Showing posts with label invention & inventor. Show all posts
Showing posts with label invention & inventor. Show all posts

ঐক্যের জন্য এক মসজিদে শিয়া-সুন্নির নামাজ আদায়

কুয়েতে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের কয়েকশ’ মুসল্লি শুক্রবার এক মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। এ সময় দেশটিতে যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তারা।  
গত ২৬ জুন কুয়েত সিটির একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত ও ২০০’র বেশি মুসল্লি আহত হওয়ার পর দেশটির দুই সম্প্রদায়ের লোকজন এক মসিজেদ নামাজ আদায় করে ঐক্য ধরে রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন। ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল। ২৬ জুনের হামলাকারী একজন সৌদি নাগরিক বলে পরে তার পরিচয় প্রকাশ হয়েছে।
গতকাল জুমা নামাজের পর দেশটির শিয়া সম্প্রদায়ের এক সংসদ সদস্য বলেছেন, কুয়েতকে অস্থিতিশীল করার জন্য আইএসআইএল যে চিন্তা করছে তা নিতান্তই বোকামি বরং তাদের হামলা কুয়েতের জাতীয় ঐক্যকেই কেবল জোরদার করবে। তিনি বলেন, আজকের নামাজ ছিল ঐক্যের জন্য নামাজ। সূত্র: রেডিও তেহরান 2015
গণনা যন্ত্রের প্রথম আবিষ্কার

গণনা যন্ত্রের প্রথম আবিষ্কার

প্রায় ৪ হাজার বছর আগে চীনারা গণনা করার জন্য একটি যন্ত্র তৈরি করে। যার নাম ছিল অ্যাবাকাস। এটিই হলো পৃথিবীর প্রথম গণনাকারী যন্ত্র। আর এটিই হলো বর্তমান কম্পিউটারের পূর্বপূরুষ। ১৯৪০ সনে ক্লড শ্যানন প্রথম এই ডিজিটাল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। প্রোগ্রামেবল ডিভাইসের জন্য এটি একটি সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত করে।


১৯৪১ সনে করনার্ড জিউস আবিস্কার করেন পৃথিবীর প্রথম অপারেশনাল কম্পিউটার। আর পার্সোনাল কম্পিউটারগুলো আস্তে আস্তে মার্কেটে আসতে থাকে ১৯৭৭ সনের দিকে। তবে মূলত বর্তমান কম্পিউটারের রূপরেখা তৈরি করেন ব্রিটিশ গণিতবিদ 'চার্লস ব্যাবেজ'। ১৮২২ সালে তিনি লগারিদমসহ গাণিতিক হিসাব-নিকাশ অধিক সহজ করার লক্ষ্যে একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নেন। এরও অনেক পরে ১৮৩৩ সালে তিনি আগের সব গণনাকারী যন্ত্রের স্মৃতিভাণ্ডারের প্রয়োজনীতা অনুভব করেন। এ জন্য তিনি একটি যন্ত্র তৈরির চিন্তা করেন, যার নাম দেন অ্যানালটিক্যাল মেশিন। এটির কাজ তিনি শেষ করতে পারেননি। তার এই মেশিনের ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করেই আজকের এই কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে। এই জন্যই তাকে কম্পিউটারের আদি পিতা বা জনক বলা হয়। কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে। ব্যবহারের সুবিধা বেড়ে যায় ও কাজের ক্ষমতা বেড়ে যায়।
সভ্যতার আশীর্বাদ চাকা আবিষ্কার

সভ্যতার আশীর্বাদ চাকা আবিষ্কার

সভ্যতার আশীর্বাদ চাকা আবিষ্কার। চাকা আবিষ্কারে মানব সভ্যতায় গতিসঞ্চার হয়। চাকার আবিষ্কার হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ বছর আগে। মানব ইতিহাসে চাকার আবিষ্কার একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ইতিহাস বলে পাঁচ হাজার খ্রিষ্টপূর্বাব্দের দিকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায় চাকা আবিষ্কৃত হয়। ককেশাসের উত্তর দিকে বেশ কিছু কবর পাওয়া গেছে যাতে ৩৭০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ হতে ঠেলাগাড়িতে করে মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়েছে। ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কাছাকাছি সময়ে তৈরি করা একটি মাটির পাত্র দক্ষিণ পোল্যান্ডে পাওয়া গেছে, যাতে চার চাকার একটি গাড়ির ছবি আছে। এটিই এ পর্যন্ত প্রাপ্ত চাকাযুক্ত গাড়ির ছবির সবচেয়ে পুরনো নিদর্শন। খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ সহস্রাব্দ নাগাদ চাকার ব্যবহার ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধু সভ্যতায় চাকার ব্যবহার শুরু হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৩য় সহস্রাব্দের দিকে। চীনে চাকার ব্যবহার দেখা যায় ১২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে, যখন চাকাযুক্ত গাড়ির প্রচলন হয়। মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন সভ্যতায় চাকার ব্যবহার দেখা যায় না। তবে অলমেক ও অন্যান্য কিছু আমেরিকার সভ্যতার নিদর্শনের মধ্যে শিশুদের খেলনা হিসেবে চাকাযুক্ত গাড়ি পাওয়া গেছে। প্রাচীন নুবিয়াতে চাকা ব্যবহার করা হতো মাটির হাঁড়ি ও পাত্র তৈরিতে এবং পানি উত্তোলনে। নুবিয়ার পানি উত্তোলনে ব্যবহৃত চাকাগুলো ঘুরানো হতো গবাদিপশু দিয়ে। চাকা ব্যবহার করে জলচক্র পানি তোলার এবং পানি হতে শক্তি আহরণের, গিয়ার চাকা, চরকা, ইত্যাদি তৈরি করা হয়। সাম্প্রতিক কালের প্রপেলার, জেট ইঞ্জিন, এবং টারবাইন এর সবই চাকার পরিবর্তিত রূপ।
কাগজ আবিষ্কারের ইতি কথা।

কাগজ আবিষ্কারের ইতি কথা।


জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই আমরা কাগজের ব্যবহার দেখতে পাই। লেখা ছাড়াও কাগজের ওপরে লেখা ছাপানো হয় এবং কোনো দ্রব্যের মোড়ক হিসেবেও কাগজ ব্যবহৃত হয়। যদিও কাগজের ইংরেজি শব্দটি প্যাপিরাস শব্দ থেকে এসেছে। এদের উৎপাদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং বর্তমান কাগজে উন্নয়ন ও প্যাপিরাসের উন্নয়ন থেকে পৃথক। প্রধানত কাঠ, বাঁশ, ছেঁড়া কাপড়, ঘাস, পুরনো কাগজ ইত্যাদি কাগজ তৈরির প্রধান উপাদান। মনে করা হয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে চীনে আধুনিক কাগজের প্রচলন শুরু হয়। যদিও এর আগে কাগজ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কাগজের উদ্ভাবনকে প্রাচীন চীনের চারটি বিশাল উদ্ভাবনের অন্যতম একটি বিবেচনা করা হয়। প্রাচীন চীনে মণ্ড দ্বারা তৈরি কাগজ দ্বিতীয় শতাব্দীর গোড়ার দিকে হান জাতির চাই লুন নামের একজন আবিষ্কার করেন।

চীনে সিল্কের সাশ্রয়ী ও কার্যকর বিকল্প হিসেবে কাগজ ব্যবহার শুরু হয়। কাগজের প্রচলন চীন থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে মুসলিম বিশ্বের মাধ্যমে এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মধ্যযুগের ইউরোপে কাগজের উৎপাদন শুরু হয়। যেখানে সর্বপ্রথম পানিচালিত কাগজ উৎপাদনের কাগজকল ও কলকব্জা বা মেশিন আবিষ্কার ও নির্মাণ করা হয়। চিঠি, সংবাদপত্র ও বইয়ের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী পরিবর্তন আসে এবং এর সাশ্রয়ী উপাদান হিসেবে কাগজ তৈরি করা ঊনবিংশ শতাব্দীতে নতুন শিল্প রূপে আবিভর্ূত হয়।
এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারে যার অবদান বেশি

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারে যার অবদান বেশি


অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের একটি। পেনিসিলিন আবিষ্কার ছিল চিকিৎসা জগতের জন্য এক নতুন দিগন্তের সন্ধান। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন আকস্মিক এক ঘটনাক্রমে। স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক জীবাণু নিয়ে কাজ করতে গিয়েই তিনি এমন এক ধরনের ছত্রাকের সন্ধান পান, যার জীবাণুনাশক ক্ষমতা রয়েছে। ছত্রাকটির নাম 'পেনিসিলিয়াম নোটেটাম'। ফ্লেমিং ছিলেন স্কটল্যান্ডনিবাসী চিকিৎসক ও জীবাণুতত্ত্ববিদ। তিনিই সর্বপ্রথম জীবাণুনাশক পেনিসিলিন আবিষ্কার করে খ্যাতিমান হয়ে আছেন। ১৯২৮ সালে তিনি আবিষ্কার করেন বিশেষ এক ধরনের ছত্রাকে জীবনরক্ষাকারী পেনিসিলিনের অস্তিত্ব। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন আকস্মিক এক ঘটনাক্রমে। স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক জীবাণু নিয়ে কাজ করতে গিয়েই তিনি এমন এক ধরনের ছত্রাকের সন্ধান পান, যার জীবাণুনাশক ক্ষমতা রয়েছে। ছত্রাকটির নাম পেনিসিলিয়াম নোটেটাম।

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং সর্বপ্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করলেও একে মানবদেহে ব্যবহারের উপযোগী অবস্থায় নিয়ে আসেন দু'জন বিজ্ঞানী- হাওয়ার্ড ফ্লোরি (১৮৯৮-১৯৬৮) ও আর্নস্ট চেইন (১৯০৬-১৯৭৯)। ১৯৩৮ সালে এরা পেনিসিলিনের নিষ্কাশন ও বিশুদ্ধকরণের কাজ সম্পন্ন করেন।
পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।

পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।




জ্ঞান 
চর্চার জন্য মানুষ চালিয়েছে তাদের আদম্য প্রচেষ্টা।
মক্তব  থেকে শুরুকরে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বানিয়েছেন।
কিন্তু সেই মহান ব্যাক্তিটি কে যে এই প্রচেষ্টায় সফল হয়েছেন।
আসুন একটু পিছনে ফিরে তাকাই,
(جامعة القرويين) পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় । এটি মরক্কের (Morocco) ফেজে অবস্থিথ । ফাতিমা আল ফিহরি নামে এক ধনি সম্ভ্রান্ত মহিলা ৮৫৯ সালে উচ্চশিক্ষায় বিশ্বের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি প্রদানকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। তৎকালীন সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হত।



শিক্ষাব্যবস্তাঃ প্রথম থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয় এ ধর্মীয় শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়া হতো যার প্রেক্ষিতে আরবি ব্যাকারন ,ভাষা বিজ্ঞান এবং ইসলামিক আইন সম্পর্কিত বিষয়ের উপর অধ্যয়নের সুযোগ ছিল। এছাড়াও ফার্সি ,ইংরেজি এবং বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়ে অধ্যয়ন করা যেত।
সব থেকে মজার বিষয় জেটা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান প্রক্রিয়া ছিল সনাতন পদ্ধতির শিক্ষার্থীদের উপবিত্তকার ভাবে বসে পাঠ নিতে হতো ।
Al-Qarawiyyin বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান শিক্ষার্থী: এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছে আধুনিক উচ্চশিক্ষার পদযাত্রা । এই পদ যাত্রার অগ্রপথিক যারা এখান থেকে অধ্যায়ন করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন আর নতুন প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন অক্রিত্তিম প্রেরনা, চলুন জেনে নি তাদের কয়েক জনের নাম।

১। গার্বার্ট অব অভার্গন -(পরবর্তীতে পোপ দ্বিতীয় সিলভেস্টার হন। বাকি ইউরোপে আরবি সংখ্যা পদ্ধতি ও শূণ্যের ধারণার প্রচলন ঘটনার জন্য তাকে কৃতিত্ব দেয়া হয়)
২। ইবনে খালদুন-( একজন আরব মুসলিম পন্ডিত। আধুনিক সমাজবিজ্ঞান,ইতিহাস ও অর্থনীতির জনকদের মধ্যে তাকে অন্যতম বিবেচনা করা হয়।)
৩। মাইমনিদেয়াস -(বিখ্যাত ইহুদি দার্শনিক)।
৪।মুহাম্মাদ আল-ইদ্রিস (বিখ্যাত ভূগোলবিদ)।
৫। জাঁকব গলিউস –( বিখ্যাত গণিতবিদ)।
এছাড়াও , Muhammad Taqi-ud-Din al-Hilali, Abdullah al-Ghumari, Imam al-Bannani, Leo Africanus, Nicolas Cleynaerts, Abd el-Krim el-Khattabi, Allal al-Fassi এর নাম উল্লেখযোগ্য ।
প্রযুক্তির ১ম ব্যাবহার যিনি করেন।

প্রযুক্তির ১ম ব্যাবহার যিনি করেন।



এখন যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন। কিন্তু এর সূচনা হয়েছে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থার ধারণার মাধ্যমে। বর্তমানে বিজ্ঞান অনেকাংশই ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বা তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। ইন্টারনেট, মোবাইল, জিপিএস, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, ওয়াইম্যাঙ্ এসবই তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থার একেকটি রূপ যা ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি কল্পনাও করা যায় না। আর এসবের শুরুটা হয়েছিল রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে। রেডিও ওয়েভ হলো আলোকরশ্মি, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি, অতিবেগুনি রশ্মি, ইনফ্রারেড রশ্মি এবং এঙ্-রে রশ্মিরই আরেকটি রূপ। ১৮৮৮ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিক হার্টজ প্রথম রেডিওওয়েভ আবিষ্কার করেন এবং প্রমাণ করেন, এই ওয়েভ আলোর গতিতে চলে। পরবর্তীতে ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ার মার্কোনি হার্টজের গবেষণাকে তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করেন। ১৮৯৪ সালে হার্টজের গবেষণা সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা লাভ করে মার্কোনি এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও সম্ভাবনা উপলব্ধি করেন। ১৮৯৫ সালের শেষ দিকে মার্কোনি একটি ট্রান্সমিটার ও রিসিভার আবিষ্কার করেন যা ২.৫ কিলোমিটার বা ১.৫ মাইল পর্যন্ত রেডিও সিগন্যাল পাঠাতে সক্ষম হয়। এরপর ১৯০১ সালে তিনি এর একটি উন্নত সংস্করণ তৈরি করেন যা গোটা আটলান্টিক মহাসাগরেই সিগন্যাল পাঠাতে পারত। এই রেডিও সিগন্যালের তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই ১৯২৮ সালে টেলিভিশন রিসিভার আবিষ্কার করা হয়। দ্রুত যোগাযোগের জন্য তাই এই আবিষ্কার ছিল অনন্য।
বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ইতিহাস

বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ইতিহাস

আজকের আধুনিক সভ্যতা বিদ্যুৎ ছাড়া কল্পনা করা যায় না। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পুরোপুরি নির্ভর করে বিদ্যুতের ওপর। তাই শুধু গত সহস্র বছরেরই নয়, বিদ্যুৎ নিঃসন্দেহে ইতিহাসের সর্বকালের সেরা আবিষ্কার। বিদ্যুতের মাধ্যমে পরবর্তীতে যেসব যন্ত্র আবিষ্কৃত হয় তার সবকটিই ইতিহাসের অন্যতম সেরা আবিষ্কার। বিদ্যুৎ আবিষ্কারে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন থমাস আলভা এডিসন তার বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারের মধ্য দিয়েই বিদ্যুতের আবিষ্কার। ১৮৮২ সালে এডিসনই প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্টেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তবে বিদ্যুতের ওপর গবেষণা শুরু হয় ১৬ শতকের দিকে। ১৮ শতকের মাঝামাঝি আমেরিকান বিজ্ঞানী বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন প্রথম বিদ্যুতের ওপর ব্যবহারিক গবেষণা শুরু করেন। কিন্তু এসময় নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যেত না। শুধু সাময়িক সময়ের জন্যই বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যেত। ১৮৪০ সালে আবিষ্কৃত টেলিগ্রাফও ব্যাটারির মাধ্যমে চালানো হতো। এরই মাঝে ফ্যারাডের একটি আবিষ্কারের সূত্র ধরেই ১৮৩১ সালে ডায়নামো আবিষ্কার করা হয়। বিদ্যুৎ আবিষ্কারর পর সভ্যতা এগিয়ে যাওয়ার সব সরঞ্জাম হাতের নাগালে পায়। পৃথিবীর সব প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পেছনেই এক নম্বর অবস্থানে আছে বিদ্যুৎ। তাই বিদ্যুৎকে বলা হয় আধুনিক পৃথিবীর সেরা আবিষ্কার।