Showing posts with label Information. Show all posts
Showing posts with label Information. Show all posts

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের দুটি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার জানানো হয়, আগামী ২৪ ও ২৮ মের পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

স্থগিত পরীক্ষা দুটি যথাক্রমে ২৬ মে ও ৩ জুন দুপুর ২টায় এবং অন্য সব পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
bdnews24

এবার ঘরে বসেই মাত্র ৪০ মিনিটে পাসপোর্ট করুন!


এবার ঘরে বসেই মাত্র ৪০ মিনিটে পাসপোর্ট করুন!
নতুন নিয়মে বাসায় বসে অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্টের ফর্ম পূরণ করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়ে ৪০ মিনিটে সব কাজ শেষ করা যায়। তাও বিনা ঘুষে। আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট করে সহজে জমা দেওয়া যায়।


প্রথমে অনলাইনে ফর্ম পূরণ:
আপনি অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যাবেন পাসপোর্ট অফিসের এই সাইটে – http://passport.gov.bd
সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন। আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, পিতা-মাতার নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন। সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেই দিনটা নির্বাচন করে সাবমিট করুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারবেন। পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন। সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলে আসবে।
তারপর যা করতে হবে:
আপনি জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন। আপনার সাইন দিন। এবার নিজের ৪ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন।
পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়ন করানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম, যোগাযোগ, ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি আবারও চেক করুন। সত্যায়িত ছবি এবং সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।
পাসপোর্ট অফিসের পাশে সোনালী ব্যঙ্কে জরুরী পাসপোর্ট করতে চাইলে ৬০০০ টাকা আর সাধারণ ভাবেকরতে চাইলে ৩০০০ টাকা জমা দিন। রশিদটি আঠা দিয়ে ফর্মের উপর সংযোজন করে নেন। ছবি তোলা এবং অনান্য কাজের জন্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে পাসপোর্ট অফিসে আসতে হবে। এক্ষেত্রে সকাল ৯ টার মধ্যে আসলে ভাল হবে। তাহলে কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে। সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আট তলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ। ৮০৩ নাম্বার রুম। এবার ৮ তলা থেকে আসততে হবে ৩ তলায়। সেখানে এসেই আসল কাজ। প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। আপনার কাজ শেষ!
এবার আপনাকে পাসপোর্ট রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্নসহকারে রাখুন। পুলিশ ভেরিফিকেশন সাপেক্ষে রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন।
পুলিশ ভেরিফিকেশান:
পুলিশ ভেরিফিকেশানের ক্ষেত্রে যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয়, তবে দুই জায়গাতেই আপনার ভেরিফিকেশান করবে। পুলিশের এস বি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে। ভেরিফিকেশান করতে পুলিশ বখশিশ চাইলে দিবেন না। তবে বাসায় আসলে যতটুকু সন্মান করতে পারেন। ভেরিফিকেশন শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে।
যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন। রিসিট নিয়ে পাসর্পোট আফিসে যান। রিসিট জমা দিন। আপনার নাম ডাকলে সাইন করে বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট। প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাসপোর্ট অফিস আছে। সেখানে আপনি পাসপোর্ট করতে পারেন। তবে আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয়, তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট করতে পারেন।
আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
২০১৬ সালের ছুটির তালিকা নিয়ে নিন।

২০১৬ সালের ছুটির তালিকা নিয়ে নিন।

দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি অফিস এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার ২০১৬ সালের ছুটির তালিকা-
সাধারণ ছুটি (পাবলিক হলিডে) :
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি-১ দিন;

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস, ১৭ মার্চ-১ দিন;
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ২৬ মার্চ-১ দিন; মে দিবস,
পয়লা মে-১ দিন;
*(চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল) বুদ্ধ পূর্ণিমা (বৈশাখি পূর্ণিমা), ২১ মে-১ দিন
;
জুমাতুল বিদা, ১ জুলাই-১ দিন;
*ঈদুল ফিতর, ৬ জুলাই-১ দিন;
জাতীয় শোক দিবস, ১৫ আগস্ট-১ দিন;
শুভ জন্মাষ্টমী, ২৫ আগস্ট-১ দিন;
*ঈদুল আযহা, ১২ সেপ্টেম্বর-১ দিন;

দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ১১ অক্টোবর-১ দিন;
*ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.), ১২ ডিসেম্বর-১ দিন;
বিজয় দিবস, ১৬ ডিসেম্বর-১ দিন;
যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন (বড় দিন), ২৫ ডিসেম্বর-১ দিনসহ মোট =১৪ দিন।

নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি :
নববর্ষ, ১৪ এপ্রিল-১ দিন;
*শবেবরাত, ২৩ মে-১ দিন;
*শবে কদর, ৩ জুলাই-১ দিন;

*ঈদুল ফিতর (ঈদের পূর্বের ও পরের দিন), ৫ ও ৭ জুলাই-২ দিন;
*ঈদুল আযহা (ঈদের পূর্বের ও পরের দিন), ১১ ও ১৩ সেপ্টেম্বর-২ দিন;
*আশুরা, ১২ অক্টোবর-১ দিনসহ মোট= ৮ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটি (মুসলিম পর্ব) :
*ফাহেতা-ই-ইয়াজদাহম, ২২ জানুয়ারি-১ দিন;
*শব-ই-মিরাজ, ৫ মে-১ দিন;

*ঈদুল ফিতর (ঈদের পরের দ্বিতীয় দিন), ৮ জুলাই-১ দিন;
*ঈদুল আযহা (ঈদের পরের দ্বিতীয় দিন), ১৪ সেপ্টেম্বর-১ দিন;
*আখেরি চাহার সোম্বা, ৩০ নভেম্বর-১ দিনসহ মোট= ৫ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটি (হিন্দু পর্ব) : সরস্বতী পূজা, ১৩ ফেব্রুয়ারি-১ দিন; শিবরাত্রি ব্রত, ৭ মার্চ-১ দিন; শুভ দোলযাত্রা, ২৩ মার্চ-১ দিন; হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ৫ এপ্রিল-১ দিন; শুভ মহালয়া, ৩০ সেপ্টেম্বর-১ দিন; দুর্গাপূজা (নবমী), ১০ অক্টোবর-১ দিন; লক্ষ্মীপূজা, ১৫ অক্টোবর-১ দিন; শ্যামাপূজা, ২৯ অক্টোবর-১ দিনসহ মোট= ৮ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটি (খ্রিষ্টান পর্ব) : ইংরেজি নববর্ষ, পয়লা জানুয়ারি-১ দিন; ভস্ম বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি-১ দিন; পুণ্য বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ-১ দিন; পুণ্য শুক্রবার, ২৫ মার্চ-১ দিন; পুণ্য শনিবার, ২৬ মার্চ-১ দিন; ইস্টার সানডে, ২৭ মার্চ-১ দিন; যিশু খ্রিষ্টের জন্মোৎসব (বড় দিনের পূর্বের ও পরের দিন), ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর-২ দিনসহ মোট = ৮ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটি (বৌদ্ধ পর্ব) : *মাঘী পূর্ণিমা, ২২ ফেব্রুয়ারি-১ দিন; চৈত্র সংক্রান্তি, ১৩ এপ্রিল-১ দিন; *আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ১৮ জুলাই-১ দিন; *মধু পূর্ণিমা (ভাদ্র পূর্ণিমা), ১৫ সেপ্টেম্বর-১ দিন; *প্রবারণা পূর্ণিমা (আশ্বিনী পূর্ণিমা), ১৫ অক্টোবর-১ দিনসহ মোট= ৫ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটি (বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের অনুরূপ উৎসব) : পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার ও এর বাহিরে কর্মরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের অনুরূপ সামাজিক উৎসব, ১২ এপ্রিল ও ১৫ এপ্রিল মোট = ২ দিন ।

এ তালিকায় ঘোষিত ছুটি সব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু যে সব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান যথা-ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স, ডাক, তার, টেলিফোন, রেলওয়ে, হাসপাতাল ও রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা বা ব্যবসায়ী সংস্থা ও কলকারখানা ইত্যাদিতে অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইন-কানুন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে অথবা যে সব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকুরি সরকার কর্তৃক অত্যাবশ্যক চাকুরি (এসেন্সিয়াল সার্ভিস) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এরূপ ছুটি আপনা-আপনি (অটোমেটিক্যালি) প্রযোজ্য হবে না। ঐ সব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব আইনকানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে তাদের ছুটি ঘোষণা করবে



























কোন দলিলে কত টাকা লাগে, দেখে নিন।

কোন দলিলে কত টাকা লাগে, দেখে নিন।



দৈনন্দিন জীবনে  নানান বিষয়ে দলিল করতে হয়। দলিলের বিষয়ের ওপর নির্ভর করে স্ট্যাম্পের মূল্যমান বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। ২০১২-১৩ অর্থবছরের বাজেটে দলিল সম্পাদনের জন্য স্ট্যাম্পের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে পুরনো মূল্যের স্ট্যাম্প দিয়ে দলিল লেখা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে ও কোনো রকম আইনগত ভিত্তি থাকবে না। কোন দলিলে কত টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হবে তা তুলে ধরা হলো:
# রাজউকের প্লট ও ট্যাক্সের দলিলের জন্য মোট মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প;
# ট্রাস্ট ডিড ক্যাপিটাল দলিলের মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প;
# অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প;
# নকলের কবলা, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফায়েড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প;
# অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প;
# হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, না দাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প;
# চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট, রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প;
# আমমোক্তারনামা দলিল ও সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প;
# তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প;
# অংশীদারি দলিলের জন্য ২ হাজার টাকার স্ট্যাম্প;
# মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে—
ক. ১ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২ হাজার টাকা;
খ. ২০ লাখ ১ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা;
গ. ১ কোটি ১ টাকার ওপরের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকার ও প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্প লাগবে।
বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ, প্রতি মাসে বৃত্তি পাবেন ৩ হাজার টাকা

বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ, প্রতি মাসে বৃত্তি পাবেন ৩ হাজার টাকা



৯ হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেবে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। কোনো ফি লাগবে না, উপরন্তু প্রতি মাসে মিলবে তিন হাজার টাকা ভাতা। কোর্স শেষে চাকরি পাবে ৭০ শতাংশ প্রশিক্ষণার্থী। 

প্রশিক্ষণ থাকলে যেকোনো চাকরিতেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কর্মরতদের বাড়ে বেতন-ভাতা, মিলে পদোন্নতি। বেকারদের দক্ষ করে তুলতে এবং কর্মজীবীদের দক্ষতা বাড়াতেই সেপ প্রজেক্ট। এর আওতায় সারা দেশে প্রশিক্ষণ পাবে দুই লাখ ৬০ হাজার তরুণ-তরুণী। এর মধ্যে সরকারের অগ্রাধিকার শিল্প খাত লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে তিন বছরে প্রশিক্ষণ পাবে ৯ হাজার ৩৮ জন। এতে অর্থায়ন করছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ সরকার। কোর্স পরিচালনা করবে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। কোনো ফি লাগবে না। উপরন্তু শর্তসাপেক্ষে প্রশিক্ষণার্থীরা পাবে মাসিক তিন হাজার টাকা ভাতা। কোর্স শেষে যোগ্যতা অনুযায়ী মিলবে চাকরিও।


বিষয় ও যোগ্যতা 

প্রশিক্ষণ কোর্সের চিফ প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব মীর মনিরুজ্জামান জানান, প্রশিক্ষণ কোর্সকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে—আপস্কিল ও ফ্রেশার। আপস্কিল ক্যাটাগরিতে মাস্টার ক্রাফটসম্যানশিপ কোর্সে ১৫ দিন ৩০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অংশ নিতে পারবেন এ কোর্সে। বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৬ বছর। বাকি সব কোর্সে সুযোগ পাবেন ফ্রেশাররা। বয়স হতে হতে হবে কমপক্ষে ১৮ বছর।  লেদ মেশিন অপারেশন, মিলিং মেশিন অপারেশন, ওয়েল্ডিং ও ক্যাড/ক্যাম ডিজাইনের কোর্সের মেয়াদ ছয় মাস, সিনএসি অপারেশন কোর্সে এক বছর, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এসি টেকনিশিয়ান ও ইলেকট্রিক্যাল কোর্সে চার মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। লেদ মেশিন অপারেশন, মিলিং মেশিন অপারেশন, ওয়েল্ডিং, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এসি টেকনিশিয়ান এবং ইলেকট্রিক্যাল কোর্সে অষ্টম শ্রেণি পাস হলেই ভর্তি হওয়া যাবে। ক্যাড/ক্যাম ডিজাইন, সিনএসি অপারেশন কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা এইচএসসি বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং।

আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া 

প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর (মনিটরিং) এনামুল হক জানান, প্রত্যেক কোর্সে প্রতি ব্যাচে ৩০ জন ভর্তি হতে পারবে। প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। সেপ প্রজেক্টের অন্য কোনো প্রশিক্ষণে ভর্তি হলে বা আগে প্রশিক্ষণ নিলে আবেদন করা যাবে না। ভর্তির আবেদন ফরম পাওয়া যাবে beioa.org.bd ওয়েব ঠিকানায়। আবেদন ফরম পূরণ করে পাসপোর্ট আকারের দুই কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপিসহ জমা দিতে হবে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ৩৮ টিপু সুলতান রোড, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ বা প্যারাডাইজ ভবন, ২ ফোল্ডার স্ট্রিট, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ ঠিকানায়। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৭ ডিসেম্বর। এনামুল হক বলেন, ‘কোনো কোর্সে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা হবে। খুব বেশি আবেদন পড়লে নেওয়া হতে পারে লিখিত পরীক্ষা।’ তিনি আরো জানান, মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর আচার-ব্যবহার দেখা হবে, জানতে চাওয়া হতে পারে কেন প্রশিক্ষণ নিতে চায় বা প্রশিক্ষণ নিলে সে কতটুকু উপকৃত হবে। বাছাইয়ে অগ্রাধিকার পাবে সুবিধাবঞ্চিত, নারী, উপজাতি ও নৃগোষ্ঠীর লোকেরা।

প্রশিক্ষণের ধরন 

প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর (মনিটরিং) এনামুল হক জানান, ‘আধুনিক উপকরণ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ৮০ শতাংশ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে হাতে-কলমে, বাকিটা তত্ত্বীয়। প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতিটি কাজ প্রশিক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তাঁদের মতামত দেবেন। প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষ করে তোলাই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।’

মিলবে ভাতা ও চাকরি 

কোর্স চলাকালীন প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাসে তিন হাজার টাকা হারে বৃত্তি দেওয়া হবে। শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হলে তবেই মিলবে মাসিক ভাতা। সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রশিক্ষণ নেওয়া ৭০ শতাংশ প্রশিক্ষণার্থীর চাকরির ব্যবস্থা করার কথা। তবে প্রশিক্ষণ নেওয়া সবার চাকরির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন—জানালেন এনামুল হক। তিনি আরো জানান, চাকরির ক্ষেত্রে কোর্স শেষে ক্লাসে উপস্থিতি বিবেচনায় আনা হবে, যাচাই করা হবে প্রার্থীর দক্ষতাও। কোর্স শেষে প্রশিক্ষণার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে জাতীয় দক্ষতা ডাটাবেইসে। দেওয়া হবে সনদ। খোঁজ জানবেন যেভাবে আপস্কিল ক্যাটাগরির কোর্সে ঢাকাসহ সারা দেশে প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে। তবে ফ্রেশার ক্যাটাগরির সব কোর্স হবে শুধু ঢাকায়। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ৩৮ টিপু সুলতান রোড, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ এবং প্যারাডাইজ ভবন, ২ ফোল্ডার স্ট্রিট, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ ঠিকানায় জানা যাবে সব কোর্সের বিস্তারিত তথ্য। মোবাইল ফোনে তথ্য জানার জন্য কল করতে হবে ০২-৭১১৯০১১, ০১৯১১১৮৬২৭৪, ০১৯১১২১১০২২, ০১৭১৭৫৯০৬০০ নম্বরে। মাস্টার ক্রাফটসম্যানশিপ কোর্সের জন্য ছকে উল্লিখিত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে।



যেভাবে আপনার সিম নিবন্ধন করবেন।

যেভাবে আপনার সিম নিবন্ধন করবেন।


নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত সব সিমকার্ড
পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে বলে
জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ
বিভাগ। আর এ কারনে দেশের সব
মোবাইল ফোন অপারেটর সিম পুনরায়
রেজিস্ট্রেশন করার অপশন চালু করে।
এখন থেকে আপনার মূল্যবান সিম
কার্ডটি রেজিস্ট্রেশন করতে
কাস্টমার কেয়ার অফিসে যাওয়া
লাগবে না। চাইলে ঘরে বসেই আপনার
মূল্যবান সিম কার্ডটি রেজিস্ট্রেশন
করতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে রি-
রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট
মোবাইল অপারেটরের অধীনে একটি
এসএমএস পাঠাতে হবে (এসএমএস-এর কোন
ফি কাটবে না)।

আপনি যদি এয়ারটেল, বাংলালিংক,
গ্রামীণফোন, রবি এবং টেলিটক
মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহক হন
তাহলে প্রথমে আপনার মোবাইলের
ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন জাতীয়
পরিচয়পত্রের নম্বর, পরিচয়পত্র অনুযায়ী
আপনার জন্ম তারিখ এবং আপনার পূর্ণ
নাম। এরপর তা পাঠিয়ে দিন ১৬০০
নম্বরে।
আর আপনি যদি সিটিসেলের গ্রাহক হন
তাহলে প্রথমে আপনার মোবাইলের
ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন U (স্পেস)
জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, পরিচয়পত্র
অনুযায়ী আপনার জন্ম তারিখ এবং
আপনার পূর্ণ নাম। এরপর তা পাঠিয়ে
দিন ১৬০০ নম্বরে।
ফিরতি এসএমএসে আপনার প্রাপ্তি
নিশ্চিত করে জানানো হবে আপনার
তথ্যটি তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য
হয়েছে কিনা।