Showing posts with label politics. Show all posts
Showing posts with label politics. Show all posts

সরকার একের পর এক নাটক উপহার দিচ্ছে : মঞ্জু

খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ছবি : এনটিভি
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ‘সাধারণ জনগণ গুপ্তহত্যার ঘাতকদের ধরে পুলিশে দিচ্ছে, আর তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের তথ্য উদঘাটনের আগেই ক্রসফায়ার নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হচ্ছে।’
আজ সোমবার খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে কেন্দ্র ঘোষিত এ কর্মসূচি পালিত হয়।
দিচ্ছে।’ 
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে অপরিণামদর্শী বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দেশের বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবিবর্জিত, অত্যন্ত কুরুচিকর, উসকানিমূলক, ঔদ্ধত্যপূর্ণ, অপরিণামদর্শী এবং প্রতিহিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেন তিনি। 
মহানগর যুবদলের সভাপতি শফিকুল আলম তুহিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুজ্জামান মনি। 
মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শের আলম সান্টুর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন একরামুল কবীর মিল্টন, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, আতিকুর রহমান তিতাস, মেহেদী মাসুদ সেন্টু, শফিকুল ইসলাম হোসেন, কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, জাহিদুর রহমান রিপন, জাহিদুল হোসেন, জি এম রফিকুল হাসান, মাহবুব হাসান পিয়ারু, মোল্লা সোহরাব হোসেন, আলহাজ সাব্বির হোসেন, দিদারুল ইসলাম লাভলু, হাফিজুর রহমান পিন্টু, মেহেদী হাসান সোহাগ, গোলাম কিবরিয়া, মুন্সি জাকির হোসেন, শাহিনউদ্দিন, শামীম আজাদ খান নীলু, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। 
সুত্রঃ এনটিভি অনলাইন।

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

মার্তৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ, ছাত্রলীগ নেতা জামিনে মুক্ত

ছবিঃসুমন সেন
মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ায় গত ২৩ জুলাই ২০১৫ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলির সময় আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাজমা খাতুন (৩৫) তলপেটে গুলিবিদ্ধ হন। মাগুরা সদর হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ওই গৃহবধূ গুলিবিদ্ধ কন্যাশিশুর জন্ম দেন। ওই ঘটনায় গুলি ও বোমায় আহত নাজমার চাচা শ্বশুর মমিন ভূঁইয়া (৬৫) মারা যান।
ওই ঘটনায় গত ২৬ জুলাই ২০১৫ নিহত মমিন ভূঁইয়ার ছেলে রুবেল ভূঁইয়া জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সেন সুমনকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন।
গত ১ ডিসেম্বর ২০১৫ পুলিশ এ মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সুমন সেনসহ ১৭ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এই মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ১৭ জন আসামির মধ্যে প্রধান আসামি সুমন সেনসহ মোট ১২ জন অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে আছেন। চারজন আসামি কারাগারে। বাকি একজন এখনো পলাতক রয়েছেন।
এ ছাড়া মামলার তিন নম্বর আসামি মেহেদী হাসান ওরফে আজিবর শেখ গত বছরের ১৭ আগস্ট রাত সোয়া ১২টার দিকে পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যান। পরে অভিযোগপত্র থেকে তাঁর নাম প্রত্যাহার করা হয়।
উৎসঃ   এনটিভি

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

জিহাদি বই-লিফলেটসহ ৩ শিবিরকর্মী আটক

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে জিহাদি বই ও লিফলেট সহ তিন শিবির কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে সোনাইমুড়ী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী হানিফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাজারের একটি ঔষধের দোকানে অভিযান চালিয়ে জিহাদি বই ও দলীয় লিফলেট সহ তিন শিবিরকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

প্রি-অ্যাক্টিভ সিম খোলা পেলে ৫০ ডলার জরিমানা

প্রি-অ্যাক্টিভ সিম অথবা ভেরিফাইড না করা সিম বন্ধ না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে সিম প্রতি ৫০ মার্কিন ডলার করে জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
সেইসাথে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সংযোগ পুনঃনিবন্ধনের পর এবার প্রি-অ্যাক্টিভ সিমের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পাতায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক শুরুর পর ১১ কোটি ৬০ লাখ গ্রাহক তাদের সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধন করেছেন। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় প্রি-অ্যাক্টিভ সিম বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযানের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, আগামী সপ্তাহ থেকেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর (পুলিশ-র্যাব) বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হবে। কোথাও কোনো প্রকার প্রি-অ্যাক্টিভ সিম অথবা ভেরিফাইড না করা সিম বন্ধ না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে সিম প্রতি ৫০ ইউএস ডলার করে জরিমানা করা হবে।
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর অপরাধ কমে এসেছে বলেও জানান তারানা হালিম।
তিনি লিখেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন গুলশান থানাতেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সংগঠিত অপরাধের অভিযোগ আগে যেখানে প্রতিদিন সর্বনিম্ন ২০টি করে আসতো সেখানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর গত ১ থেকে ৭ জুন একটি মাত্র অভিযোগ দায়ের হয়েছে, যা আসলেই আমাদের আনন্দিত করে।পাশাপাশি বিটিআরসির হিসাব মতে ১-৭ জুন অবৈধ ভিওআইপির পরিমাণ নজিরবিহীনভাবে কমে গেছে, যার ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কার নামে কোন অপারেটরের কতটি সিম পুনঃনিবন্ধিত হয়েছে তা ৭ জুলাই থেকে মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী।
সুত্রঃ প্রিয়
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

সাতক্ষীরায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুন) বিকেল ৩টার দিকে শ্যামনগর বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
গত ৮ জুন সাংগঠনিক নিস্ক্রিয়তার অভিযোগে শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ।
সুত্রঃ প্রিয়

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

রাঙামাটিতে ১৩ ও ১৪ জুন সড়ক ও নৌপথ অবরোধ

গত ৪জুন ষষ্ঠ ধাপের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে রাঙামাটির বরকলের ভুষণছড়া ইউনিয়নের ৪নং ছোট হরিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ফলাফল বাতিল ও পুন:ভোট গ্রহনের দাবিতে আগামী ১৩ ও ১৪ জুন রাঙামাটিতে ৩৬ ঘন্টার সড়ক ও নৌ পথ অবরোধের ডাক দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রাঙামাটি জেলা শাখা। ১৩জুন সকাল ৬টা থেকে ১৪ জুন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নৌ ও স্থল উভয় পথে অবরোধ পালিত হবে।
ফলাফল বাতিল ও পুন: নির্বাচনের দাবিতে রাঙামাটি জিমনেসিয়াম মাঠে জনসংহতি রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এক গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।জনসংহতি সমিতির জেলা সভাপতি সুবর্ণ চাকমার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় ওরফে সন্তু লারমা। এতে বক্তব্য রাখেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম আদিবাসী ফোরামের আহবায়ক প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা,এম এন লারমা ফাউন্ডেশনের আহবায়ক বিজয় কেতন চাকমা, জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় ষ্টাফ সদস্য উদয়ন ত্রিপুরা, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি বাচ্চু চাকমা, বরকল উপজেলা চেয়ারম্যান মনি চাকমা, বান্দরবান জেএসএসের ভুমি ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক চিংগ্লামং মারমাসহ জনসংহতি সমিতি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে সন্তু লারমা অভিযোগ করে বলেন, সারাদেশে ক্ষমতাসীন দল যে ভাবে ভোট ডাকাতি করেছে ঠিক একইভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে তারা ভোট ডাকাতি শুরু করেছে। সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনে পূর্বে থেকে পরিকল্পিত ভাবে ভুষণছড়া এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ভোটের দিন তারা বহিরাগতদের নিয়ে ভোট কেন্দ্র দখল করে পাহাড়ি ভোটারদের মারধর করে কেন্দ্রে থেকে বের করে দেয়। ব্যালেট বাক্সে জাল ভোটের মাধ্যমে জেএসএস সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়কে ছিনিয়ে নেয়।
বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ক্ষমতাসীন দল ভোট ডাকাতি করেছে উল্লেখ করে সন্তু লারমা আরো বলেন, এই অবস্থা বেশীদিন চলতে দেয়া যায় না। যদি নির্বাচন কমিশন ভুষণছড়ার ৪নং ছোট হরিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ফলাফল বাতিলা না করে পুন: নির্বাচন না দেয় তাহলে পাহাড়ে কোন প্রকান অশান্তি সৃষ্টি হলে এর দায়-ভার আওয়ামীলীগ সরকারকে বহন করতে হবে। সরকার শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন না করে জুম্ম জনগনকে ধব্বংসের পায়তারা করছে, সেটেলার বাইরে পুর্নবাসন না করে তাদের জুম্ম জনগনের অস্তিত্ব বিলীন করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষরের ১৮ বছর পার হলেও সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ নেই, বরং চুক্তি বিরোধী কার্যক্রম দিন দিন বাড়ছে।
তিনি সরকারের কাছে আরো প্রশ্ন রেখে বলেন, বিজিবির কাজ হচ্ছে সীমান্ত পাহাড়া দেয়া, কিন্তু তারা সেই কাজটি না করে নির্বাচনের তারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সেবা করে নিজেদের ভুমিকাকে আরো বির্তকিত করে তুলেছে। সমাবেশে সন্তু লারমা জেলা কমিটির ঘোষিত ১৩ ও ১৪ জুন সড়ক ও নৌ পথ অবরোধ কর্মসুচীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, কর্মসুচী চলবে, চলতেই থাকবে বাঁধা আসলে পাহাড়ের জনগন তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে। সমাবেশে সন্তু লারমা পাহাড়ি জনগনকে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাল থেকে শুরু বিশেষ অভিযান

একেএম শহিদুল হক, বাংলাদেশে পুলিশ প্রধান
বাংলাদেশে পর পর ঘটে যাওয়া জঙ্গী সহিংসতার পটভূমিতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনিগুলো আগামিকাল শুক্রবার থেকে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে।
পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক বিবিসির কাছে এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলছেন, প্রাথমিকভাবে এক সপ্তাহ ধরে চলা এই আভিযানে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‍্যাব) পুলিশের সাথে যোগ দেবে।
সীমান্ত এলাকায় পুলিশের সাথে থাকবে বার্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এই যৌথ অভিযানের বিস্তারিত চুড়ান্ত করা হয়।
পুলিশের আইজি মি. হক জানান, দেশে সম্প্রতি যেসব সহিংসতা ঘটছে তার সাথে `হোমগ্রোন` বা দেশীয় জঙ্গীরা জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি বলেন, “তাই এদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যাপকভাবে দেশব্যাপী একটি অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চট্টগ্রামে জঙ্গীদের হাতে নিহত স্ত্রীর জন্য বিলাপ করছেন পুলিশের এসপি বাবুল আকতার।
পুলিশ প্রধান বলেন, দেশের প্রায় সব এলাকায় সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের তালিকা তারা নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করেন। সেই তালিকা ধরেই এই অভিযান চলেবে।
তবে রমজান মাসের কারণে আপাতত এই অভিযানের মেয়াদ হবে এক সপ্তাহ। এক সপ্তাহ পর মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না তা বিবেচনা করা হবে।
জঙ্গীদের বিরুদ্ধে এতদিন রুটিন অভিযান চালানোর কথা বলে আসছিল আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনী।
এখন ঘোষণা দিয়ে ব্যাপকভাবে অভিযান চালানোর বিষয় এসেছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রীকে হত্যার ঘটনার পর দেখা গেছে, গত কয়েকদিনে আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সাতজন নিহত হয়েছে।
এই নিহতদের চারজনই সন্দেহভাজন জঙ্গী বলে পুলিশ বলছে।
চট্টগ্রামে পুলিশের একজন কর্মকর্তার স্ত্রীর হত্যার প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ এই অভিযান শুরু করছে কি না, এই প্রশ্নে জবাবে শহিদুল হক জানান, একজন নির্দোষ ও ধর্মপ্রাণ নারীকে হত্যার ঐ ঘটনা ছাড়াও নাটোর, ঝিনাইদহ্‌ এবং ঢাকার কলাবাগানে উগ্রপন্থীদের হাতে খুনের ঘটনা ঘটেছে। তার পরই এই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এই অভিযানে অপরাধী এবং জঙ্গীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য কমিউনিটি পুলিশেরও সাহায্য নেয়া হবে।

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

এসপির স্ত্রী হত্যায় আ’লীগ ও তাদের দোসররা জড়িত’

পুলিশ অফিসারের স্ত্রীসহ দেশে চলমান গুম-খুনের সঙ্গে ‘আওয়ামী লীগ’ ও তার ‘দোসররা’ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, এদেরকে ধরলেই এসব গুম-খুনের রহস্য উদঘাটন হবে।
বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোট আইনজীবী সমিতি ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এর আয়োজন করে।
সুত্রঃ ওয়ান নিউজ।

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

আওয়ামী লীগের ভিতরেই গুম-খুনের রহস্য আছে: খালেদা জিয়া

পুলিশ অফিসারের স্ত্রীসহ দেশে চলমান গুম-খুনের সঙ্গে ‘আওয়ামী লীগ’ ও তার ‘দোসররা’ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, ‘এদেরকে ধরলেই এসব গুম-খুনের রহস্য উদঘাটন হবে।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোট আইনজীবী সমিতি ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এর আয়োজন করে।
এক দেশে দু’আইন চলতে পারে না-এমন মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘নাইকোর মামলার সাথে আমি নয়, শেখ হাসিনা জড়িত। তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’
বেগম জিয়া বলেন, ‘আমরা আগে বাকশালীতে পড়েছিলাম, আবার সেদিকে ধাবিত হচ্ছি। জনগণ বিশ্বাস করেনা বিচার ও বিচার বিভাগ স্বাধীন। দেশে এখন দুই ধরনের আইন আছে। একটি আইনে বিরোধী দলের বিচার দ্রুত করা হচ্ছে, অন্য আইনে সরকারি দলের লোকদের কোনো বিচার করা হচ্ছে না।’
চিফ জাস্টিস, জজ এবং আইনজীবীদের উদ্দেশ্য বিএনপি প্রধান বলেন, ‘বিচার যদি করতে হয় তাহলে হাসিনারও বিচার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের মামলার চেক কে কোথায় নিয়েছে, কী করেছে, তা আমাদের রেকর্ড আছে। সকল আইনজীবী বিচারকদের কাছে আমরা ন্যায়বিচার চাই। এর বেশি কিছু আমাদের চাওয়ার নেই।’
এর আগে বরাবরের মতো আজ বিকেলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘জঙ্গি তোষণে’ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা প্রকাশ্যে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করত, তারাই এখন পদ্ধতি বদল করে গুপ্তহত্যা শুরু করেছে। তবে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে নেই। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।’
সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যায় বিএনপি-জামায়াত জড়িত বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না। আমি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট (সরকারপ্রধান)। আমার কাছে নিশ্চয়ই তথ্য আছে। তদন্তের স্বার্থে হয়ত সব কথা, সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। কিন্তু সূত্রটা জানা যায়। আর সেই সূত্র ধরেই আমরা কথা বলি।’
প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির মহাসচিব সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘গুপ্তহত্যার সঙ্গে বিএনপি জড়িত তার (প্রধানমন্ত্রীর) এই বক্তব্য অসৎ, বানোয়াট, ভিত্তিহীন উস্কানিমূলক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার বক্তব্যে
জঙ্গিবাদ উৎসাহিত হয়ে আরও বেশি সংগঠিত হয়ে তৎপর হবে।’
প্রসঙ্গত, গত রোববার চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে সদ্য পুলিশ সুপার (এসপি) পদে পদোন্নতি পাওয়া বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানমকে (৩২) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
কেবল এই হত্যাকাণ্ডই নয়, এ দিনেই কুপিয়ে হত্যা করা হয় নাটোরের বড়াইগ্রামে সুনীল গোমেজ নামের এক খ্রিস্টান ব্যবসায়ী কে। আর গত মঙ্গলবার ঝিনাইদহে মন্দিরে পূজা দিতে যাওয়ার সময় আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলি নামের এক পুরোহিতকে
গলাকেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
পরে সুনীল ও গোপাল হত্যাকাণ্ডের
দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট(আইএস)। আইএসের কথিত ‘সংবাদ সংস্থা’ আমাকের বরাত দিয়ে এ সংবাদ দেয় সাইট ইন্টিলিজেন্স।
সুত্রঃ প্রিয়।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন।
www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

নতুন আইনে, ডাক্তাররা ইচ্ছে মত ফি নিতে পারবেন না


বুধবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। প্রশ্ন ছিল, প্রাইভেট প্র্যাকটিসে অনেক চিকিৎসক ‘খেয়ালখুশি অনুযায়ী অনৈতিকভাবে’ ফি আদায় করছে। আইন করে ডাক্তারদের ফি নির্দিষ্ট করতে সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ‘দ্য মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২’ অনুযায়ী বেসরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মেডিকেল ফি, কানসালটেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই অধ্যাদেশ হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে ‘বেসরকারি চিকিৎসা সেবা আইন-২০১৬’ এর খসড়া শিগগিরই চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
নতুন আইন হলে বেসরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে ‘যুগোপযোগী ও হালনাগাদ ফি’ নির্ধারণ সম্ভব হবে বলে জানান মন্ত্রী।সাংসদ এ কে এম রোজাউল করিম তানসেনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণে এক শিফটের পরিবর্তে দুই শিফটে বহিঃবিভাগ চালু করা হলে অধিক সংখ্যক জনগণ স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বৈকালিক বহিঃবিভাগ চালু করার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ১০টি হাসপাতাল নির্বাচন করা হয়েছে।
সাংসদ এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন দেশের সকল সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিট চালু ও সকল বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে সরকার।

জয়ের বক্তব্যহীন খবরের জন্য বিবিসির দুঃখ প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুসরণ না করার বিষয়টি স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ ক
রেছে বিবিসি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রশ্নের জবাবে বুধবার ইমেইলে এক বিবৃতিতে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস বলেছে, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য জানার আগেই ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ মেন্দি এন সাফাদির কথায় দুজনের বৈঠকের খবর প্রকাশ করা বিবিসির সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুযায়ী উচিৎ হয়নি।

“জনাব ওয়াজেদের বক্তব্য পাওয়ার আগেই ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য আমরা দুঃখিত, কেননা এ ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত বিবিসির ওই নিয়মই অনুসরণ করার কথা।”
এ ঘটনার আলোকে সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুসরণের বিষয়টি জোরদার করা হবে বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছেন বিবিসি গ্লোবাল নিউজের করপোরেট কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার পল রাসমুসেন।

ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির সদস্য মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে বৈঠকের ছবি গণমাধ্যমে আসার পর বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশের পুলিশ। সরকার উৎখাতের  ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়। 
এ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সাফাদির একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে বিবিসি বাংলা অনলাইন। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসিতে সাক্ষাৎ হয়েছে বলে সাফাদি দাবি করেছেন।
ওই দাবি নাকচ করে ফেইসবুকে এক পোস্টে জয় বলেন, তার সঙ্গে সাফাদির কখনও দেখাই হয়নি।
এরপর বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও বিবিসির খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলা হয়। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের খবর পরিবেশনে সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানায় আওয়ামী লীগ।
ওই সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিবিসি যে নিজেদের নিয়মই মানেনি, সে বিষয়টি এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সামনে নিয়ে আসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, যিনি নিজেও দীর্ঘদিন লন্ডনে বিবিসি বাংলা বিভাগে কাজ করেছেন।
৩০ মে রাতে একাত্তর টেলিভিশনে ওই আলোচনায় তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, বিবিসির বিষয় ও ভাষাভিত্তিক শত শত আউটলেটের মধ্যে বিবিসি বাংলা অনলাইন একটি। তাদের সবাইকেই বিবিসির ‘এডিটোরিয়াল গাইডলাইন’ মানতে হয়, অনুসরণ করতে হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করার ‘যোগ্যতা’ সবার থাকে না।
“আমার মনে হয় বড় অপরাধ করেছে বিবিসি বাংলা অনলাইন। তাদের উচিৎ ছিল  না এ রকম একটি বিষয় নিয়ে এ রকম স্টোরি করা; এবং তাদের অবশ্যই কথা বলা উচিৎ ছিল সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে।”
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে পাঠানো বিবৃতিতে বিবিসির পল রাসমুসেন বলেন, মেন্দি সাফাদি যখন দাবি করলেন যে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীপুত্রের সঙ্গে বৈঠক করেছেন,তখন বিবিসি অবশ্যই সজীব ওয়াজেদের সঙ্গে কথা বলে তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে বার বার চেষ্টা করেও সেই চেষ্টা বিফল হয়েছে।   
জয় যখন ফেইসবুকে সাফাদির দাবি অস্বীকার করলেন তখন বিবিসি ওয়েবসাইট ও রেডিওতে তা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে। একইভাবে আওয়ামী লীগ যখন প্রতিবাদপত্র দিয়েছে, তখনও বিবিসি সংবাদ আকারে তা প্রকাশ করেছে বলে পল রাসমুসেন জানান।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

হত্যাকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না সরকার: উদীচী


সারা দেশে উগ্রপন্থিদের হামলায় একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় এক প্রতিবাদী সমাবেশ থেকে হত্যাকাণ্ডগুলোকে সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না বলে অভিযোগ করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে ‘আর নয় মৃত্যুর মিছিল/ হত্যা-ধর্ষণ-জঙ্গিবাদের মুলোৎপাটন কর’ স্লোগানে ওই প্রতিবাদী সভা হয়।

ধর্মপ্রচারক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও মুক্তমনা ব্লগারসহ বিভিন্নজনকে একের পর এক হত্যার কয়েকটি ঘটনাকে সরকারের মন্ত্রীরা ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে উদীচী নেতাদের ভাষ্য, ‘হত্যাকাণ্ডগুলো কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন হতে পারে না, সবই পরিকল্পিত।’

উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি বদিউর রহমান বলেন, “বারবার এ হত্যাকাণ্ডগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে সরকার দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না।”

এসব হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও আক্রমনের শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই সংস্কৃতিকর্মী।


উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদ শাখার সাধারণ সম্পাদক ইকবালুল হক খান বলেন, “একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে খুনিরা তাদের মহাপরিকল্পনা, নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। সরকার কোনোভাবেই এসবের দায় এড়াতে পারে না।”

দেশব্যাপী চলা এসব হত্যাকাণ্ডের কয়েকটিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ ঘটনা বলে মন্তব্য করায় সমাবেশ থেকে তার নিন্দা জানায় উদীচী।

উগ্রপন্থিদের হাতে একের পর এক ‘টার্গেট কিলিংয়ের’ মধ্যে গত মাসে বান্দরবানের বৌদ্ধ ভিক্ষু মং শৈ উর হত্যাকাণ্ডকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ মন্তব্য করে এর সঙ্গে ‘জঙ্গি’ হামলার মিল দেখছেন না বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন বলেন, “একের পর এক হত্যাকাণ্ড সরকারের যেন গা সওয়া হয়ে গেছে।

“আমরা সত্যি আর হত্যা-ধর্ষণের রাজত্বে বসবাস করতে চাই না। আমরা নিরাপত্তা চাই, কিন্তু সরকার তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।”

সম্প্রতি চট্টগ্রামে এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও এখন নিরাপদ নয় বলে সতর্ক করেন ক্ষুব্ধ এই সংস্কৃতিকর্মী।

উদীচীর এই কর্মসূচিতে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চসহ সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর ও বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন সংহতি প্রকাশ করে।

‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ মৌলবাদকে ক্রমশ উসকে দিচ্ছে অভিযোগ এনে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন প্রিন্স বলেন, “সরকার মৌলবাদকে পুঁজি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না, কোন আগুন নিয়ে তারা খেলছে।”


ভিন্নমত চর্চাকারী, বা ভিন্ন ধর্ম পালনকারীদের ওপর আক্রমনের ঘটনায় সংক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় উদীচীর সহ সাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম বলেন, “কে কখন কোথায় কিভাবে খুন হবে, আমরা তা কেউ জানি না। এ অবস্থায় সরকার কোনোভাবেই মুখ লুকিয়ে রাখতে পারে না।”

ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি শাসনামলে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও’ এখন আর তা নেই বলে মন্তব্য করেন সংস্কৃতিকর্মী নিমাই গাঙ্গুলী।

“জঙ্গিরা এখন সরকারকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাচ্ছে। আজকে কোনো মন্ত্রী যদি সেক্যুলারিজম নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন, তবে কালই তার লাশ পড়ে যাবে। এভাবে তো চলতে পারে না।”

জঙ্গি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকী আক্তার বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জঙ্গিদের ব্যাপারে সরকারের কাছে তথ্য আছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাবে না।

“স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, দেশের মানুষ শান্তিতে আছে। সরকার যখন সবকিছু জানে, তবে চাপাতির আঘাতে একের পর এক মৃত্যু কেন? আজ আস্তিক-নাস্তিক কেউ রেহাই পাচ্ছে না।”

বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আদনান রিয়াদ বলেন, “আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা প্রায়ই লাগামহীন বক্তব্য দিয়ে দায় এড়াতে চান। দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় বিপন্ন, এ নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

“একের পর এক টার্গেট কিলিং তাদের কাছে কোনো বিষয়ই নয়।”

সমাবেশে অন্যদের মধ্য সংস্কৃতিকর্মী অলোক বসু, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক জীবনানন্দ জয়ন্ত, উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বক্তব্য রাখেন,

সমাবেশের শুরুতে ‘লালমনিরহাট থেকে কাপাসিয়া’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী ঝর্ণা সরকার; গণসংগীত পরিবেশন করেন সুরাইয়া পারভীন।
সুত্রঃ বিডি নিউজ


ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

শফিক রেহমানকে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়ায় ‘বিস্মিত’ প্রধানমন্ত্রী

সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যাচেষ্টায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে শফিক রেহমান গ্রেপ্তারের পর সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সাম্প্রতিক তিন দেশ সফর নিয়ে বুধবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,“আপনাদের স্বনামধন্য সাংবাদিক, লাল গোলাপ শুভেচ্ছা নিয়ে যিনি সব সময় থাকেন।

“তাকে গ্রেপ্তারের পর অনেকেই আকূল-বিকূল হয়ে তার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে দিয়েছেন। জয়ের হত্যা চেষ্টার প্রচেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সঙ্গে একাত্মতা পর্যন্ত ঘোষণা করতে পারেন?

“সেটাও তো আমি আমার চোখে দেখেছি।”

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী জয় তার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

জয়ের সম্পর্কে তথ্য পেতে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রবাসী এক বিএনপি নেতার ছেলের দণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রধানমন্ত্রীপুত্রকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করে।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় যায়যায়দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমানকে। পরে তিনি এই সংক্রান্ত বিভিন্ন চিঠি ও কাগজপত্র নিজেই বের করে দেন বলে পুলিশ জানায়।

শেখ হাসিনা বলেন, “উনি নিজেই তো সব কাগজপত্র বের করে দিলেন, উনার বাড়ি থেকে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার ছেলে জয় কি অপরাধ করেছে? এফবিআই অফিসার, তাকে কিনে ফেলে দিলো,কত টাকা? কোথা থেকে এই টাকাটা আসল? এই টাকা কে পেমেন্ট করেছে? কারা দিয়েছে? কারা এদের সাথে বৈঠক করেছে? কী কথা হয়েছে?”

যুক্তরাষ্ট্রে মামলার ফলেই এই তথ্য বেরিয়ে আসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “এটা তো আমাদের নয়, আমেরিকাই বের করেছে। দু’তিন বছর ধরে এই মামলা চলেছে। সেখান থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।”
সুতেওঃ বিবিচি বাংলা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ভূমিকম্পে করণীয় বিষয়ক সভা


ভূমিকম্প
পরবর্তী উদ্ধার তৎপরতা ও প্রস্তুতি নিয়ে সরকার তৎপর রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০ কোটি টাকার তাঁবু ক্রয় করা হয়েছে। ভূমিকম্প পরবর্তী অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতার জন্য ৬৯ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কাছে হস্তান্তর করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এছাড়া উদ্ধার তৎপরতার জন্য ১৭০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রক্রিয়াধীন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ্ কামালের সভাপতিত্বে গত ৮ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভূমিকম্প সম্পর্কে সচেতনতা বিষয়ে করণীয় ও সরকারের প্রস্তুতিমূলক এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
সভায় আরো জানানো হয়, ভূমিকম্পে করণীয় নির্ধারণসহ জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সারাদেশে প্রতিটি জেলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবীসহ সর্বস্তরের পেশাজীবী, এনজিও কর্মী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে একযোগে ভূমিকম্প সচেতনতা বিষয়ক মহড়া প্রতিটি জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাছাড়া ঢাকা মহানগরীকে বিভিন্ন জোনে বিভক্ত করে ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভূমিকম্পে করণীয় সম্পর্কে মহড়া আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে সারাদেশে একসাথে ভূমিকম্পে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মহড়া আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হবে।
ভূমিকম্পে করণীয় বিষয়ে সভায় যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সেগুলো হলঃ
কোর কাটিং মেশিন এবং বিল্ডিং স্ক্যানার মেশিন সংগ্রহপূর্বক ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স এর কাছে হস্তান্তর করা; ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা; ভবন মালিকগণ সরকারের নিযুক্ত সার্টিফাইড এজেন্সির মাধ্যমে ভবন পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে ভবনের উপযুক্ততা সম্পর্কে সনদ রাজউকে জমা প্রদানের বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করা; নির্দিষ্ট মাত্রার ভূমিকম্পে গ্যাস সংযোগ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সেজন্য সারাদেশে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস লাইনের সেন্সর লাগানোর ব্যবস্থা গ্রহণ; ভবনের নকশা অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ নকশা অনুযায়ী মাটি পরীক্ষাপূর্বক ভবন নির্মাণ কার্যক্রম তদারকির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা; ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণসহ তা ভেঙ্গে ফেলার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, আরকিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডিএমভিএস এবং বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের একজন করে প্রতিনিধি সমন্বয়ে সেল গঠন করা।
সভায় বুয়েটের অধ্যাপক মেহেদী আলম আনসারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসচিব ড. মহঃ শের আলী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডিএমভিএস বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরিন উপস্থিত ছিলেন।

আজ আদালতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া


বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। পুরোনো ছবি
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করতে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

গতকাল বুধবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।

সানাউল্লাহ মিয়া জানান, খালেদা জিয়া আইন ও আদালতের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে আদালতে যাবেন।

গত ১৯ মে এ মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করেন দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। অন্যদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া আদালতে যেতে না পারায় তাঁর পক্ষে সময়ের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত ২ জুন খালেদা জিয়ার পক্ষে আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করে তাঁকে আদালতে হাজির থাকতে নির্দেশ দেন। এর আগে পঞ্চম দফায় তাঁর পক্ষে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি পেছানো হয়।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।

ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এর আগে ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

গত বছরের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম চলছে।
সুত্রঃ bd express

২৬ মে হরতালের আহবান তিন পার্বত্য জেলায়।


পার্বত্যাঞ্চল থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার না করা ও শান্তি চুক্তি বাতিলের দাবিতে আগামী ২৬মে বৃহস্পতিবার তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালী ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের নেতাকর্মীরা।
পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভুঁইয়া জানান, সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর পার্বত্যাঞ্চলে অনেক কিছুর পরির্বতন হয়েছে।
কিন্তু পাহাড়ে অপহরণ, মুক্তিপণ, গুম, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণ ও টোকেন বাণিজ্য বন্ধ হয়নি। সাবেক শান্তি বাহিনীর নেতাকর্মী ও সদস্যরা শুধুমাত্র সরকারের সুযোগ সুবিধা ভোগ করে যাচ্ছেন কিন্তু পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চুক্তি বাস্তবায়নে জেএসএস নেতারা কোনো প্রকার ভূমিকা রাখেননি।
তারা আবার বিভিন্ন নামধারী সন্ত্রাসী গ্রুপের নামে স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ের মানুষগুলোর কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। তাদের অবৈধ অস্ত্রের ভয়ে পাহাড়ের মানুষ নিরাপত্তাহীন। চুক্তির পরও পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসেনি, তাই পাহাড়ের মানুষ শান্তি চুক্তি চায় না।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কারণ একমাত্র সেনা প্রশাসন পারে এসব সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্রবাজি বন্ধ করতে। তাই অবিলম্বে পার্বত্যাঞ্চল থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার না করা ও শান্তি চুক্তি বাতিলের দাবিতে এ হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে।
তবে সকল রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, ঔষধ সরবরাহ গাড়ি এবং খাবারের দোকান হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।
সুত্রঃ পার্বত্য চট্রগ্রাম

নির্বাচনী সংঘর্ষে আ’লীগ‘র হাতে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক নিহত

পাবনা: জেলার সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী সহিংসতায় কালাম খাঁ (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। মঙ্গলবার  (২৪ মে) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের শ্রীকোল বাজারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার শমসের খাঁর ছেলে। পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা (ডিআইও-১) আহসান উল্লাহ এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুস এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী রউচ উদ্দিন খাঁ এবং আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস কুদ্দুস মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে ভোট চাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক কালামকে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় ধারালো অস্ত্রাঘাতে আরো ৫জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 
এবিষয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, শ্রীকোল বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। আধা কিলোমিটার দূরে অপর একটি ঘটনায় তিনি নিহত হন। ওসি বলেন, পরিবারের মুখ থেকে শুনেছি জমিজমার বিরোধ নিয়ে তিনি খুন হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স গেছে।

প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা

এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একরামুল হক রনি নামে ছাত্রলীগ নেতাকে। মঙ্গলবার ভোরে শ্রীপুরের কেওয়া পশ্চিমখণ্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রূপনগর থানা পুলিশ। একরামুল হক রনি শ্রীপুরের পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। রনি শ্রীপুরের কেওয়া পশ্চিমখণ্ড গ্রামের বাসিন্দা ও গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সহকারী কমান্ডার আ জ ম এনামুল হকের ছেলে।
রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ আলম  বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বছর খানেক আগে এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে ছাত্রলীগ নেতা রনি। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রূপনগর থানা এলাকায় বসবাস করে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলেন। সম্প্রতি বিয়ের জন্য চাপ দিলে রনি তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর তরুণীটি রনিকে আসামি করে রূপনগর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রনিকে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পশ্চিমখণ্ড গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।  রূপনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহীন ফকির জানান, গত ১৭ মে নারী নির্যাতন আইনে রনির বিরুদ্ধে মামলা হয়।

এবার ধর্মীয় শিক্ষককে ‘পেটালেন’ আওয়ামী লীগ নেতা

নীলফামারী সদরে পঞ্চপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক সুমন্ত চন্দ্র রায়কে (৪৬) পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন শহরের আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিক্ষক সুমন্ত রায় দাবি করেন, গত ২১ মে রাত ১১টার দিকে পঞ্চপুকুর বাজার থেকে উত্তরাশশীতে নিজ বাড়িতে মোটরসাইকেলে করে ফেরার পথে মিলবাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আব্দুল হক প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেনের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা চালায়।  
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মধুসুধন রায় জানান, মারধরের পর শিক্ষক সুমন্ত অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তারা তাকে সে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অভিযোগ, ‘আমাদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। বাজারে গেলে নাকি শেষ করে দেওয়া হবে।’ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা হাসানুর রহমান জানান, ভর্তি হওয়ার সময় শিক্ষক সুমন্তের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম ছিলো।
তিনি বলেন, ‘অবস্থার উন্নতি হয়েছে, তবে মানসিকভাবে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় ভেঙ্গে পড়েছেন তিনি। রিলিজ দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হবে তাকে।’ পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, ‘গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শিক্ষক সুমন্ত আমার পক্ষে নৌকা প্রতীকের হয়ে কাজ করেছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে আক্রমণ করে থাকতে পারেন।’ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে পঞ্চপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা।
প্রধান শিক্ষক বাবুল হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকরা যেভাবে নির্যাতন হতে শুরু করেছে, এভাবে চলতে থাকলে সমাজে আমরা মুখ দেখাতে পারব না। আমরা কোথায় যাব? জড়িতদের বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে সংগঠিত হয়ে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।’ এদিকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এ্যাডভোকেট মমতাজুল হক জানান,ঘটনার সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক দফায় যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। -
সুত্রঃ পিচি নিউজ

নীলফামারীতে জামায়াত নেতাসহ গ্রেফতার ২০

নীলফামারীতে গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশি অভিযানে  জামায়াত নেতাসহ ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেলার ছয়টি উপজেলায় পুলিশ এ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার চার্জশিটভুক্ত ও পলাতক এ সকল আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতা হলেন- আনোয়ারুল ইলাম (৩৮)। তিনি জেলার জলঢাকা উপজেলার কাঁঠালী দেশীবাই গ্রামের মহুবর রহমানের ছেলে।

গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এ নিয়ে গত ৬ দিনে জেলায় ১৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুম সূত্র মতে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা, চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তারা দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক ছিল।

আজ মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুত্রঃ শীর্ষ নিউজ