Showing posts with label life style. Show all posts
Showing posts with label life style. Show all posts

বমির সমস্যা দূর করার ৩টি ঘরোয়া পদ্ধতি

বমি করা আমাদের অনেকেরই খুব সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। কেউ নিশ্চয়ই ইচ্ছা করে বমি করেন না। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বেশি খেলে, প্রেগনেন্সির সময়, ফুড পয়জন, বেশি মাত্রায় পানি খাওয়া কিংবা ড্রিংক করা, পাকস্থলীর কোন সমস্যা এবং বিভিন্ন ধরণের ইনফেকশন ইত্যাদি কারণে আমরা বমি করে থাকি। বমি জিনিসটা মুহূর্তেই দেহের অবস্থা খুব বেশি খারাপ করে দেয়। তাই এই সমস্যায় জেনে রাখুন কিছু ঘরোয়া সমাধান।
দুধ –
দুধ খেলেও বমি সমস্যা রোধ করা যায় তবে শুধু দুধ খাওয়া যাবেনা।
১। একগ্লাস দুধের সাথে যেকোন ধরণের নোনতা বিস্কিট খেতে পারেন।
২। একগ্লাস দুধ গরম করে একটি পাত্রে নিয়ে নিন তাতে বাটার মাখান টোস্ট বিস্কিট দিয়ে দিন। তারপর বিস্কিট কিছুটা নরম হয়ে এলে তা ধীরে ধীরে খেয়ে নিন।
দারুচিনি –
দারুচিনি বমি সমস্যা রোধ করার জন্য দারুচিনি খুব কাজে লাগে। কিন্তু প্রেগনেন্ট মহিলাদের জন্য দারুচিনি দিয়ে বমি বন্ধ করার এই উপায়টি ঠিক নয়।
১। এক কাপ ফুটানো গরম পানিতে হাফ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন বা আস্ত দারুচিনি টুকরো দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে তারপর পান করে ফেলুন।
২। চাইলে দারুচিনি ও পানির মিশ্রনে সামান্য মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।
৩। বমি সমস্যা চলাকালীন সময়ে এই পানীয় টি অন্তত ২/৩ বার পান করুন।
পুদিনা পাতা –
পুদিনাপাতাও বমি সমস্যা রোধ করে থাকে।
১। গরমপানি ফুটিয়ে তাতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে দিন। তারপর ১ ঘণ্টার মতো রেখে দিন, ১ ঘণ্টা পার হয়ে গেলে পান করে ফেলুন।
২। বমি সমস্যা রোধ করতে আপনি শুধু পুদিনা পাতাও চিবিয়ে খেতে পারেন।
৩। লেবুর রস ও পুদিনা পাতার রস মিশিয়ে খেয়ে নিন বমি সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

নিজের বয়স ১০ বছর কমিয়ে ফেলুন

বয়স যখন চল্লিশের কোঠা পার হয়, তখন অনেকেই নিজেকে আয়নায় দেখে বছর দশেক আগেকার কথা ভাবতে থাকেন। নিজের কল্পনায় নিজের ফেলে আসা দিনগুলোকে দেখতে থাকেন। কিন্তু কেমন হয় যদি চল্লিশের কোঠা পার হয়েও নিজের মধ্যে সেই ত্রিশের লুকটা ধরে রাখতে পারেন? অবশ্যই ভালো লাগবে। ভাবছেন কীভাবে করবেন এই অসম্ভবকে সম্ভব? তাহলে মেনে চলুন এই ৫ টি ধাপ।
লো ফ্যাট ডায়েটের কথা ভুলে যান –
নিজের শরীরটাকে ফিট রাখতে অনেকেই বেশ অল্প বয়স থেকেই সব কিছুতে লো ফ্যাট খুঁজে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি চল্লিশের পরও নিজের চেহারায় ত্রিশের লুক ধরে রাখতে চান তবে এই লো ফ্যাট ডায়েটের কথা একেবারেই ভুলে যেতে হবে। কিছুটা ফ্যাট আমাদের দেহের ক্ষতি নয় বরং উপকারেই আসে। ফ্যাট আমাদের দেহের পাওয়ার হরমোনগুলোকে রেগুলেট করে। এবং আমাদের ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।
একই গতিতে শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন –
নিয়মিত ব্যায়াম দেহকে ফিট রাখতে সহায়তা করে। কিন্তু আপনি যদি প্রতিদিন বছরের পর বছরে গৎবাঁধা নিয়মে শারীরিক ব্যায়াম করেই যেতে থাকেন তাহলে তা কিন্তু আপনার দেহ ও ত্বকের ওপর বেশ বড় প্রভাব ফেলবে। মাঝে মাঝে দেহকে কিছুদিনের বিশ্রাম দেয়া এবং বয়সের সাথে সাথে ব্যায়ামের নিয়মাবলী পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ আপনি যেমনটি ৩০ বছর বয়সে করেছেন তা আপনি ৪০ পেরিয়ে করতে পারবেন না। এতে দেহে চাপ পড়বে।
‘বয়স হয়ে গিয়েছে’ কথাটি বলবেন না –
বয়স হয়েছে বলে আপনি ত্বকের যত্ন করবেন না, আগের মতো পরিশ্রম ও ব্যায়াম করবেন না। এই ধরণের কাজ থেকে দূরে থাকুন। সবকিছুর দোষ নিজের বয়সের কাঁধে চাপিয়ে দেবেন না। মনের ভেতর ইচ্ছেশক্তি জাগিয়ে তুলুন। দেহ ও ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করুন।
পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করুন-
দেহে পানিশূন্যতা বাসা বাধতে দেবেন না। পানি আপনার দেহ, ত্বক ও দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্য বিশেষভাবে জরুরী। পানিশূন্যতার ফলে ত্বকের নিষ্প্রাণ ভাব চলে আসে, কিডনির ক্ষতি হয়, দেহে ভর করে দুর্বলতা এবং সেই সাথে মনে চলে আসে বার্ধক্য। নিয়মতি দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান দেহকে রাখে টক্সিনমুক্ত, সুস্থ ও সবল এবং ধরে রাখে তারুণ্য।
ব্যায়াম করা কমিয়ে ফেলুন –
শারীরিক ব্যায়াম আমাদের ফিট রাখে ঠিকই কিন্তু অতিরিক্ত শারীরিক ব্যায়ামের কারণে দেহের মাংশ পেশি ও হাড়ের দুর্বলতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এবং ত্বকের ওপরেও পড়ে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব। অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। তাই শারীরিক ব্যায়াম কম করে সঠিক নিয়মে করুন।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

সুন্দর হতে ব্যবহার করুণ মসুর ডাল

আপনারা হয়তো জানেন যে সুন্দর, মসৃণ, মোলায়েম ও উজ্জ্বল ত্বক পাবার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে রান্না ঘরের সাধারণ মসুর ডাল। আসুন, জেনে নিই মসুর ডাল দিয়ে রুপচর্চা করার নানা পদ্ধতি।
মুখের কালচে ভাব দূর করতে –
মসুর ডালকে রাতে দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলায় ডালটা পিষে মুখে লাগান। রোজ যদি মুখে এই প্যাকটা লাগান আপনার চেহারায় কালো ভাবটা দূর হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন, ডালটা রোজ তাজা তাজা পিষতে হবে আর কাঁচা দুধ ব্যবহার করবেন।
ত্বক সতেজ করতে –
মসুরির ডাল পিষে তার মধ্যে মধু এবং দই মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর হালকা ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বক সতেজ হবে।
মুখে বা পিঠের দাগ দূর করতে –
যদি মুখে বা পিঠে দাগ হয়, তাহলে মসুরির ডালের সাথে পোলাও চাল মিশিয়ে পেস্ট করুন। এর সাথে চন্দন পাউডার, মুলতানী মাটি, কমলা লেবুর শুকনো গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন। ৪ চামচ শশার রসও দিন। মুখে এবং শরীরের নানা স্থানে ঐ পেস্টটা লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার পরে ধুয়ে ফেলুন।
হাতের কনুইর রুক্ষভাব কমাতে এবং কালো দাগ দূর করতে –
দুধে মসুর ডাল ভিজিয়ে বাটুন। মসুর ডাল বাটা, হলুদ বাটা, পালংশাক বাটা, টমেটোর রস, সূর্যমুখীর তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কনুইয়ে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
রোদে পোড়া দাগ দূর করতে –
রোদেপোড়া দাগ কমাতে মসুর ডালবাটা, কাঁচা হলুদবাটা ও মধু একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান।
বলিরেখা দূর করতে –
বলিরেখা দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে মসুর ডাল বাটা দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে অবশ্যই দারুন উপকার পাবেন।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

ত্বকের নানা সমস্যার সমাধানে চা

চা পান করতে তো অনেকেই ভালোবাসেন। প্রাচীন চীনে চা ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। স্বাস্থ্যরক্ষায় তো বটেই, রূপচর্চাতেও চায়ের জুড়ি নেই। জেনে ত্বকের কিছু সমস্যা সমাধানে চায়ের ব্যবহার।
সানবার্ন ও সানট্যানের সমস্যায় –
সানবার্ন বা সানট্যান দূর করতে চা খুবই কার্যকর। গ্রিন বা ব্ল্যাক যেকোনো ধরনের টি ব্যাগ গরম পানিতে কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে রোদে পোড়া জায়গার ওপর রেখে কিছুক্ষণ চাপ দিন। নিয়মিত করলে ত্বকের কালো ছোপ দাগ কয়েকদিনের মধ্যে দূর হয়ে যাবে।
ত্বকের ক্লান্তি দূর করতে –
দিনভর ছুটোছুটির পর বিকেল বা সন্ধ্যায় কোথাও বেড়াতে যাবেন, দেখলেন ত্বক খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে। এদিকে হাতে সময়ও খুব কম! এমন অবস্থায় গ্রিন টি ব্যাগ গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। কয়েক মিনিট পর টি ব্যাগ তুলে ঠাণ্ডা হতে দিন। ঠাণ্ডা টি ব্যাগ মুখে ও গলায় ভালো করে ঘষুন। নিমেষেই ক্লান্তি কেটে যাবে।
চোখের যত্নে –
চোখের ফোলা ভাব হোক বা চোখের ক্লান্তি কাটাতে গ্রিন টি দারুণ কার্যকর। গরম পানিতে টি ব্যাগ কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা হলে ব্যবহার করুন। চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়ুন। টি ব্যাগ দু চোখের পাতার ওপর রেখে বিশ মিনিট শুয়ে বিশ্রাম নিন। চোখের ক্লান্তি তো কেটে যাবেই, সঙ্গে তরতাজাও লাগবে। নিয়মিত করলে চোখের ফোলা ভাব অনেকটাই কমে যাবে।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

স্তন সুগঠিত রাখার ৬টি ব্যায়াম

স্তন – হাত, পায়ের মতোই একটি সাধারণ অঙ্গ। তবে স্তনকে ঘিরে রয়েছে নানান ভ্রান্ত ধারণা। যেমন, স্তনের আকার বৃদ্ধি নিয়ে। যদিও কোনোরকম ব্যায়াম স্তনের আয়তন বা আকৃতি পাল্টাতে পারে না, তবুও কিছু ব্যায়ামের সাহায্যে স্তনকে আরো দৃঢ় এবং পূর্ণস্ফীত করা যায়। স্তনের তলায় অবস্থিত পেক্টোরাল (পাঁজর সংলগ্ন) মাংস পেশিটিকে সবলতর করলে, এই অঙ্গটিকে অনেক বেশি স্ফীত করা যায়। ব্যায়াম আরম্ভ করার আগে দেহভঙ্গির ব্যাপারে সচেতন হোন। সামনে ঝুঁকে দাঁড়ালে স্তনের আকার শিথিল হয়ে যেতে পারে। পিঠ সোজা করে দাঁড়ান, বুক চিতিয়ে শুরু করুন ব্যায়াম।
১. আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাত দুটিকে সামনে ছড়িয়ে দিন এমনভাবে যাতে হাত দুটি একে অপরের চেয়ে ১০ সেমি দূরে থাকে। এবার হাত দুটি ওঠানামা করুন – যেন সাঁতার কাটছেন। এবাবে ১০ বার করুন।
২. এবার হাত দুটি বুকের কাছে এনে একসঙ্গে মুঠো করুন এবং একে অপরের দিকে চাপ দিন। মনে মনে ৫ গুনুন। তারপর ছেড়ে দিন। এভাবে ১০ বার করবেন।
৩. হাত দুটি বুকের কাছে এনে একটি হাত দিয়ে অপরটি ধরুন। এবার দুটি হাত দু দিকে টানুন। ৫ গুনুন। এভাবে ১০ বার করুন।
৪. হাত দুটি কাঁধ বরাবর দু দিকে ছড়িয়ে দিন। হাতের তালু দুটি নিচের দিকে রাখুন। এবার হাত দুটি কাঁধ বরাবর রেখে সামনে পিছনে করুন ২০ বার। এভাবে ১০ বার করুন।
৫. একবারে সোজা হয়ে দাঁড়ান। কান বরাবর হাত দুটি উপরে তুলুন। এবার হাত দুটি দিয়ে একটি ডাম্বেল ধরুন এবং কনুই ভাঁজ করে হাত দুটি পিছনে নামান, যাতে ডাম্বেলটি আপনার পিঠে স্পর্শ করে। এভাবে ১০ বার করুন।
৬. একটি বেঞ্চের উপর শুয়ে পড়ুন। পা দুটো ঝুলিয়ে দিন। দুটি হাতে দুটি ডাম্বেল নিন। হাত দুটি আস্তে আস্তে মাথার উপর তুলে পেটের কাছে নামিয়ে আনুন। আবার ধীরে ধীরে হাত তুলে মাথার উপর দিয়ে নিয়ে পিছনে ঝুলিয়ে দিন। এভাবে ১০ বার করুন।
তথ্যসূত্র: ডা. সমীরা সাহা, সানন্দা
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

হালকা কুসুম গরম পানি পানের ১০টি উপকারিতা

আমরা সবাই জানি পানির অপর নাম জীবন। তবে ঠান্ডা পানি পান করার চাইতে হালকা কুসুম গরম পানি পান করার উপকারিতা অনেক বেশি। হালকা গরম পানি শরীরের জন্য অনেক দিক দিয়ে উপকার করে। গরম পানির এমন ১০টি উপকারিতা নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।
১. ওজন কমবে –
গরম পানি শরীরের বিপাক ক্রিয়া খুব ভালভাবে সম্পন্ন করে। যার ফলে বাড়তি মেদ কমবে। তবে আরো বেশি কাজ দিবে যদি সকালে খালি পেটে গরম পানির সাথে লেবু মিশ্রিত করে পান করেন। এটা বডি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করবে।
২. গলা ও নাসারন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে –
ঠাণ্ডা লাগা, কফ জমে যাওয়া এবং গলা ব্যাথায় গরম পানি খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটা কফ তরল করে বের করে দেয়। গলা ব্যথা কমায়। এছাড়া নাসারন্দ্রের পথ পরিষ্কার রাখে।
৩. মাসিক বাধা দূর করে –
গরম পানি মেয়েদের মাসিকের সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। এটা পেটের পেশীকে শান্ত ও কোমল করে। যার ফলে মাসিকের সমস্যা দূর হয়।
৪. শরীরের বর্জ্য বের করে দেয় –
গরম পানি ( warm water ) পান করলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম ঝরবে। ঘামের সাথেই শরীরের অনেক ধরনের বর্জ্য বের হয়ে যাবে। এতে শরীর সুস্থ্য থাকবে।
৫. অকালে বয়সের ছাপ দূর করবে –
শরীরের বর্জ্য বের হতে না পারলে ত্বকের কোষ নষ্ট হয়। ফলে অকালে বয়সের ছাপ পড়ে। গরম পানি এই নষ্ট কোষগুলোকে ঠিক করে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। ফলে ত্বক কোমল হয় এবং বয়সের ছাপ দূর হয়।
৬. ব্রণ ও ফুস্কুড়ি দূর করে –
গরম পানি বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখে। এতে ব্রণ ও ফুস্কুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা কমে। তাই যারা ব্রণের সমস্যায় কাতর, তাদের উচিত গরম পানি পান করা।
৭. চুলের স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তি –
গরম পানি চুলের গোড়ায় থাকা স্নায়ু কার্যকর করে চুল শক্ত করে। ফলে চুল নরম ও উজ্জ্বল থাকে। এটি ফিরে পায় স্বাভাবিক জীবনীশক্তি।
৮. চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে –
চুলের গোড়ার স্নায়ু সক্রিয় থাকায় চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। গরম পানি প্রতিদিনকার কার্যক্রম চালু রেখে চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।
৯. রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে নার্ভতন্ত্র সক্রিয় রাখে –
গরম পানি পানের আরেকটি উপকারিতা হল এটা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে পেশী ও স্নায়ু সক্রিয় থাকে। পাশাপাশি বাড়তি চর্বি ভেঙ্গে ফেলায় এগুলো যথেষ্ট উন্নত হয়।
১০. হজম ভাল হয় –
খাদ্য গ্রহণের পর ঠাণ্ডা পানি পান করলে খাদ্যের সাথে থাকা চর্বিগুলো জমিয়ে ফেলে। এতে পাকস্থলীর গাত্রে চর্বির স্তর জমতে থাকে। যা শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু গরম পানি তার উল্টোটা করে। এটা চর্বি ভেঙ্গে তা হজম বা নিঃসরণে সহায়তা করে। ফলে হজম প্রক্রিয়া ভাল হয়।
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24