Showing posts with label Economy. Show all posts
Showing posts with label Economy. Show all posts

ধনী হওয়ার ৯টি পরামর্শ

ধনী হওয়ার পথটা কোনো গোপন বিষয় নয়। ধনী মানুষদের বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে যা পাওয়া গেছে তার মধ্যে আছে একনিষ্ঠ পরিশ্রম আর কয়েকটি মূলমন্ত্র। লটারির টিকিট কেনার মতো সহজ পন্থায় সবাই ধনী হতে চায়। কিন্তু বাস্তবে তা খুব কম মানুষের ভাগ্যেই জোটে। বাস্তবে যে মূলমন্ত্র দিয়ে মানুষ ধনী হয়, তা থাকছে এ নিবন্ধে।
১. শূন্য থেকে শুরু করে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠুন
বহু সফল ব্যক্তি খালি হাতেই তাদের কাজ শুরু করেছিলেন। স্টারবাকস প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও হাওয়ার্ড স্কুলজ ও গোল্ডম্যান সাক্স-এর সিইও লয়েড ব্ল্যাংকফেইন বড় হয়েছেন এভাবেই। প্রতিযোগিতা ও দুর্ভাগ্য তৈরি করে বড় নেতা।
২. যা ভালো লাগে, তাই করুন
আপনার নিজের ভালোলাগার বিষয় করুন এবং তার বাজারের জন্য প্রার্থনা করুন। অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো কাজের একমাত্র উপায় হল নিজের কাজকে ভালোবাসা। আপনি যদি এটা না পেয়ে থাকেন তাহলে খুঁজতে থাকুন। স্থীর হবেন না।’ তিনি ঠিকই বলেছিলেন। আপনি যদি নিজের আগ্রহের বিষয়ে কাজ করেন তাহলে গ্রাহকরাও আপনাকে খুঁজে বের করবে। আর এভাবে টাকাও খুঁজে বের করবে আপনাকে।
৩. সিলিকন ভ্যালি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের হাইটেক ইন্ডাস্ট্রির কেন্দ্র সিলিকন ভ্যালি বহু মানুষের ভাগ্য ফিরিয়েছে। শুধু প্রধান নির্বাহীরাই নয়, বহু চাকরিজীবীও এখানে খুব ভালো আছেন। এর কারণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে উঠেছে বহু মানুষের সমৃদ্ধির সোপান।
৪. নিজের ব্যবসা শুরু করুন, সন্নাসীর মতো থাকুন
নতুন ব্যবসা শুরু করে নিজে একজন সন্নাসীর মতো জীবন নির্বাহ করুন। আমেরিকার মিলিয়নেয়ারদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ অবস্থায় এসেছেন। তাদের অধিকাংশই আবার ছোট ব্যবসা করেন আর তাদের সামর্থের চেয়ে কম অর্থে জীবন নির্বাহ করেন। তবে তাদের অর্থ তারা আবার ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। সাধারণত তারা পূর্বপুরুষের কাছ থেকে কোনো অর্থ পাননি। তাই কেনার আগে আরেকবার চিন্তা করুন- আপনার কি নতুন গাড়ি বা দামি যন্ত্রটা লাগবেই?
৫. ঝুঁকি নিন, ভুল করুন, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন
অধিকাংশ মানুষ অবিবেচনাপ্রসূত অথবা সাধ্যের অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে ফেলে, যা তাদের নেয়া উচিত নয়। তার বদলে স্মার্ট ঝুঁকি নিতে হবে, যা বাস্তবে পূরণ করা সম্ভব। নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যান। ভুল হলেও তা স্বাভাবিক। আঘাত না পেয়ে কেউ সামনে এগোতে পারে না।
৬. অনেক ত্যাগ করে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করুন
ইয়াহুর সিইও মেরিসা মেয়ার খুবই পরিশ্রমি একজন নারী। তিনি সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা কাজ করেন। আর এলন মাস্ক দুটি প্রতিষ্ঠা চালান। একই বিষয় প্রযোজ্য ছিল স্টিভ জবসের ক্ষেত্রে। তিনি অ্যাপল ও পিক্সার চালাতেন। আপনি যা বিনিয়োগ করবেন তার ফলাফল পাবেন।
৭. নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করুন
এটা বলা হয় যে, সুযোগ যখন প্রস্তুতির সঙ্গে মিলে যায় তখন সৌভাগ্য আসে। আমি খুব ভাগ্যবান – এ কথার পাশাপাশি এটাও সত্য যে আমি ভাগ্য খোঁজার কাজে কখনো থামিনি। আর যখনই কোনো সুযোগের আশা মিলেছে তা হারাইনি। এ কারণে অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ দিয়ে বাস্তব জগতের সফল মানুষদের সঙ্গে পরিচিত হতে হবে।
৮. স্থিতিশীল বিবাহিত জীবন
বিয়ে ভাঙার পর বহু ধনী মানুষের সম্পত্তি কমে গেছে। এ কারণে ধনী হওয়া ও থাকার জন্য স্থিতিশীল বিবাহিত জীবন গুরুত্বপূর্ণ।
৯. বৈচিত্র্য আনুন
বহু ধরনের ধারণা আনুন নিজের কাজে। এতে অনেক কষ্ট ও সময় ব্যয় হতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে কষ্ট হলেও ভবিষ্যতে এর সুফল অবশ্যই পাবেন।

অনলাইনে সহজেই চেক করুণ ৬৮টি দেশের ভিসা

৬৮টি দেশের ভিসা চেক করুণ অনলাইনে। নিশ্চিত হয়ে
নিন আপনার ভিসা সঠিক কিনা।
১। তানজানিয়া www.tanzania.go.tz
২। কাতার http://www.moi.gov.qa/site/english
৩। কুয়েত www.moi.gov.kw
৪। পাকিস্তান http://www.moitt.gov.pk/
৫। সৌদি আরব http://www.moi.gov.sa/
৬। দুবাই/আরব আমিরাত www.moi.gov.ae
৭। মিশর http://www.moiegypt.gov.eg/english/
৮। বাংলাদেশ www.moi.gov.bd
৯। সাইপ্রাস http://moi.gov.cy/
১০। নেপাল http://www.moic.gov.np/
১১। আলবেনিয়া http://www.moi.gov.al/
১২। জামবিয়া http://www.moi.gov.gm/
১৩। জর্দান http://www.moi.gov.jo/
১৪। ইন্ডিয়া http://labour.nic.in/
১৫। কেনিয়া www.labour.go.ke/
১৬। ইটালী https://www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/
১৭। সিংগাপুর www.mom.gov.sg/
১৮। গ্রীস http://www.mddsz.gov.si/en
১৯। শ্রীলংকা http://www.labourdept.gov.lk/
২০। দক্ষিণ আফ্রিকা www.labour.gov.za/
২১। ইরান http://www.irimlsa.ir/en
২২। গানা http://www.ghana.gov.gh/
২৩। তাইল্যান্ড www.mfa.go.th
২৪। বাহরাইন www.mol.gov.bh
২৫। ভূটান www.molhr.gov.bt/
২৬। কলমবিয়া www.labour.gov.bc.ca/esb/ www.gov.bc.ca/citz
২৭। কানাডা www.labour.gov.on.ca/english/
২৮। বারবাডোস www.labour.gov.bb/
২৯। কোরিয়া www.moel.go.kr/english
৩০। জাপান www.mhlw.go.jp/english/
৩১। সাইপ্রাস http://www.mfa.gov.cy/
৩২। ভিয়েতনাম english.molisa.gov.vn/
৩৩। নিউজিল্যান্ড www.dol.govt.nz/
৩৪। নামিবিয়া www.mol.gov.na/
৩৫। মালদ্বীপ mhrys.gov.mv/
৩৬। মায়ানমার www.mol.gov.mm/
৩৭। লেবানন http://www.labor.gov.lb/
৩৮। পোল্যান্ড www.mpips.gov.pl/en
৩৯। ইংল্যান্ড www.ukba.homeoffice.gov.uk
৪০। বুলগেরিয়া http://www.mlsp.government.bg/en
৪১। আমেরিকা www.dvlottery.state.gov/ESC  http://www.dol.gov/
৪২। স্পেন www.mtin.es/en
৪৩। ইউক্রেইন http://www.mlsp.gov.ua/
৪৪। উগান্ডা http://www.mglsd.go.ug/
৪৫। পেলেস্তাইন www.mol.gov.ps/
৪৬। ব্রুনাই http://www.labour.gov.bn/
৪৭। ইয়ামেন http://www.dol.gov/
৪৮। নেদারল্যান্ড http://english.szw.nl/
৪৯। জামবিয়া www.mlss.gov.zm
৫০। অষ্ট্রেলিয়া http://www.workplace.gov.au/
৫১। জিমবাবুয়ে http://www.dol.gov/
৫২। ফিলিফাইন www.dole.gov.ph/
৫৩। মালয়েশিয়া www.mohr.gov.my
৫৪। রাশিয়া http://www.labour.gov.on.ca/
৫৫। ভারতীয় ভিসা আবেদন : http://www.indianvisaonline.gov.in/visa/
http://indianvisaonline.gov.in/visa/indianVisaReg.jsp
৫৬।দুবাই : http://www.mol.gov.ae/arabic/newindex.aspx
http://www.mol.gov.ae/english/newindex.aspx
৫৭।কানাডা : http://www.cic.gc.ca/english/index.asp
৫৮।আমেরিকা : https://www.vfs.org.in/UKG-PassportTracking/
৫৯।ওমানের ভিসা : http://www.rop.gov.om/
৬০।আবুধাবী ( দুবাই), http://www.mol.gov/
৬১।বাহরাইন http://www.markosweb.com/www/mol.gov.sa/
৬২।সৌদি আরব, http://www.saudiembassy.net/
৬৩।কানাডা, http://www.huembwas.org/ হাঙ্গেরী
৬৪।সংযুক্ত আরবআমিরাত : http://www.mol.gov.ae/ownersservices/employeeCredential.aspx
৬৫।ওমান : http://www.rop.gov.om/english/onlineservices-visastatus.asp
৬৬।U.A.E ভিসা চেক করার লিঙ্ক হল http://united-arab-emirates.visahq.com/
৬৭। সিঙ্গাপুরের ভিসা চেক দিতে চাইলেhttp://singapore.embassyhomepage.com/
৬৮। Entry Permit চেক করার জন্য http://www.moi.gov.ae/

হজ ফ্লাইট শুরু ৪ আগস্ট


আগামী ৪ আগস্ট হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। ওই দিন বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য সৌদি আরবের উদ্দেশে হজযাত্রীরা বিমানে ঢাকা ত্যাগ করবেন।৪ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে এ ফ্লাইট চলবে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট ১৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ১৬ অক্টোবর।মঙ্গলবার (৭ জুন) হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এ সময় ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জন হজ পালন করতে পারবেন। এ হজযাত্রীদের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও সৌদি এয়ারলাইনস ৫০ শতাংশ করে পরিবহন করবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১১২টি ডেডিকেটেড ও ৩২টি শিডিউল ফ্লাইটে মোট ৫২ হাজার ৬৪ জন হজযাত্রী পরিবহন করবে বিমান এবং ফিরতি ফ্লাইটে বিমান ১০৫টি ডেডিকেটেড ও ২৯টি শিডিউল ফ্লাইটে হাজিদের দেশে নিয়ে আসবে।এদিকে সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনস ৬ আগস্ট থেকে  প্রি-হজ ফ্লাইট শুরু করবে এবং ৫ সেপ্টেম্বর তাদের এ ফ্লাইট শেষ হবে। আর এই এয়ারলাইনস ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব থেকে হজযাত্রীদের বাংলাদেশ ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করবে এবং শেষ হবে ১৬ অক্টোবর তারিখে।


মন্ত্রী বলেন, ‘গত বছরের ন্যায় এবারও হাজিদের জন্য জমজমের পানি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমাবন্দর থেকে সরবরাহ করা হবে।উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (৯ জিলহজ) হজ হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯১ হাজার ৭৫৮ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার মানুষ হজে যেতে পারবেন।হজ প্যাকেজ অনুযায়ী, এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোরবানিসহ প্যাকেজে ৩ লাখ ৬০ হাজার ২৮ টাকা এবং কোরবানি ছাড়া প্যাকেজে ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৩ টাকা খরচ হবে।আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মৌলিক খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪১ টাকা। এর সঙ্গে খাওয়া ও বাড়ি ভাড়া যোগ করে এজেন্টরা প্যাকেজ ঠিক করবে।

তোমরা কখনো চাকরির পেছনে ঘুরবে না : ড. ইউনূস

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তরুণ সমাজের উদ্দেশে বলেছেন, তোমরা কখনো চাকরির পেছনে ঘুরবে না। এতে সব ধরনের প্রতিভা ধ্বংস হয়ে যায়।
বুধবার ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে চতুর্থ গ্লোবাল উইমেন ডেলিভার কনফারেন্সে তিনি এ বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নসহ অন্যান্য উদ্ভাবনী অবদানের জন্য মুহাম্মদ ইউনূসকে উইমেন ডেলিভার সম্মাননা দেওয়া হয়। নিউইয়র্কভিত্তিক এনজিও উইমেন ডেলিভার আয়োজিত এই সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ইনভেস্ট ইন গার্লস অ্যান্ড উইমেন-ইট পেইস’। সম্মেলন আয়োজনে ডেনমার্ক সরকার, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), ইউএন-উইমেনসহ নানা সংস্থা ও সংগঠন সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। এবারের সম্মেলনে বিশ্বের ১৬৯টি দেশ থেকে মন্ত্রী, সাংসদ, সাংবাদিক, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, তরুণ দলসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দারিদ্র্য, একটি বেকারত্ব এবং আরেকটি হলো পৃথিবী থেকে কার্বন–দূষণ দূর করাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার আহবান জানিয়ে বলেন, দারিদ্র্য মানবসমাজে বসবাস করতে পারে না। তাকে জাদুঘরে পাঠাতে হবে। এতে নারীরা বেশি লাভবান হবে, কেননা নারীরা বেশি দারিদ্র্যের শিকার। ইউনূস বেকারত্বকে কৃত্রিম ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষাপদ্ধতির কারণে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরি খোঁজে। তারা ভাবে, চাকরি পাওয়াই জীবনের একমাত্র গন্তব্য। অথচ চাকরি কোনো গন্তব্য হতে পারে না। তাদের উদ্যোক্তা হতে হবে। এটিই গন্তব্য। সবাই উদ্যোক্তা হতে উদ্বুদ্ধ হলে আজ থেকে ৩০ বা ৩৫ বছর পরে ছেলেমেয়েরা বেকারত্ব কাকে বলে তা বুঝতেই পারবে না।
আলোচনায় ইউনূস সেন্টারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেল, গ্রামের নারীদেরও গ্রামীণফোনের মুঠোফোন ব্যবহার, সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া, গর্ভবতী নারীদের কাছে আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা নিয়ে যাওয়া, মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে গর্ভাবস্থায় সরাসরি চিকিৎসকের কাছ থেকে পরামর্শ পাওয়াসহ নানান উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ব্যবসা শুরু করার কারণে অন্যান্য কোম্পানি কীভাবে এগিয়ে আসছে, সে কথাও জানান।

২ বছরের মধ্যে গ্যাস সংযোগের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আগামি দুই বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ প্রদান সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হবে এবং সুষ্ঠুভাবে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার ব্যাপারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে।
শনিবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) মিলনায়তনে এক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিদ্যমান গ্যাস পাইপ লাইনের মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম গ্যাস সরবরাহ করবে।’
বুয়েট এ্যালামনাই এসোসিয়েশন আয়োজিত ‘জ্বালানী, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন: বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত বিকল্প’ শীর্ষক এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বুয়েট-এর উপাচার্য অধ্যাপক খালেদা একরাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বুয়েট এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ম. তামিম, ড. রেজোয়ান খান এবং ড. আহমাদ কায়কাউস। বক্তব্য রাখেন- পাওয়ার সেল-এর মহাপরিচালক ড. এম এ মতিন ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ প্রমুখ।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আসন্ন বাজেট হবে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার এবং সরকার জ্বালানী খাতের জন্য ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটি পরিকল্পনা প্রনয়ন করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য গ্যাসের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিকট ভবিষ্যতে গ্যাস সরবরাহের উপর আর কোন বিধিনিষেধ থাকবে না। যারা গ্যাস পাচ্ছে না তাদের কথা আমরা বিবেচনা করছি এবং বিদ্যমান পাইপলাইনের মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম গ্যাস সরবরাহ করা হবে।’
তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানী, বিশেষত বায়ু ও সৌর বিদ্যুতের ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সাল নাগাদ ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার দেশে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
সুত্রঃ bnc24

দেশ সেরা বিজ্ঞানী বরিশালের রিকশা চালক জিসান।

নিজের স্বপ্ন সফল করার জন্য অনেকের সাহায্য কামনা করেছেন। দিই দিচ্ছি বলে বলে কেউ আর পাশে এসে দাঁড়ায়নি। তাতে কি? কথায় আছে না, যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, দেখা হবে বিজয়ে?
হ্যাঁ ঠিক তাই হয়েছে, নিজের ইচ্ছেতে অনড় ছিল বরিশালের তরুণ উদ্ভাবক জিসান। আর তাই তো সে নিজ লক্ষ্যে পৌছার জন্য রিকশাও চালিয়েছেন। তারপর দিনরাত পরিশ্রম করে তৈরি করেন নিজের প্রযুক্তিতে তিনটি জ্বালানী সাশ্রয়ী গাড়ী।
তরুণ উদ্ভাবক জিসানের বানানো ওই তিনটি জ্বালানী সাশ্রয়ী গাড়ী হয়েছে দেশ সেরা। নিজের ঝুলিতে ভরেছেন জাতীয় পুরস্কার। শুধু জাতীয় পুরস্কারই না। সে তার এই প্রযুক্তির জন্য পেয়েছে আন্তর্জাতিক পুরুস্কারও।
সম্প্রতি জিসান তার সফলতার কথা জানিয়ে এবং বিজ্ঞান গবেষণায় সহায়তা না থাকার আক্ষেপ প্রকাশ করে লিখেছেন জেলা প্রশাসকের বরাবর। তার সেই লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হল;
২০১১ইং সালে জ্বালানী সাশ্রয়ী গাড়ী তৈরীতে মনোনিবেশ করি এবং আমি সফল হই। গাড়ীটি এক লিটার পেট্রোল-এ ১২০ কিঃমিঃ পথ অতিক্রম করে। এর পরে জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা ২০১৩ইং সালে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
এই প্রতিযোগিতার ‘বুয়েট’ ‘রুয়েট’ ‘আই.ইউ.টি’ ‘কুয়েট’ আমি বরিশাল টি.এস.সি থেকে অংশগ্রহণ করি।
সে সময় ৪র্থ স্থান অধিকার করি তেমন ভাল করতে পারিনি তাই ফিরে এসে প্রতিজ্ঞা করি আমাকে চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে।
সে লক্ষে কাজ করি। ছয় মাস এ গাড়ীর দুইটি নকশা তৈরী করি এর পর শুরু করি মূল কাজ।
কিন্তু প্রধান সমস্যা ছিল টাকা, কারন আমি নিতান্তই গরীব ঘরের সন্তান। এই পরিস্তিতে গাড়ী তৈরীর খরচ ছিল খুবই কঠিন কিন্ত আমার লক্ষ একটাই ছিল আমি চ্যাম্পিয়ন হবোই।
বাবা’র সাথে কথা বল্লাম, বাবা আমাকে অভয় দিয়ে বলে তুমি তোমার কাজ চালিয়ে যাও হাল ছেড়ো না বাবা বাড়ি’র গাছ বিক্রয় সহ বিভিন্ন উপায়ে আমাকে টাকা দিতে থাকে। এ ছাড়া আমি সাহায়্যর জন্য বিভিন্ন কর্তা ব্যাক্তির কাছে দৌর জাপ করেছি।
গিয়েছিলাম রাজনৈতিক কর্তাদের কাছেও, কারণ আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর একটি গুরুত্ব পূর্ণ সংগঠন ছাএলী-এর সাথে জড়িত।
তারা দিব দিব বলে দিয়েছে শুধু মিথ্যা আশ্বাস।
শত প্রতিকুলতার মধ্যেও আমি আমার লক্ষ্যে ছিলাম অটুট।
এমন কি রাতের আধাঁরে মাথায় গামছা বেঁধে রিকশাও চালিয়েছি। এই আইডিয়া টা দিয়ে ছিলেন বরিশাল এর আগের ডি.সি মহোদয় শ্রদ্ধেয় শহিদুল আলম স্যার। তবে সে বলেছিলেন মাহিন্দ্রা বা অটো চালিয়ে টাকা উপার্জন করে গাড়ী তৈরি করতে। অনেক রাত অভুক্ত থেকেছি, তবুও হাল ছাড়িনি।
আমার এই কথাগুলো ধনি মানুষদের কাছে কিছুই মনে হবে না।
কিন্তু আমার কাছে বিষয়টি ছিল একটি যুদ্ধের মত। এমন কি ওই দুই বছরে নতুন কোন জামা প্যান্ট ও কিনতে পারি নাই। সময় শেষের দিকে রাত দিন গাড়ীর কাজ করতে থাকলাম। কাজ করার সময় দূর্ঘটনারও শিকার হয়ে হাসপাতালে ছিলাম। তারপরও হাল ছাড়িনি। সবাই আমাকে বলেত, ‘এই পাগলামি বাদ দিয়ে ভালো কিছু করো’। আমি তখন ভাবতাম, ‘আমি মনে হয় ভাল কিছু করছি, কারন আপনার কাজ দেখে যদি মানুষ না হাসে তাইলে সেটা কাজ এর মধ্যেই পরে না।’
এসে গেল সেই স্বপ্নের দিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠান শুরু হল আমার দুটি গাড়ি দুটি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। এর একটি সব চাইতে কম জ্বালানি ব্যাবহার করে পথ অতিক্রম করে আর অন্য টি সকল বিভাগে সেরা হয়।
(২০১৩ইং এ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় অংশগ্রহণ করে বরিশাল জেলায় প্রথম এবং জাতীয় পার্যায় ২য় স্থান অধিকার করি। এখানে আরো একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় বিজ্ঞান ও গবেষনা খাতে কেন বারাদ্দ নাই।)
থাকলে হয়তো আমাকে এতটা কষ্ট করতে হত না। তাই মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় এর কাছে এই প্রকল্পটির জন্য সাহায়্যর আবেদন করছি এখন আমার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলে সাধারন মানুষসহ দেশের উন্নয়ণ এবং ডিজিটাল দেশ গড়ায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে। লেখাটি কারো কাছে বিরক্তির কারন হলে ক্ষমা চাইছি।
সুত্রঃ mtnews

পাস করলেই চাকরি: ​শিক্ষামন্ত্রী

কারিগরি শিক্ষায় পাস করলেই চাকরি হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
মন্ত্রী বলেছেন,
কারিগরি শিক্ষা যুবসমাজের চাকরি ও আত্মকর্মসংস্থানের অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করছে। অনেক ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে বেকার থাকলেও কারিগরি শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কেউ বেকার নেই। পাস করার সঙ্গে সঙ্গে চাকরি পায়। দক্ষতা অর্জন করতে পারলে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতদের চাকরি খুঁজতে হবে না, চাকরিই তাদের খুঁজে বের করবে।
রাজধানীর একটি হোটেলে স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক নতুন করে ১০০ মিলিয়ন ডলার প্রদান উপলক্ষে দিনব্যাপী এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার খাত। কারিগরি শিক্ষা এ অগ্রাধিকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার খাত। ২০২০ সালে সরকার কারিগরি শিক্ষায় লক্ষ্যমাত্রা ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। তবে তা ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশে এবং চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা ৬০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আরো বলেন, সরকার কারিগরির কোর্স কারিকুলাম যুগোপযোগী করেছে। সরকারি পলিটেকনিকগুলোতে ডাবল শিফট চালু করা হয়েছে। ২০০৮ সালে যেখানে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৩৭৫। এ বছর তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৬ হাজার ৭৫০ জনে। তা ছাড়া দেশে বর্তমানে ৭০০০ হাজারের বেশি বেসরকারি কারগিরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। শিগগিরই দেশে একটি বিশ্বমানের টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব বেগম সামছুন নাহার, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডাইরেক্টর চিমিয়াও ফন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) অশোক কুমার বিশ্বাস ও স্টেপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. ইমরান বক্তৃতা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার, বিশ্বব্যাংক ও কানাডার অর্থায়নে ‘স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হলো কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুণগত মানোন্নয়নের মাধ্যমে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার মধ্য দিয়ে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও দেশ-বিদেশে মর্যাদাসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা।
সুত্রঃ zoom bd