Showing posts with label Health & Wealth. Show all posts
Showing posts with label Health & Wealth. Show all posts

অল্প সময়েই ক্যান্সার সারাবে যে ফল!

 দূরারোগ্য ক্যান্সার প্রতিরোধে ওষুধ বের করার জন্য প্রাণান্তর চেষ্টা করছেন গবেষকরা। তবে এবার খুব সহজেরই এক ফলের সন্ধান পাওয়া গেছে যেটি খুব অল্প সময়ে ক্যান্সার সারাবে!
ক্যান্সারকে আমরা দূরারোগ্য ও ভয়ংকর রোগ হিসেবে জানি। কারণ এমন এক সময় ছিল যখন এই ক্যান্সার মানেই অবধারিত মৃত্যু ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবর্তন ঘটছে। এখন এর চিকিৎসাও হচ্ছে। চিকিৎসা করে অনেক ক্যান্সার রোগি মোটামুটিভাবে সুস্থ্য জীবন-যাপন করছেন। এসব কিছুই হয়েছে বিজ্ঞানের দৌলতে। তাই বলা যায় এখন সেই খারাপ সময় কেটে গেছে। তবুও ক্যান্সার নিয়ে মানুষের এখনও রয়েছে ভয়ের অনেক কারণ।
সাম্প্রতিক সময়ে ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিস্কার হয়েছে। সঠিক সময় চিকিৎসা করে করে ক্যান্সারের হাত থেকেও বেঁচে ফিরেছেন অনেক মানুষ।
দিনকে দিন বিজ্ঞান আরও উন্নত হচ্ছে। নানা গবেষণা করে উদ্ভাবন করা হচ্ছে কঠিন রোগের ওষুধ। ইতিমধ্যে একদল বিজ্ঞানী শোনালেন আরও এক চমকপ্রদ তথ্য। তারা দাবি করেছেন, তারা এমন একটি ফল আবিস্কার করেছেন, যা ক্যান্সার সারিয়ে দিতে সক্ষম!
ব্রিসবেনের মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষ হতে বলা হয়, এক ধরণের ফল ‘রেইন ফরেস্ট বেরি’ মাথা ও গলার টিউমার সারিয়ে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, সেইসঙ্গে মাত্র কয়েক মিনিটে মেলানোমাও সারিয়ে দিতে পারে এই আজব ফল।
গবেষকরা বলেছেন, এটি শুধু ধারণা নয়, পরীক্ষার মাধ্যমেও প্রমাণিত হয়েছে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এই ফলের বীজ বিড়াল, কুকুর, ঘোড়ার শরীরে হওয়া টিউমার সারিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, একটি কুকুরের শরীরে হওয়া টিউমারের ওপর এই ফল হতে তৈরি ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করার ৫ মিনিটের মধ্যে সেটি কাজ করতে শুরু করে দেয়। এরপর মাত্র একদিনের মধ্যে কুকুরটি সুস্থ্য হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সারানোর আশ্চর্যজনক এই ফলটি পাওয়া যায় একমাত্র উত্তর কুইন্সল্যান্ডে।

সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিমের কুসুম!

আমরা ডিম সিদ্ধ হোক আর পোসই হোক খাওয়ার সময় ডিমের কুসুমটি আগে খেয়ে থাকি। কারণ কুসুমই সবচেয়ে বেশি মজা। কিন্তু গবেষকরা বলেছেন, সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিমের কুসুম!
আমরা সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে সেদ্ধ ডিম কিংবা ডিম পোস খেয়ে অভ্যস্ত। বিশেষ করে ডিমের কুসুম আমরা চেটেপুটে খেয়ে থাকি। কিন্তু এবার কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে যে, ধূমপান করার থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিম খাওয়া, আরও বেশি ক্ষতিকারক ডিমের কুসুম।
আনন্দবাজার পত্রিকার এ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি ১২০০ জন নারী-পুরুষকে নিয়ে সমীক্ষা করেন। ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সেদ্ধ ডিম খাওয়াতে তাদের শরীরে ‘ক্যারোটিড আর্টারি স্টেনোসিস’ তৈরি হয়েছে। এতে করে ব্রেন স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি থাকে।
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোশিয়েসনের কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক জর্ডন তোমাসেলি বলেছেন, অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার পর ক্যারোটিড প্লেক যতোটা তৈরি হয় ধূমপান করলেও ঠিক সেই পরিমাণ প্লেক তৈরি হয় ধমনীতে। এতে রক্তচাপ প্রচুর বাড়ে। এমনকি ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।
এতোকিছু শোনার পরও অনেকেরেই ব্রেকফাস্ট টেবিলে সেদ্ধ ডিম চাই। তাহলে কীভাবে খাবেন সেদ্ধ ডিম? সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান বাতলে দিয়েছেন চিকিৎসক জর্ডন তোমাসেলি।
তিনি বলেছেন, আমাদের শরীরে প্রতিদিন ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল প্রয়োজন পড়ে। সেখানে একটি সেদ্ধ ডিমে কুসুমে কোলেস্টেরল থাকে ১৮৫ মিলিগ্রাম। শুধুসেদ্ধ ডিমই নয়, সারাদিন আমরা কোলেস্টেরল, প্রোটিন জাতীয় অনেক খাদ্য খেয়ে থাকি। এতে করে প্রতিদিন ৩০০ মিলিগ্রামের অনেক বেশি কোলেস্টেরল আমাদের শরীরে জমা হয়।
গবেষক জর্ডনের পরামর্শ, ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে যদি সাদা অংশ খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে পরিমাণ মতো কোলেস্টেরল, ভিটামিন ই পৌঁছাবে। এক কথায় বললে, অতিরিক্ত ডিমের কুসুম খাওয়ার কারণে শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রাতিরিক্ত বাড়তে পারে। তাই হিসেব করে ডিম খেতে হবে। তা না হলে ভালোর থেকে খারাপই বেশি হবে।

সূর্যালোক ব্যবহারে বিশুদ্ধ হবে পানি

একটি নতুন জাপানি প্রযুক্তির সাহায্যে সূর্যালোক এবং ফটোক্যাটালিস্টস ব্যবহার করে দূষিত পানি বিশুদ্ধিকরণ পরীক্ষা চালু হচ্ছে ভারতে।
‘ফটোক্যাটালাইটিক ওয়াটার পিউরিফিকেশন টেকনোলজি’ নামক নতুন সিস্টেমের রয়েছে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড(TiO2) আবদ্ধ করার ক্ষমতা এবং ফটোক্যাটালিস্ট অতিবেগুনি রশ্মির অধীন ক্ষীণভাবে প্রতিক্রিয়া করে। টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডের অসুবিধা হল যে এটি একবার জলে মিশে গেলে সংগ্রহ করা কঠিন হয়।
এই সমস্যা সমাধানে এই প্রযুক্তির নির্মাতা জাপানি কোম্পানি প্যানাসনিক ফটোক্যাটালিস্টের উভয় দিকে সক্রিয় সাইট বজায় রাখার জন্য একটি উপায় খুঁজে পেয়েছে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডকে অন্য একটি কণা জিওলাইটের সাথে মিশ্রনের মধ্য দিয়ে।
যেহেতু দুটি কণা ইলেকট্রস্ট্যাটিক বল দ্বারা একসঙ্গে আবদ্ধ করা হয় তাই এই পদ্ধতিতে কোন দপ্তরী রাসায়নিকতার প্রয়োজন হয়না। যখনই ফটোক্যাটালাইটিক কণা নাড়া হয় তখন টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড জিওলাইট থেকে মুক্ত এবং জলে বিচ্ছুরিত হয়, যা টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড সমস্যা সমাধানের জন্য অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে অনেক দ্রুত গতির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
প্যানাসনিক জানায় স্বল্প খরচে নির্মিত এই প্রযুক্তির উদ্দেশ্য হল ভারত ও এশিয়ার অন্যান্য দরিদ্র দেশগুলোতে পানি দূষণে মৃত্যুর হার হ্রাস করা।

১০ বছর আয়ু বাড়িয়ে দেবে এমন এক ওষুধ আবিষ্কার!

১০ বছর আয়ু বাড়িয়ে দেবে এমন এক ওষুধ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা ! বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার চেষ্টায় এই সাফল্যে বিজ্ঞান আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক দাবি করে বলেছেন, নতুন একটি ওষুধ মানুষের আয়ু প্রায় ১০ বছর বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার চেষ্টায় এই সাফল্যে বিজ্ঞান আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
গবেষণায় দেখা যায় যে, জিএসকে-থ্রি নামে এক প্রোটিনের অণুগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে সংক্ষিপ্ত করে দেয়। এতে করে সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারলেই জীবনকাল বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলের মাছির শরীরেও নাকি জিএসকে-থ্রি প্রোটিন থাকে। এদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় যে, লিথিয়াম প্রয়োগের মাধ্যমে ওই প্রোটিনের কার্যক্রম ব্যাহত করা সম্ভব। এতে করে ওই প্রাণীটির আয়ু ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল), ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজি অব অ্যাজিং ও ইউরোপিয়ান মলিকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরির যৌথ এই গবেষণার সূত্র ধরে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে, লিথিয়াম কিংবা সমজাতীয় অন্য কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে কম হলে সেগুলো মানুষের আয়ু বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করা যাবে। সেইসঙ্গে ওই প্রোটিন অণু সম্পর্কে আরও বিশদ ধারণা অর্জন করতে পারলে প্রবীণদের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ (যেমন আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ইত্যাদি) নিরাময়ের চেষ্টায়ও সাফল্যের সুযোগ থাকবে।
এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনটি সেল রিপোর্টস সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।
ওই রিপোর্টের প্রধান লেখক জর্জ ইভান ক্যাস্টিলো-কুয়ান বলেন, জিএসকে-থ্রি নিয়ে তাঁরা অনেক আশাবাদী। মধ্যবয়সে এটি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর চিকিৎসা শুরু করা গেলে প্রবীণদের অনেক রোগের চিকিৎসার সঙ্গে সঙ্গে জীবনকে দীর্ঘ করার সম্ভাবনা ঢেড় রয়েছে। যদিও জীবনকাল বৃদ্ধি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। তবে সুস্থভাবে বাঁচতে না পারলে জীবনকে দীর্ঘায়িত করার সুফল কখনও মিলবে না। লিথিয়ামজাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করে আলঝেইমার রোগটি শুরু হওয়ার বয়স ৭৫ হতে ৯০ বছরে নেওয়া সম্ভব হলে অবশ্যই সেটি খুব ভালো হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

রাত জেগে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করবেন কিভাবে?

বর্তমানে বিনা কারণে রাত জেগে থাকা (staying up all night)অনেকের কাছে একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অনেকেই আছেন যারা রাত জেগে থাকেন এবং ভোর বেলা বা সকালে ঘুমান।
রাত জাগা অত্যন্ত বাজে অভ্যাস। কোন কাজ যা করা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং আগামীকাল কাল করা সম্ভব নয় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছাড়া রাত জাগা অত্যন্ত বাজে অভ্যাস। শুধু রাতেই করা যায় এবং দিনে করা অসম্ভব এমন কাজ নিশ্চয়ই প্রতিদিন আমাদের থাকেনা।
আপনি কেন রাতে ঘুমাবেন? (proper sleep at night)
আমাদের শরীর এবং মনের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য রাতের ঘুম প্রয়োজন। ফেসবুক ব্যবহার করা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, মুভি দেখা কিংবা যেকোনো কাজ যা রাতে না করে দিনেও করা যায় ইত্যাদি কাজের জন্য যদি আপনি রাত জেগে থাকেন তবে আপনার রাত জাগার কুফল সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
নিয়মিত রাত জেগে শরীর ও মনের ক্ষতি করার ফলাফল খুবই খারাপ কারণ দিনে ঘুমিয়ে রাতের ঘুম পূরণ করা কঠিন কাজ। গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে যে ঘুমের অভাবের কারণে বিষণ্ণতা, মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, দিনের বেলা ঘুম আসা এবং সহজেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া,সহজে রেগে যাওয়া এমনকি আত্মহত্যার ইচ্ছা জাগার মতো সমস্যা ইত্যাদি দেখা যেতে পারে। মনে রাখুন প্রথমে আপনার শরীর তারপর আপনার কাজ।
কিভাবে রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করবেন?
তারিখ নির্বাচন করুন- কবে থেকে আপনি রাত জাগার অভ্যাস পরিবরতন করতে চান তা নির্ধারণ করুন এবং সম্ভব হলে আপনার আশপাশের মানুষদেরকেও জানিয়ে রাখুন।প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে উঠুন - প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে গেলে এবং ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করলে আপনার জন্য রাতে ঘুমাতে যাওয়া সহজ হয়ে যাবে।ঘুমানোর আগে যা যা করবেন- ঘুমানোর কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে পিসি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করা বন্ধ করুন এবং টিভি বন্ধ করে দিন। ঘুমানোর আগে নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে রাতের গুরুত্ব কত বেশি। বিকালের পর কোন ধরনের চা বা কফি খাবেন না। ঘুমানোর আধা ঘণ্টা পূর্বে সম্ভব হলে এক গ্লাস মৃদু উষ্ণ দুধ পান করুন। ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন।
যদি ঘুম না আসে তাহলে কি করবো?
গভীর নিঃশ্বাস নিন- ঘুমানোর জন্য শোবার পর চোখ বন্ধ করুন এবার নাক দিয়ে গভীর ভাবে আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস নিন এরপর ২-৩ সেকেন্ড নিঃশ্বাস আটকে রাখুন এবার মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে ছেড়েদিন এবং আবার প্রথম থেকে শুরু করুন। এভাবে কমপক্ষে ৫-১০ মিনিট করুন অথবা ঘুম আসার পূর্ব পর্যন্ত করতে থাকুন।ধারাবাহিক ভাবে পেশী শিথিল করুন- শুয়ে থাকা অবস্থায় পা থেকে মুখের পেশী পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রত্যেকটি পেশীকে টান টান করে সামান্য কিছুক্ষণ ধরে রাখুন এবং ছেড়ে দিয়ে পেশীকে সম্পূর্ণ শিথিল হয়ে যেতে দিন।পুরো প্রক্রিয়া একবার শেষ করে আবার প্রথম থেকে শুরু করুন। এভাবে করতে থাকুন ঘুম আসার পূর্ব পর্যন্ত।তবে পেশি শিথিল করার সময় তাড়াহুড়া করবেন না।গণনা পদ্ধতি- ২০০ থেকে ০ শুণ্য পর্যন্ত গননা করুন। প্রত্যেক গণনার মাঝে ২-৩ সেকেন্ড বিরতি রাখুন এবং বিরতির মাঝে মনে মনে ধীরে ধীরে নিজেকে বলুন “আরাম আরাম” অথবা “ঘুম ঘুম”। পেশীগুলোকে ছেড়ে দিন এবং শিথিল হতে দিন।পুরো প্রক্রিয়া প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত করে আবার শুরু করুন ঘুম না আসা পর্যন্ত।
এই পদ্ধতিগুলো একটির পর একটি করা যেতে পারে অথবা যেকোনো একটি করা যেতে পারে। তবে কোন পদ্ধতি টি প্রয়োগ করে আপনি ভালো ফলাফল পান তা জানার জন্য সব গুলো পদ্ধতি একবার হলেও প্রয়োগ করে দেখুন।
এই লিখাটি আপনাদের ভালো লেগেছে তা আমি জানতে পারলে আশা করছি ঘুমানোর সমস্যা সমাধানের জন্য বিস্তারিত একটি লিখা পরবর্তীতে লিখবো। আপনারা সবসময় ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন এই কামনা করছি।

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষন সমূহ

প্রতিটি নারীর কাছেই খুশির সংবাদ হল সন্তানের মা হওয়া। গর্ভধারণের  প্রক্রিয়াটি শুরু হয় আপনার গর্ভে ভ্রুনের জন্মের মধ্য দিয়ে। আর আপনি আসলেই সন্তানসম্ভবা হয়েছেন কিনা তা ঘরে বা ক্লিনিকে pregnancy test kit দিয়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে নিয়মিত মাসিক বন্ধ হওয়ার পর আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু আপনার শরীর তার আগে থেকেই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে জানিয়ে দিবে যে আপনি মা হতে চলেছেন। চলুন তাহলে এই লক্ষন গুলো কি কি তা জেনে নেয়া যাক –
ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া :
যাদের নিয়মিত মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারনের সর্বপ্রথম চিহ্ন মাসিক বন্ধ হওয়া। মাঝে মধ্যে গর্ভবতী হলেও মাসিকের সময় সামান্য রক্তক্ষরণ হতে পারে। সবচেয়ে প্রচলিত ও তাৎপর্যপূর্ণ লক্ষণ হলো মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া। তবে কোনো কোনো গর্ভবতী নারীর পিরিয়ড থাকতে পারে তবে তা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক হাল্কা মাত্রার ও কম সময়ের জন্য। কোনো নারীর যদি আগে থেকেই অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে তবে গর্ভধারণের এ লক্ষণটি তার ক্ষেত্রে একটু সমস্যার সৃষ্টি করবে। ঠিক কবে থেকে মাসিক বন্ধ হলো তা সনাক্তকরণ একটু কঠিনই হবে।
খাবারের প্রতি অনীহা :
সবচেয়ে কমন একটি লক্ষন। আগে ভাল লাগত এমন খাবার বিস্বাদ লাগে আর নতুন নতুন খাবার খেতে ইচ্ছে করে। আবার অনেকের মুখে তামাটে স্বাদ লাগে।
তলপেট ফাপা :
এটিও হয় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে। মাসিক শুরু হওয়ার আগেও একি রকম লক্ষন দেখা দেয়।
ঘন ঘন প্রস্রাব :
গর্ভধারণের পর হরমোনের পরিবর্তনের কারনে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনির ব্লাডার দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহের মাঝেই এই লক্ষন প্রকাশ পায়। গর্ভাবস্থার পরবর্তী মাস গুলোতে এর মাত্রা আরও বাড়তে পারে।
ক্লান্তি/অবসাদ :
প্রজেস্টেরনের বৃদ্ধির কারনে এই সময়ে অল্পতেই ক্লান্ত অনুভব করতে পারেন। গর্ভকালীন সময়ে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) এবং রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারনেও অবসাদ গ্রস্ততা বেড়ে যায়।
স্তন স্ফীত হওয়া ও সংবেদনশীলতা বেড়ে যাওয়া :
মাসিকের সময়েও এই অসস্তিকর লক্ষন গুলো দেখা যায়, তবে গর্ভকালীন সময়ে এর তীব্রতা অনেক বেশী হয়। শরীরে হরমোনের পরিবিরতনের কারনে এমনটি হয়। গর্ভধারণের পরবর্তী মাসগুলোতে শরীর যখন ধীরে ধীরে হরমোনের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয় তখন এই অসস্তিকর অনুভুতি কমে যায়।
বমির ভাব :
কনসিভ করার ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর থেকে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) দেখা দেয়। বমি বমি ভাব শুধু সকালেই নয় এমনকি দুপুরে ও রাতেও অনুভুথতে পাজায়। সাধারনত গর্ভধারণের ১২-১৬ সপ্তাহ পরে বমির ভাব অনেকটাই কমে যায়।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

ঘরে বসে তৈরি করুন স্বাস্থ্য সম্মত পিজ্জা।

পিজ্জা দেখতে যেমন ভিন্নধর্মী, খেতেও তেমনি দারুণ সুস্বাদু। আর সঠিক রেসিপি জানলে তৈরি করা কোন বিষয়ই না। জেনে নিন ফারহানা রহমানের এই দারুণ রেসিপি।
পিজ্জার খামির এর উপকরণ :
২কাপ ময়দা, ১ চা চামচ ঈস্ট, হাফ কাপ দুধ, ১টেবিল চামচ চিনি, হাফ চা চামচ লবণ, ৪ টেবিল চামচ তেল , খামির নরম করার জন্য আরো খানিকটা কুসুম গরম দুধ (যদি লাগে)
টপিং- এর উপকরণ :
বিভিন্ন রং এর ক্যাপ্সিকাম (আপনি চাইলে যে কোনো সবজি দিতে পারেন), ১ টি ছোট পেঁয়াজ, রান্না করা মুরগির মাংসের ছোট ছোট টুকরো অথবা কিমা/সসেজ (এতে সময় বাঁচে), ঝুরি করা মোজ্জারেলা চীজ, ১ টেবিল চামচ শুখনো অরিগানো, একটু গোলমরিচের গুঁড়ো।
পিজ্জা সসের উপকরণ :
২টি পাকা টমেটো কুঁচি (উপরের পাতলা আবরণটি তুলে ফেলতে হবে), ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুঁচি ,১ চা চামচ রসুন কুঁচি , লবণ স্বাদ মত, হাফ চা চামচ গোলমরিচ এর গুঁড়ো , হাফ চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো, হাফ চা চামচ অরিগানো ,২ টেবিল চামচ তেল , দেড় চা চামচ চিনি
প্রস্তুত প্রণালি :
– প্রথমেই খামির করে নিন। দুধ গরম করে চিনি মিশিয়ে নিন। আঙুল ডুবানো যায় এমন গরম থাকতে ঈস্ট গুলিয়ে দিন। এভাবে ৫ মিনিট ঢেকে রাখুন। ৫ মিনিট পর ময়দা মিশিয়ে দিন। অতিরিক্ত দুধ কুসুম গরম করে খামিরে ব্যবহার করুন। খামির খুবই নরম করতে হবে। নইলে পিজ্জা শক্ত হবে। লবন মেশান। তেল দিয়ে মিশিয়ে গোল বল বানিয়ে একটি বড় বাটিতে ২ ঘন্টা ঢেকে রাখুন। বাটিটি গরম কোনো জায়গাতে রেখে দিন।
– এবার সস বানিয়ে নিন। পেঁয়াজ, রসুন তেলে ভেজে কুচি করা টমাটো দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ ভেজে চিনি বাদে সব উপকরণ এবং একটু পানি দিয়ে ঢেকে দিন। চামচ দিয়ে চেপে চেপে টমাটো গলিয়ে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে আসলে চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন।
– টপিং এর জন্য ক্যাপ্সিকাম ও পেঁয়াজ কুচি করে রেখে দিন।
– ২ ঘন্টা পর পিজ্জার খামির ফুলে উঠবে। হাত দিয়ে চেপে বাতাস বের করে দিয়ে খামিরকে ৫ ভাগে ভাগ করুন। হাত দিয়ে টেনে টেনে প্রত্যেকটি ভাগ দিয়ে ছোট ছোট মোটা রুটি করুন। এবার টমাটো সস মাখিয়ে দিন রুটির উপরে। চীজ বিছিয়ে দিন। ক্যাপ্সিকাম,মুরগির টুকরো ও পেয়াজ কুচি ছরিয়ে দিন। এর উপর আরো একটু চীজ ছড়িয়ে দিয়ে অরিগানো এবং গোলমরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন।
– প্রিহিটেট ইলেক্টিক ওভেনে ১৯০-২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১৫-২০ মিনিট বেক করুন। হয়ে গেলে ৫ মিনিট রেখে দিন পিজ্জা সেট হওয়ার জন্য। ব্যাস, তৈরি আপনার পিজ্জা ।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24