করতেঃ
হলুদ ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। ২/৩ চিমটি হলুদ গুঁড়া, চালের গুঁড়া, টমেটো রস, কাঁচা দুধের সাথে মিশিয়ে মুখে মাস্ক হিসাবে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের ফাইন লাইন্স এবং ঝুলে পড়া ত্বক কে স্বাভাবিক করতে, ত্বক কে ফর্সা করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
৫। চোখের নীচে কালো দাগ দূর করতেঃ
২/৩ চিমটি হলুদ গুঁড়ার সাথে মাখন মিশিয়ে চোখের নীচে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। এটি চোখের নীচে বলিরেখা সহ কালো দাগও দূর করবে।
৬। বয়স ধরে রাখাঃ
১ দিন পর পর বেসন, কাঁচা হলুদ বাটা, টক দই মিশিয়ে মুখ সহ সারা শরীরে লাগিয়ে রাখুন শুকানো না পর্যন্ত। শুকিয়ে গেলে ঘড়ির কাটার উলটো দিকে স্ক্রাব করে মাসাজ করুন। এটি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করার সাথে সাথে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে ।
৭। স্ট্রেচ মার্ক দূর করতেঃ
ত্বকের মোটা হয়ে যাওয়ার ফাটা দাগ, প্রেগ্নেন্সির স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে বেসন, কাঁচা হলুদ মিশিয়ে ঐ নিদিষ্টও জায়গায় লাগালে ধীরে ধীরে দাগ কমতে শুরু করে।
৮। পোড়া ও কাঁটা জায়গায় হলুদের ব্যবহারঃ
কাঁচা হলুদ একটি এন্টিসেপ্টিক। তাই কাঁটা এবং পোড়া জায়গায় হলুদ বাটার সাথে এলোভেরা মিশিয়ে দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় । তাড়াতাড়ি ব্যথা এবং দাগের উপশম ঘটে।
৯। ত্বকের রোদে পোড়া দূর করতেঃ
সারাদিন বাইরে থাকে যারা, তাদের ত্বকের পোড়া ভাব এবং পিগ্মেন্টেশন কমাতে হলুদ বাটা, শশার রস, মুলতানি মাটি, লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে মাস্ক হিসাবে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। ত্বকের পোড়া ভাব কমে যাবে।
১০। ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতেঃ
প্রতিদিন ময়দা এবং কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে স্ক্রাব করলে, ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম ধীরে ধীরে কমে আসবে।
১১। পায়ের গোড়ালির ফাটা দাগ দূর করতেঃ
গোসলের যাওয়ার আগে কাঁচা হলুদের সাথে, নারিকেল তেল অথবা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে পায়ের ফাটা দাগ কমবে, পায়ের ত্বক সুন্দর এবং নরম থাকবে।
১২। চর্ম রোগ থেকে মুক্তিঃ
যেকোনো চর্ম রোগের জন্য হলুদ অনেক উপকারী। কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে শরীরে মাখলে একজিমা, অ্যালার্জি, র‌্যাশ, চুলকানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
১৩। ত্বকের মরা কোষ দূর করতে হলুদঃ
২/৩ চিমটি হলুদ, চিনি এবং চালের গুঁড়া মিশিয়ে মুখ স্ক্রাব করলে মুখের সব মরা কোষ দূর হবে। তাছাড়া শুষ্ক এবং কালো ঠোঁট এর জন্য হলুদ গুঁড়া এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে স্ক্রাব করলে অনেক ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। ঠোঁটের মরা কোষ থাকবে না এবং ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।
১৪। ত্বক কে ফর্সা করতেঃ
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে খেলে, ধীরে ধীরে ত্বকের রঙ ফর্সা হয়। তাছাড়া রক্ত পরিষ্কার করে, ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে। তাছাড়া সকালে ঘুম থেকে উঠে কাঁচা হলুদের রস খেলেও সমান উপকারিতা পাওয়া যায়। যারা কাঁচা হলুদ শুধু খেতে পারবেন না, তারা চিনি অথবা গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন।
(বিঃদ্রঃ ত্বকে কখনও সরাসরি হলুদ দেওয়া যাবে না। কিছুর সাথে যেমন চন্দন গুঁড়া, চালের গুঁড়া, বেসন ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেক মানুষের ত্বক ভিন্ন। তাই আগে মুখে না দিয়ে, হাতে অথবা ঘাড়ে অ্যালার্জি টেস্ট করে নিতে পারেন। এতে বুঝতে পারবেন প্যাকটি আপনাকে সুট করছে কিনা )
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24