Showing posts with label Islamic Knowledge. Show all posts
Showing posts with label Islamic Knowledge. Show all posts

যাকাত বিষয়ক

০১. প্রশ্নঃ কত হিজরীতে যাকাত ফরয হয়? ২য়/ ৩য়/ ১ম হিজরীতে?
উত্তরঃ ২য় হিজরীতে।
০২. প্রশ্নঃ যাকাত ইসলামের কয় নম্বর স্তম্ভ?
উত্তরঃ ৩য়।
০৩. প্রশ্নঃ কোন ধরণের পশুতে যাকাত দিতে হয়?
উত্তরঃ যা বছরের অধিকাংশ সময় মাঠে চরে খায়।
০৪. প্রশ্নঃ গরু সর্বনিম্ন কতটি হলে যাকাত ফরয হবে?
উত্তরঃ ৩০টি হলে পূর্ণ ১ বছরের ১টি গরু দিতে হবে।
০৫. প্রশ্নঃ ছাগল সর্বনিম্ন কতটি হলে যাকাত ফরয হবে?
উত্তরঃ ৪০টি হলে ১টি ছাগল যাকাত দিতে হবে।
০৬. প্রশ্নঃ উট সর্বনিম্ন কতটি হলে যাকাত ফরয হবে?
উত্তরঃ ৫টি থাকলে একটি ছাগল যাকাত হিসেবে দিবে।
০৭. প্রশ্নঃ যাবতীয় সম্পদে যাকাত ফরয হওয়ার সময় কখন?
উত্তরঃ নেসাব পূর্ণ হওয়ার পর তাতে এক বছর অতিবাহিত হলে।
০৮. প্রশ্নঃ যমীন থেকে উৎপাদিত কোন্‌ ধরণের ফসলে যাকাত দিতে হয়?
উত্তরঃ যে সমস্ত ফসল রবি শষ্য বলে গণ্য এবং যা দীর্ঘ মেয়াদের জন্য গুদামজাত করা যায় তাতে যাকাত ফরয।
০৯. প্রশ্নঃ শাক-সব্জিতে যাকাতের পরিমাণ কি?
উত্তরঃ শাক-সব্জিতে কোন যাকাত নেই।
১০. প্রশ্নঃ যমীন থেকে উৎপাদিত ফসলে যাকাতের নেসাব কি?
উত্তরঃ ৩০০ সা তথা ৬২০ কে.জি।
১১. প্রশ্নঃ যমীন থেকে উৎপাদিত ফসল যদি বৃষ্টির পানিতে হয়, তবে তাতে যাকাতের পরিমাণ কত?
উত্তরঃ উশর তথা দশভাগের একভাগ।
১২. প্রশ্নঃ যমীন থেকে উৎপাদিত ফসল যদি সেচের পানিতে হয়, তবে তাতে যাকাতের পরিমাণ কত?
উত্তরঃ নেছফুল উশর (তথা বিশভাগের এক ভাগ)।
১৩. প্রশ্নঃ যাকাতের জন্য স্বর্ণের নেসাব কি?
উত্তরঃ বিশ মিছকাল তথা ৮৫ গ্রাম।
১৪. প্রশ্নঃ যাকাতের জন্য রৌপ্যের নেসাব কি?
উত্তরঃ ১৪০ মিছকাল তথা ৫৯৫ গ্রাম।
১৫. প্রশ্নঃ স্বর্ণ-রোপ্যে যাকাতের পরিমাণ কত?
উত্তরঃ ৪০ ভাগের একভাগ তথা ২.৫% (আড়াই শতাংশ)
১৬. প্রশ্নঃ টাকাতে যাকাতে পরিমাণ কত?
উত্তরঃ স্বর্ণ বা রৌপ্যের নেসাব পরিমাণ টাকা থাকলে তাতে ২.৫০% হারে যাকাত দিতে হবে।
১৭. প্রশ্নঃ মুসলমানদের উপর ফিৎরা আদায় করাঃ ফরয/ সুন্নাত/ কোনটাই নয়?
উত্তরঃ ফরয।
১৮. প্রশ্নঃ ফিৎরা কখন আদায় করা উত্তম?
উত্তরঃ ঈদের চাঁদ উঠার পর।
১৯. প্রশ্নঃ ফিৎরা আদায় করার শেষ সময় কখন?
উত্তরঃ ঈদের নামায শুরু হওয়ার পূর্বে।
২০. প্রশ্নঃ ফিৎরার পরিমাণ কত?
উত্তরঃ এক সা পরিমাণ খাদ্য।
২১. প্রশ্নঃ কয় শ্রেণীর মানুষকে যাকাত দেয়া যায়?
উত্তরঃ ৮ শ্রেণীর মানুষকে।
২২. প্রশ্নঃ যাকাতের হকদার কারা?
উত্তরঃ যাকাতের হকদ্বারগণ হলোঃ
১) ফক্বীর
২) মিসকীন
৩) যাকাত আদায়কারী কর্মচারী
৪) ইসলামের প্রতি বিধর্মীদিগকে আকৃষ্ট করা
৫) দাসমুক্ত করা
৬) ঋণগ্রস্থ
৭) আল্লাহর পথে
৮) বিপদ গ্রস্থ মুসাফির।
২৩. প্রশ্নঃ কোন অবস্থায় দান করা উত্তম- সুস্থ থাকাবস্থায় নাকি অসুস্থ হলে?
উত্তরঃ সুস্থ অবস্থায় দান করা উত্তম।
২৪. প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে দান করলে বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ রমজান মাসে।
২৫.প্রশ্নঃ কোন ধরণের দানে দ্বিগুণ ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ নিকটাত্মীয় গরীবকে দান করলে।

ঈমান ও আক্বীদা


০১. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌।
০২. প্রশ্নঃ আল্লাহর কতগুলো নাম রয়েছে?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলার নাম অসংখ্য-অগণিত।
০৩. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন?
উত্তরঃ সপ্তাকাশের উপর আরশে আযীমে। (সূরা ত্বহাঃ ৫)
০৪. প্রশ্নঃ আল্লাহর আরশ কোথায় আছে?
উত্তরঃ সাত আসমানের উপর।
০৫. প্রশ্নঃ আল্লাহ কি সর্বস্থানে বিরাজমান?
উত্তরঃ না। আল্লাহ্‌ সবজায়গায় বিরাজমান নন। তিনি সপ্তকাশের উপর সুমহান আরশে সমুন্নত। (সূরা ত্বাহাঃ ৫)
০৬. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাজ কি?
উত্তরঃ সৃষ্টি করা, রিযিক প্রদান, বৃষ্টি বর্ষণ, লালন-পালন করা, সাহায্য করা, জীবন-মৃত্যু প্রদান, পরিচালনা করা, সবকিছুর উপর কর্তৃত্ব করা, তত্বাবধান করা ইত্যাদি।
০৭. প্রশ্নঃ তাওহীদ কাকে বলে?
উত্তরঃ তাওহীদ অর্থ একত্ববাদ। পরিভাষায়ঃ ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহকে একক নির্দিষ্ট করার নাম তাওহীদ।
০৮. প্রশ্নঃ তাওহীদ কত প্রকার?
উত্তরঃ তাওহীদ ৩ প্রকার।
০৯. প্রশ্নঃ তিন প্রকার তাওহীদ কি কি?
উত্তরঃ 
(১) তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌ বা কর্ম ও পরিচালনার একত্ববাদ 
(২) তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌ বা দাসত্বের একত্ববাদ
(৩) তাওহীদে আসমা ওয়া ছিফাত বা নাম ও গুণাবলীর একত্ববাদ।
১০. প্রশ্নঃ তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌ কাকে বলে?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌ তাঁর কর্ম সমূহে একক- তাঁর কোন শরীক নেই, একথা মেনে নেয়ার নাম তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌
১১. প্রশ্নঃ তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌ কাকে বলে?
উত্তরঃ বান্দার ইবাদত-বন্দেগী ও দাসত্ব এককভাবে আল্লাহর জন্যে নির্দিষ্ট করার নাম তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌।
১২. প্রশ্নঃ তাওহীদে আসমা ওয়াস্‌ সিফাত কাকে বলে?
উত্তরঃ কুরআন ও হাদীসে আল্লাহর অনেক সুন্দর সুন্দর নাম ও গুণাবলী উল্লেখ রয়েছে, যা তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও পরিপূর্ণতার প্রমাণ বহন করে, সেগুলোকে কোন প্রকার ধরণ-গঠন নির্ধারণ না করে বা অস্বীকার না করে সেভাবেই মেনে নেয়ার নাম তাওহীদে আসমা ওয়াস্‌ সিফাত।
১৩. প্রশ্নঃ তাওহীদে রুবূবিয়্যাহ্‌র উদাহরণ কি?
উত্তরঃ সৃষ্টি করা, রিযিক দেয়া, বৃষ্টি দেয়া, লালন-পালন করা, সবকিছুর উপর কর্তৃত্ব করা, তত্বাবধান করা ইত্যাদি।
১৪. প্রশ্নঃ তাওহীদে উলূহিয়্যাহ্‌র উদাহরণ কি?
উত্তরঃ ঈমান, ভয়-ভীতি, আশা-আকাঙ্খা, ভালবাসা, দু’আ-প্রার্থনা, সাহায্য কামনা, উদ্ধার কামনা, রুকূ-সিজদা ইত্যাদি।
১৫. প্রশ্নঃ তাওহীদে আসমা ওয়া ছিফাতের উদাহরণ কি?
উত্তরঃ الرحمن আর্‌ রাহমান, السميع আস্‌ সামী’ (শ্রবণকারী) البصير আল বাছীর (মহাদ্রষ্টা), العلو আল ঊলু (সুউচ্চ) ইত্যাদি।
১৬. প্রশ্নঃ আল্লাহর ৯৯টি নাম মুখস- করার ফযীলত কি?
উত্তরঃ মুখস- করে আমল করলে বিনিময় জান্নাত।
১৭. প্রশ্নঃ ‘মুমিনের কলব আল্লাহর আরশ’ এটা কার কথা?
উত্তরঃ এটা মানুষের বানানো কথা। আল্লাহ বা রাসূলের কথা নয়। (জাল হাদীস)
১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহ কি নিরাকার?
উত্তরঃ না। কেননা তাঁর অসি-ত্ব ও সত্তা আছে। যার সত্তা ও অসি-ত্ব থাকে তাকে নিরাকার বলা যায় না।
১৯. প্রশ্নঃ “আল্লাহ সর্বস্থানে বিরাজমান নন, তিনি সপ্তকাশের উপর আরশে থাকেন।” একটি যুক্তি দিয়ে কথাটি বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ “আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন?” এ প্রশ্নটি ছোট্ট একটি শিশুকে জিজ্ঞেস করলে, তার নিষ্পাপ মুখ থেকে জবাব আসবে ‘তিনি উপরে বা আকাশে আছেন’- সে কখনোই বলবে না ‘আল্লাহ্‌ সবজায়গায় আছেন’।
২০. প্রশ্নঃ আল্লাহ যদি নিরাকার না হন, তবে তাঁকে কি দেখা সম্ভব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, তাঁকে দেখা সম্ভব। তবে এ দুনিয়ায় চর্ম চোখে সম্ভব নয়। আখেরাতে জান্নাতীগণ আল্লাহকে দেখবেন। (সূরা ক্বিয়ামাহ্‌: ২২-২৩, বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)
২১. প্রশ্নঃ ঈমান কাকে বলে?
উত্তরঃ ঈমান মানে বিশ্বাস। পরিভাষায়ঃ অন-রে বিশ্বাস, মুখে স্বীকার ও কর্মে বাস-বায়নকে ঈমান বলে।
২২. প্রশ্নঃ ঈমান কি কমে ও বাড়ে?
উত্তরঃ হ্যাঁ, ঈমান কমে ও বাড়ে।
২৩. প্রশ্নঃ কিভাবে ঈমান কমে বাড়ে?
উত্তরঃ সৎকাজের মাধ্যমে ঈমান বাড়ে, আর অসৎ কাজ করলে ঈমান কমে।
২৪. প্রশ্নঃ ঈমানের শাখা কতটি?
উত্তরঃ সত্তরের অধিক।
২৫. প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বোচ্চ স-র কি?
উত্তরঃ কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পাঠ করা।
২৬. প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বনিম্ন শাখা কি?
উত্তরঃ রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা।
২৭. প্রশ্নঃ ঈমানের স্তম্ভ কয়টি? কি কি?
উত্তরঃ ঈমানের স্তম্ভ ৬টি। সেগুলো হচ্ছেঃ 
(১) আল্লাহ 
(২) ফেরেশতাকুল
(৩) আসমানী কিতাব
(৪) নবী-রাসূল
(৫) শেষ দিবস ও
(৬) তক্বদীরের ভাল-মন্দের প্রতি ঈমান
২৮. প্রশ্নঃ ইসলাম কাকে বলে?
উত্তরঃ ইসলাম অর্থ, আত্মসমর্পন। পরিভাষায়ঃ তাওহীদ ও আনুগত্যের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পন করা এবং শির্ক ও মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা।
২৯. প্রশ্নঃ ইসলামের স্তম্ভ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ইসলামের স্তম্ভ ৫টি। সেগুলো হচ্ছেঃ 
(১) কালেমায়ে শাহাদাত উচ্চারণ করা,
(২) নামায প্রতিষ্ঠা করা,
(৩) যাকাত প্রদান করা 
(৪) রামাযান মাসে রোযা রাখা 
(৫) সামর্থ থাকলে আল্লাহর ঘরের হজ্জ আদায় করা।
৩০. প্রশ্নঃ আল্লাহর ফেরেশতাগণ কিসের তৈরী?
উত্তরঃ তাঁরা নূরের তৈরী।
৩১. প্রশ্নঃ ফেরেশতাদের সংখ্যা কত?
উত্তরঃ তাঁদের সংখ্যা কত তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
৩২. প্রশ্নঃ প্রধান চার ফেরেশতার নাম কি?
উত্তরঃ জিবরাঈল, ইসরাফীল, মীকাঈল ও মালাকুল মওত (আঃ)।
৩৩. প্রশ্নঃ ওহী নাযিল করার দায়িত্ব কোন ফেরেশতার ছিল?
উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ) এর।
৩৪. প্রশ্নঃ কোন ফেরেশতাকে সকল ফেরেশতার সরদার বলা হয়?
উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ) কে।
৩৫. প্রশ্নঃ ইসরাফীল (আঃ) এর দায়িত্ব কি?
উত্তরঃ আল্লাহর নির্দেশ ক্রমে শিংগায় ফুৎকার দেয়া।
৩৬. প্রশ্নঃ মীকাঈল ফেরেশতার কাজ কি?
উত্তরঃ তিনি বৃষ্টি বর্ষণ, উদ্ভিদ উৎপাদন প্রভৃতি কাজে নিয়োজিত।
৩৭. প্রশ্নঃ প্রাণীকুলের জান কবজের কাজে নিয়োজিত ফেরেশতার নাম কি?
উত্তরঃ মালাকুল মওত। (আজরাঈল নাম বিশুদ্ধ নয়)
৩৮. প্রশ্নঃ কোন ফেরেশতা কি মানুষের কল্যাণ-অকল্যাণ করতে পারে?
উত্তরঃ না, আল্লাহ্‌ ছাড়া কেউ কারো কোন কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক নয়- ফেরেশতা, জিন, মানুষ- নবী, ওলী কেউ না।
৩৯. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ আসমানী কিতাব কতখানা?
উত্তরঃ ৪ খানা।
৪০. প্রশ্নঃ কোন্‌ কিতাব কোন্‌ নবীর উপর নাযিল হয়েছে?
উত্তরঃ কুরআন- মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর, তাওরাত- মূসা (আঃ)এর উপর, ইঞ্জিল- ঈসা (আঃ) এর উপর এবং যাবূর- দাউদ (আঃ)এর উপর।
৪১. প্রশ্নঃ সর্বশেষ আসমানী কিতাবের নাম কি?
উত্তরঃ কুরআনুল কারীম।
৪২. প্রশ্নঃ কালেমা “লাইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এর অর্থ কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই।
৪৩. প্রশ্নঃ আল্লাহ্‌ আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন?
উত্তরঃ শুধু তাঁর ইবাদত করার জন্য। (সূরা যারিয়াত- ৫৬)
৪৪. প্রশ্নঃ মানুষ মৃত্যু বরণ করলে, কবরে তাকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে। সেগুলো কি কি?
উত্তরঃ প্রশ্ন করা হবে- 
তোমার রব কে?
তোমার নবী কে?
তোমার দ্বীন কি?
৪৫. প্রশ্নঃ ইবাদত কাকে বলে?
উত্তরঃ আল্লাহ পছন্দ করেন এমন প্রত্যেক গোপন ও প্রকাশ্য কথা ও কাজকে ইবাদত বলা হয়।
৪৬. প্রশ্নঃ ইবাদত কবূল হওয়ার শর্ত কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ইবাদত কবূল হওয়ার শর্ত দু’টিঃ
(১) ইবাদতটি একনিষ্টভাবে আল্লাহর জন্য করা
(২) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত মোতাবেক করা।
৪৭. প্রশ্নঃ সঠিক ইবাদতের মূল ভিত্তি কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ যে কোন ইবাদত সঠিক হওয়ার জন্য তিনটি মূল ভিত্তি রয়েছে।
(১) আল্লাহর প্রতি ভালবাসা,
(২) তাঁকে ভয় করা ও
(৩) তাঁর কাছে আশা-আকাংখা করা
৪৮. প্রশ্নঃ শির্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ ইবাদতের কোন একটি বিষয় আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে সম্পাদন করা।
৪৯. প্রশ্নঃ শির্ক কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ শির্ক দু’প্রকারঃ বড় শির্ক ও ছোট শির্ক।
৫০. প্রশ্নঃ বড় শির্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ আল্লাহর ইবাদতে অন্য কাউকে অংশী করাকে বড় শির্ক বলে।
৫১. প্রশ্নঃ বড় শির্কের উদাহরণ কি?
উত্তরঃ এর অনেক উদাহরণ রয়েছেঃ যেমনঃ আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করা, আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ডাকা, সাহায্য প্রার্থনা, স্থান কামনা করা, বিপদাপদে উদ্ধার কামনা করা, গাইরুল্লাহর উদ্দশ্যে কুরবানী করা, কবর-মাজারে নযর-মান্নত করা ইত্যাদি।
৫২. প্রশ্নঃ বড় শির্কের পরিণাম কি?
উত্তরঃ ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে এবং তওবা না করে মৃত্যু বরণ করলে, চিরকাল জাহান্নামের অধিবাসী হবে। (সূরা মায়েদাঃ ৭২)
৫৩. প্রশ্নঃ কোন্‌ পাপ নিয়ে তওবা ছাড়া মৃত্যু বরণ করলে চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে?
উত্তরঃ শির্ক।
৫৪. প্রশ্নঃ নবী-ওলীকে উসীলা করে দু’আ করার বিধান কি?
উত্তরঃ নবী, ওলী, ফেরেশতা বা যে কোন মানুষকে উসীলা করে দু’আ করা বড় শির্ক।
৫৫. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণ কি মোটেও আল্লাহকে বিশ্বাস করত না?
উত্তরঃ তারা তাওহীদে রুবুবিয়্যার প্রতি বিশ্বাস রাখত।
৫৬. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণ তাওহীদে রুবুবিয়্যার প্রতি বিশ্বাস রাখত, একথার প্রমাণ কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌ বলেন, “তাদের যদি জিজ্ঞেস কর যে, কে আসমান যমীন সৃষ্টি করেছে, তবে তারা জবাবে অবশ্যই বলবে, আল্লাহ্‌।” (সূরা লোকমান- ৩১)
৫৭. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণ কি কোনই ইবাদত করত না?
উত্তরঃ তারা বিভিন্নভাবে আল্লাহর ইবাদত করত। যেমন, তারা কা’বা ঘরের তওয়াফ করত। হজ্জ পালন করত ইত্যাদি।
৫৮. প্রশ্নঃ মক্কার কাফেরগণকে মুশরিক বলার কারণ কি?
উত্তরঃ কেননা তারা মুর্তি পুজা করত।
৫৯. প্রশ্নঃ তাদের মুর্তি পুজার ধরণ কিরূপ ছিল?
উত্তরঃ তারা মুর্তিগুলোকে আল্লাহর কাছে পৌঁছার মাধ্যম বা উসীলা মনে করত।
৬০. প্রশ্নঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে কাফেরদের অবস’া কেমন হত?
উত্তরঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে তারা শির্ক করত না। তখন তারা একনিষ্টভাবে আল্লাহকে ডাকত।
৬১. প্রশ্নঃ বর্তমান যুগে অনেক লোক বিপদ-মুসীবতে পড়লে কী করে থাকে?
উত্তরঃ এ অবস্থায় অনেক মানুষ শির্কে লিপ্ত হয়। মাজারে দরবারে ধর্ণা দেয়। পীরের দরগায় নযর-মান্নত করে থাকে। তাবীজ-কবচ ব্যবহার কও ইেত্যাদি।
৬২. প্রশ্নঃ নবী-রাসূলগণের দা’ওয়াতের মূল বক্তব্য কী ছিল?
উত্তরঃ “হে আমার সমপ্রদায়ের লোকেরা, তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের সত্য কোন মা’বূদ নেই।” (সূরা আ’রাফঃ ৫৯)
৬৩. প্রশ্নঃ ছোট শির্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সমস- কাজকে শরীয়তে শিরক নামে আখ্যা দেয়া হয়েছে, কিন’ উহা বড় শিরকের পর্যায়ভুক্ত নয়।
৬৪. প্রশ্নঃ ছোট শির্কের উদাহরণ কি?
উত্তরঃ মানুষকে দেখানো কিংবা প্রশংসা কুড়ানো কিংবা দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে ইবাদত করা, তাবিজ-কবচ ব্যবহার করা, আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করা, গণক-জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া ইত্যাদি।
৬৫. প্রশ্নঃ তাবিজ-কবচ ব্যবহার সম্পর্কে ইসলামের হুকুম কি?
উত্তরঃ এ কাজ ছোট শির্কের অন্তর্ভূক্ত। তবে এটাকেই ত্রাণকর্তা ও আরোগ্য দাতা বিশ্বাস করলে বড় শির্ক।
৬৬. প্রশ্নঃ ছোট শির্কে লিপ্ত হলে তার পরিণতি কি?
উত্তরঃ সে ইসলাম থেকে বের হবে না। তবে তার এই কাজ কাবীরা গুনাহের চাইতে বড় গুনাহ।
৬৭. প্রশ্নঃ পিতা-মাতা, স্থান, মসজিদ, কা’বা প্রভৃতির নামে শপথ করার হুকুম কি?
উত্তরঃ এরূপ শপথ বা কসম করা ছোট শির্কের অন-র্ভূক্ত।
৬৮. প্রশ্নঃ আব্দুর রাসূল (রাসূলের বান্দা), আবদুন্‌ নবী, গোলাম মোস্তফা, আব্দুল মুত্তালেব (মুত্তালেবের বান্দা) প্রভৃতি নাম রাখা কি?
উত্তরঃ এরূপ নাম রাখা ছোট শির্কের অন্তর্ভূক্ত।
৬৯. প্রশ্নঃ ইবাদতে ‘রিয়া’ বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ মানুষকে দেখানো বা তাদের প্রশংসা ও ভালবাসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন ইবাদত সম্পাদন করা।
৭০. প্রশ্নঃ গণক বা জ্যোতীষীদের কাছে যাওয়ার ক্ষতি কি?
উত্তরঃ তাদের কাছে গিয়ে কোন কিছু জিজ্ঞেস করলে ৪০দিনের নামায কবূল হবে না। (মুসলিম)
৭১. প্রশ্নঃ গণক বা জ্যোতীষীদের কথা বিশ্বাস করার পরিণাম কি?
উত্তরঃ তাদের কথা বিশ্বাস করলে নবী (সাঃ)এর নিকট প্রেরীত কুরআনের সাথে কুফরী করা হবে। (মুসলিম)
৭২. প্রশ্নঃ কোন মানুষ ভুলবশতঃ কুফরী কাজ করে ফেললে বা কথা বলে ফেললে তার কি হবে?
উত্তরঃ তার কোন গুনাহ হবে না। তবে তার ভুল শুধরে দিতে হবে।
৭৩. প্রশ্নঃ অসুখ-বিসুখ হলে ঝাড়-ফুঁক করার হুকুম কি?
উত্তরঃ কুরআনের আয়াত ও হাদীসের দু’আ পড়ে ঝাড়-ফুঁক করা জায়েয।
৭৪. প্রশ্নঃ কুরআনের আয়াত লিখে তাবিজ ব্যবহারের হুকুম কি?
উত্তরঃ নাজায়েয। কেননা এটা জায়েয হওয়ার পক্ষে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) বা সাহাবা-তাবেঈনের কারো থেকে কোন দলীল নেই। তাছাড়া কুরআনকে এভাবে ব্যবহার করলে, কুরআনের অবমাননা হয়।
৭৫. প্রশ্নঃ বিদআত কাকে বলে?
উত্তরঃ ছোয়াবের নিয়ত করে যে ইবাদত করা হয়; অথচ তার পক্ষে শরীয়তে দলীল পাওয়া যায় না, তাকেই বিদআত বলে।
৭৬. প্রশ্নঃ বর্তমানে প্রচলিত কিছু বিদআতের উদাহরণ কি?
উত্তরঃ নামাযে মুখে নিয়ত পাঠ, মীলাদুন্নবী উদযাপন, দলবদ্ধভাবে যিকির, কুলখানি, চল্লিশা, খতমে জালালী, খতমে ইউনুস, ফাতেহাখানি, জন্মবার্ষীকি, মৃত্যুবার্ষীকি, শবে বরাত উদযাপন ইত্যাদি।
৭৭. প্রশ্নঃ বিদআত দু’প্রকারঃ ভাল বিদআত ও মন্দ বিদআত। এ সম্পর্কে আপনার মত কি?
উত্তরঃ এরূপ ভাগ করার কোন দলীল নেই। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” (মুসলিম)
৭৮. প্রশ্নঃ সাইকেল, বাস, ট্রেন, প্লেনে চড়া, বিদ্যুৎ, মাইক ব্যবহার ইত্যাদি কি বিদআত নয়?
উত্তরঃ না, কেননা একাজগুলো ইবাদত মনে করে ছোয়াবের উদ্দেশ্যে করা হয় না। এগুলো দুনিয়াবী কাজ।
৭৯. প্রশ্নঃ জিন জাতি কিসের তৈরী ?
উত্তরঃ আগুনের তৈরী।
৮০. প্রশ্নঃ জিনদেরকে আল্লাহ্‌ কেন তৈরী করেছেন?
উত্তরঃ তাঁর ইবাদত করার জন্য। (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬)
৮১. প্রশ্নঃ জিনেরা কি মানুষের ভাল-মন্দ করতে পারে?
উত্তরঃ না, আল্লাহ্‌ ছাড়া কেউ কারো ভাল-মন্দ করতে পারে না।
৮২. প্রশ্নঃ জিনদের নিকট থেকে সাহায্য নেয়া জায়েয আছে কি?
উত্তরঃ না, তাদের থেকে কোন সাহায্য নেয়া জায়েয নেই।
৮৩. প্রশ্নঃ জিন তাবে করার হুকুম কি?
উত্তরঃ জিন তাবে করা জায়েয নেই।
৮৪. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম আল্লাহ্‌ তা’আলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম)এর নূর সৃষ্টি করেন, একথাটি কি ঠিক?
উত্তরঃ না, কেননা এ সম্পর্কে সহীহ্‌ কোন হাদীস নেই। জাল (বানোয়াট) হাদীসের ভিত্তিতে অনেকে একথাটি বলে থাকে।
৮৫. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি নূর থেকে সৃষ্টি?
উত্তরঃ না, আদম সন-ান যে উপাদানে সৃষ্টি, তিনিও সেই উপাদানে সৃষ্টি। (সূরা কাহাফঃ ১১০)
৮৬. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি গায়েব জানতেন?
উত্তরঃ না, তিনি কোন গায়েব জানতেন না। (সূরা আনআমঃ ৫০)
৮৭. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি জীবিত?
উত্তরঃ না, তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন। (সূরা যুমারঃ৩০)
৮৮ প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি হাযের-নাযের (অর্থাৎ সবখানে তিনি উপসি’ত হতে পারেন, এরূপ বিশ্বাস করা কি)?
উত্তরঃ না, তিনি হাযের-নাযের নন। এরূপ বিশ্বাস করা কুফরী।
৮৯. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি কারো উপকার-অপকারের ক্ষমতা রাখেন?
উত্তরঃ না। (সূরা জিনঃ ২১)
৯০. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্ম দিবস উপলক্ষে ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন করার হুকুম কি?
উত্তরঃ নাজায়েয, বিদআত।
৯১. প্রশ্নঃ কোন মুসলমানকে কাফের বলার পরিণতি কি?
উত্তরঃ ঐ ব্যক্তি কাফের না হলে, কথাটি যে বলেছে তার উপর পতিত হবে।
৯২. প্রশ্নঃ ফাসেক ব্যক্তির ইমামতিতে নামায পড়া জায়েয কি?
উত্তরঃ ফাসেককে ইমাম নিযুক্ত করা জায়েয নয়; তবে সে ইমাম হয়ে গেলে তার পিছনে নামায পড়া জায়েয।
৯৩. প্রশ্নঃ মুসলামনদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন কাফেরকে হত্যা করার হুকুম কি?
উত্তরঃ হারাম। এরকম কাফেরকে যে ব্যক্তি হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুঘ্রাণ পাবে না।
৯৪. প্রশ্নঃ হিন্দু, ইহুদী, খৃষ্টান প্রভৃতি কাফেরকে কেউ যদি কাফের না বলে, তাতে কোন ক্ষতি আছে কি?
উত্তরঃ তাদেরকে যে ব্যক্তি কাফের বিশ্বাস করবে না বা তাদেরকে কাফের বলতে দ্বিধা করবে, সে কাফের হয়ে যাবে।
৯৫. প্রশ্নঃ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কারা?
উত্তরঃ যারা আকীদা ও আমলের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরে থাকে এবং তার উপর ঐক্যবদ্ধ থাকে। আর সাহাবায়ে কেরাম তথা সালাফে সালেহীনের রীতি-নীতিকে অনুসরণ করে।
৯৬. প্রশ্নঃ ইসলাম বা তার কোন বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করলে, পরিণতি কি?
উত্তরঃ যে এরূপ করবে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
৯৭. প্রশ্নঃ বৈধ অসীলা কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ তিন প্রকারঃ (১) আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর অসীলা (২) নেক আমলের অসীলা (৩) সৎ ব্যক্তির দু’আর অসীলা।
৯৮. প্রশ্নঃ অবৈধ অসীলার উদাহরণ কি?
উত্তরঃ যেমনঃ নবী-রাসূল, ফেরেশতা, ওলী-আউলিয়া ইত্যাদির অসীলা করা। মৃত ব্যক্তির কাছে দু’আ চাওয়াও নিষিদ্ধ অসীলার অন-র্ভূক্ত।
৯৯. প্রশ্নঃ কবরে বা মাজারে বা কোন পীরের উদ্দেশ্যে মানত করার হুকুম কি?
উত্তরঃ শিরক

সিয়াম (রোজা) বিষয়ক



০১ .প্রশ্নঃ কত হিজরীতে সিয়াম ফরয হয়?
উত্তরঃ ২য় হিজরীতে।
০২ .প্রশ্নঃ সিয়াম ফরয হওয়ার কথা কুরআনের কোন সূরার কত নং আয়াতে উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ সূরা বাক্বারা ১৮৩ নং আয়াত।
০৩ .প্রশ্নঃ সিয়াম ইসলামের কত নম্বর স্তম্ভ?
উত্তরঃ চতুর্থ।
০৪ .প্রশ্নঃ কোন আমলের বিনিময়ে মানুষকে রাইয়্যান নামক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে?
উত্তরঃ সিয়াম।
০৫.প্রশ্নঃ রোযদারকে একটি বিশেষ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। দরজাটির নাম কি?
উত্তরঃ রাইয়্যান।
০৬ .প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়?
উত্তরঃ রামাযান মাসে।
০৭ .প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে জান্নাতের দরজা খোলা রাখা হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয়?
উত্তরঃ রামাযান মাসে।
০৮ .প্রশ্নঃ ফরয সিয়ামের জন্য কখন নিয়ত করতে হয়?
উত্তরঃ ফজরের পূর্বে।
০৯ .প্রশ্নঃ সিয়াম পালকারীর কখন সাহুর খাওয়া মুস্তাহাব?
উত্তরঃ শেষ রাতে।
১০.প্রশ্নঃ কোন বস্তু দিয়ে ইফতার করা সুন্নাত?
উত্তরঃ টাটকা খেজুর না পেলে যে কোন খেজুর, তা না পেলে পানি দ্বারা।
১১.প্রশ্নঃ রোযাদারের মেসওয়াক করার হুকুম কী?
উত্তরঃ সুন্নাত।
১২.প্রশ্নঃ সফর যদি আরাম দায়ক হয়- কষ্ট না হয়, তবে রোযা ভঙ্গের হুকুম কি?
উত্তরঃ রোযা ভঙ্গ করা জায়েয। তবে রাখা উত্তম।
১৩.প্রশ্নঃ নারীদের কোন্‌ অবস্থায় রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব?
উত্তরঃ ঋতু বা নেফাস হলে।
১৪ .প্রশ্নঃ বছরের কোন কোন দিন রোযা রাখা হারাম?
উত্তরঃ দু’ঈদের দিন এবং আইয়্যামে তাশরীক (জিলহজ্জ মাসের ১১, ১২, ১৩ তারিখ)।
১৫.প্রশ্নঃ কোন কাজ করলে রোযা ভঙ্গ হয় এবং কাফ্‌ফারা স্বরূপ দুমাস রোযা রাখতে হয় অথবা ৬০ মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করতে হয়?
উত্তরঃ রামাযানের রোযা রেখে স্ত্রী সহবাস করলে।
১৬.প্রশ্নঃ কোন অবস্থায় রামাযানের দিনে পানাহার করলেও রোযা ভঙ্গ হবে না?
উত্তরঃ ভুলক্রমে পানাহার করলে।
১৭.প্রশ্নঃ মাহে রামাযানের পর সর্বোত্তম নফল ছিয়াম কোনটি?
উত্তরঃ আশুরার রোযা।
১৮.প্রশ্নঃ আশুরার রোযা রাখার ফযীলত কি?
উত্তরঃ এর মাধ্যমে বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ হয়।
১৯.প্রশ্নঃ আশুরার রোযা কমপক্ষে কয়টি রাখা সুন্নাত?
উত্তরঃ ২টি, মুহাররমের ৯, ১০ অথবা ১০, ১১ তারিখ।
২০.প্রশ্নঃ কোন নবী সারা বছর একদিন রোযা রাখতেন একদিন ছাড়তেন?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)।
২১.প্রশ্নঃ কোন রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ শাওয়াল মাসের ৬টি রোযা।
২২.প্রশ্নঃ কোন্‌ রোযার বিনিময়ে বিগত এবং আগত দুবছরের গুনাহ মাফ হয়?
উত্তরঃ আরাফাত দিবসের রোযা।
২৩.প্রশ্নঃ আইয়্যামে বিযের রোযা কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩,১৪, ১৫ তারিখের রোযাকে।
২৪.প্রশ্নঃ সপ্তাহের কোন কোন দিন রোযা রাখা সুন্নাত?
উত্তরঃ সোমবার ও বৃহস্পতিবার।
২৫.প্রশ্নঃ সপ্তাহের কোন দিন এককভাবে নফল রোযা রাখা নাজায়েয?
উত্তরঃ শুক্রবার।
২৬.প্রশ্নঃ যে লোক নামায পড়ে না তার রোযার বিধান কী?
উত্তরঃ বাতিল, কেননা নামায ছাড়া রোযা জায়েয নয়।
২৭.প্রশ্নঃ লায়লাতুল কাদর কখন হয়?
উত্তরঃ রামাযানের শেষ দশকের যে কোন বেজোড় রাতে।
২৮.প্রশ্নঃ লায়লাতুল কাদরের ফযীলত কি?
উত্তরঃ এক রাতের ইবাদত এক হাজার মাস ইবাদতের চাইতে উত্তম।
২৯.প্রশ্নঃ তারাবীর নামায আদায় করার হুকুম কি?
উত্তরঃ সুন্নাতে মুআক্কাদাহ।
৩০. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লা আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতদিন তারাবীর নামায জামাতের সাথে আদায় করেছিলেন?
উত্তরঃ তিন দিন।
৩১.প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন দিন তারাবীর নামায জামাতে আদায় করার পর, আর কেন জামাতে আদায় করেন নি?
উত্তরঃ ফরয হয়ে যাওয়ার ভয়ে।
৩২ .প্রশ্নঃ কখন থেকে পুনরায় তারাবীর নামায জামাতের সাথে পড়া চালু হয়?
উত্তরঃ ওমর (রাঃ)এর খেলাফতকালে।
৩৩.প্রশ্নঃ তারাবীর নামায কয় রাকাত আদায় করা সুন্নাত?
উত্তরঃ বিতরসহ ১১ রাকাত।
৩৪.প্রশ্নঃ তারাবীর নামায বিশ রাকাত আদায় করার হুকুম কি?
উত্তরঃ জায়েয, তবে ১১ রাকাতই উত্তম।

পবিত্রতা ও সালাত



০১.  প্রশ্নঃ নামায বিশুদ্ধ হওয়ার পূর্বশর্ত কি?
উত্তরঃ পবিত্রতা।
০২। . প্রশ্নঃ ওযুর ফরয কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ওযুর ফরয ৬টি।
ক) সমস্ত মুখমন্ডল ধৌত করা।
খ) কুনুই পর্যন্ত দুহাত ধৌত করা।
গ) সম্পূর্ণ মাথা মাসেহ করা।
ঘ) টাখনুসহ দুপা ধৌত করা।
ঙ) তারতীব (ধারাবাহিকতা) রক্ষা করা।
ছ) পরষ্পর করা। (এক অঙ্গ না শুকাতে অন্য অঙ্গ ধৌত করা)
০৩. প্রশ্নঃ ওযুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কি তিনবার করে ধৌত করা ওয়াজিব?
উত্তরঃ না, বরং সুন্নাত।
০৪. প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি বলতে হয়?
উত্তরঃ বিসমিল্লাহ।
০৫.প্রশ্নঃ রাসূল (স.) বলেন, “ক্বিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের পরিচয় হচ্ছে, তাদের কপাল ও পদযুগল শুভ্র আলোকময় হবে।” কি কারণে তা হবে?
উত্তরঃ ওযুর কারণে
০৬. প্রশ্নঃ কোন সময় দুহাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা ওয়াজিব?
উত্তরঃ নিদ্রা থেকে উঠে পানির পাত্রে হাত প্রবেশ করানোর আগে।
০৭.প্রশ্নঃ টয়লেটে প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়ার আদব কি?
উত্তরঃ প্রথমে বাম পা তারপর ডান দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। বের হওয়ার সময় প্রথমে ডান পা তারপর বাম দিয়ে বের হবে।
০৮. প্রশ্নঃ ওযু নামায বা যে কোন ইবাদতের শুরুতে নাওয়াইতু.. বলে মুখে নিয়ত উচ্চারণ করার হুকুম কি?
উত্তরঃ নাজায়েয- বিদআত। (হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই)
০৯. প্রশ্নঃ কোনো পাত্রে কুকুরে মুখ দিলে কি করতে হবে?
উত্তরঃ পাত্রের বস্তু ফেলে দিয়ে উহা সাতবার ধৌত করতে হবে একবার মাটি দিয়ে।
১০. প্রশ্নঃ পেশাব-পায়খান করার সময় কিবলার দিকে মুখ করে বসার বিধান কি?
উত্তরঃ ফাঁকা মাঠে পেশাব-পায়খানা করলে কিবলা সামনে বা পিছনে রাখা জায়েয নয়।
১১. প্রশ্নঃ কোন দুটি কাজে মানুষের লানত পেতে হয়?
উত্তরঃ রাস্তা এবং ছায়াদ্বার বা ফলদ্বার বৃক্ষের নীচে পেশাব-পায়খানা করলে।
১২. প্রশ্নঃ পেশাব করার পর কুলুখ ধরে চল্লিশ কদম হাঁটার বিধান কি?
উত্তরঃ বিদআত। (হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই)
১৩. প্রশ্নঃ পবিত্রতার জন্য পানি ব্যবহার করার পূর্বে কি অবশ্যই কলুখ ব্যবহার করতে হবে?
উত্তরঃ আবশ্যক নয়। এটা বাড়াবাড়ি।
১৪. প্রশ্নঃ যদি সন্দেহ হয় যে পেশাব শেষ করার পরও যেন কিছু বের হচ্ছে। তখন কি করতে হবে?
উত্তরঃ সন্দেহের দিকে ভ্রুক্ষেপ করবে না। ওযু শেষ করে লজ্জাস্থানের সামনে পানির ছিটা দিবে।
১৫. প্রশ্নঃ কোন্‌ কোন্‌ বস্তু দ্বারা কলুখ নেয়া জায়েয নয়?
উত্তরঃ হাড়, গোবর, খাদ্য জাতীয় এবং প্রত্যেক সম্মানিত বস্তু।
১৬ প্রশ্নঃ ওযুতে তারতীব রক্ষা করার অর্থ কি?
উত্তরঃ এর অর্থ হচ্ছে, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অর্থাৎ- ওযুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেটা আগে ধোয়ার নিয়ম সেটার আগে অন্যটা না ধোয়া।
১৭ প্রশ্নঃ পরস্পর ওযু করার অর্থ কি?
উত্তরঃ এক অঙ্গ ধোয়ার পর পরবর্তী অঙ্গ ধৌত করতে এতটুকু দেরী না করা যাতে আগের অঙ্গ শুকিয়ে যায়।
১৮. প্রশ্নঃ ওযুতে ঘাড় মাসেহ করার বিধান কি?
উত্তরঃ বিদআত, কেননা এক্ষেত্রে কোন সহীহ হাদীস নেই।
১৯. প্রশ্নঃ কোন্‌ কোন্‌ কাজের জন্য ওযু আবশ্যক?
উত্তরঃ নামায, কাবা ঘরের তওয়াফ ও কুরআন স্পর্শ করার জন্য।
২০. প্রশ্নঃ মেসওয়াক ব্যবহার করার হুকুম কি?
উত্তরঃ সুন্নাত।
২১. প্রশ্নঃ মেসওয়াক ব্যবহার করার উপকারিতা কি?
উত্তরঃ মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং এতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।
২২. প্রশ্নঃ বিশেষভাবে কখন মেসওয়াক করা সুন্নাত?
উত্তরঃ ওযুর পূর্বে, নামাযের পূর্বে, কুরআন পাঠের পূর্বে, নিদ্রা থেকে উঠার পর।
২৩. প্রশ্নঃ রোযাদার কি মেসওয়াক করতে পারে?
উত্তরঃ রোযাদারের মেসওয়াক করা সুন্নাত।
২৪. প্রশ্নঃ নাক থেকে রক্ত বের হলে কি ওযু নষ্ট হবে?
উত্তরঃ না, ওযু নষ্ট হবে না।
২৫. প্রশ্নঃ শরীরের কোন স্থান কেটে অল্প/বেশী রক্ত বের হলে ওযু থাকবে কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ, এতে ওযু নষ্ট হয় না। কোন কোন ইমামের মতে অধিক রক্ত বের হলে ওযু নষ্ট হয়ে যায়।
২৬. প্রশ্নঃ ওযু ভঙ্গের কারণ কি?
উত্তরঃ পেশাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোন কিছু বের হওয়া, নিদ্রা প্রভৃতির মাধ্যমে অজ্ঞান হওয়া, কোন আড়াল ছাড়া লজ্জাস্থান স্পর্শ করা, উটের মাংশ খাওয়া।
২৭.প্রশ্নঃ কি খেলে ওযু নষ্ট হয়?
উত্তরঃ উটের মাংশ খেলে ওযু নষ্ট হয়।
২৮. প্রশ্নঃ বসে বসে নিদ্রা গেলে কি ওযু নষ্ট হয়?
উত্তরঃ না, বসে বসে কোন কিছুতে হেলান না দিয়ে নিদ্রা গেলে ওযু নষ্ট হয় না।
২৯. প্রশ্নঃ ওযুর প্রারম্ভে দুহাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা ওয়াজিব না সুন্নাত?
উত্তরঃ সুন্নাত।
৩০. প্রশ্নঃ পবিত্রাবস্থায় মোজা পরিধান করলে কি তার উপর মাসেহ করা যাবে?
উত্তরঃ হ্যাঁ কোন অসুবিধা নেই।
৩১. প্রশ্নঃ কোন্‌ ধরনের পবিত্রতায় মোজার উপর মাসেহ চলবে?
উত্তরঃ ছোট নাপাকী থেকে পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে।
৩২. প্রশ্নঃ মুক্বীম কতক্ষণ মোজার উপর মাসেহ করতে পারবে?
উত্তরঃ একদিন এক রাত বা ২৪ ঘন্টা।
৩৩. প্রশ্নঃ মুসাফির কতদিন মোজার উপর মাসেহ করতে পারবে?
উত্তরঃ তিনদিন তিন রাত বা ৭২ ঘন্টা।
৩৪. প্রশ্নঃ মোজার কোন্‌ স্থানে মাসেহ করতে হয়?
উত্তরঃ পায়ের উপর অংশ।
৩৫. প্রশ্নঃ মোজার উপর মাসেহ কখন বাতিল হয়?
উত্তরঃ (১) গোসল ফরয হওয়ার কারণ ঘটলে এবং (২) নির্দিষ্ট সময় শেষ হলে।
৩৬. প্রশ্নঃ গোসল ফরয হওয়ার দুটি কারণ বল?
উত্তরঃ বীর্যপাত হওয়া, স্ত্রী সহবাস করা।
৩৭. প্রশ্নঃ ফরয গোসল বিশুদ্ধ হওয়ার পূর্বশর্ত কি নিয়ত করা?
উত্তরঃ হ্যাঁ, যেহেতু ফরয গোসল একটি ইবাদত।
৩৮. প্রশ্নঃ ফরয গোসলের ক্ষেত্রে কোন বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বারোপ করতে হবে?
উত্তরঃ সমস্ত শরীর ভিজানো- কোন কিছু যেন শুকনা না থাকে।
৩৯ প্রশ্নঃ জুমআর দিন গোসল করা সুন্নাত না ওয়াজিব?
উত্তরঃ সুন্নাত।
৪০. প্রশ্নঃ ইহরামের পূর্বে গোসল করা ওয়াজিব। সত্য না মিথ্যা?
উত্তরঃ মিথ্যা, বরং সুন্নাত।
৪১. প্রশ্নঃ নাপাক ব্যক্তির উপর কোন কাজটি করা হারাম? নামায 5 খানাপিনা 5?
উত্তরঃ নামায
৪২. প্রশ্নঃ হায়েয-নেফাস শেষ হলে গোসল করা সুন্নাত। সত্য না মিথ্যা?
উত্তরঃ মিথ্যা, বরং তখন গোসল করা ফরয।
৪৩. প্রশ্নঃস্ত্রীসহবাস করার পর যদি বীর্যপাত না হয়, তবে করার বিধান কি?
উত্তরঃ গোসল করা ওয়াজিব।
৪৪. প্রশ্নঃ নাপাক ব্যক্তির উপর কি কি হারাম?
উত্তরঃ নামায, তওয়াফ, কুরআন স্পর্শ ও পাঠ করা, মসজিদে অবস্থান করা।
৪৫. প্রশ্নঃ কোন ধরণের শুকনো বস্তু দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যায়?
উত্তরঃ মাটি দ্বারা তায়াম্মুমের মাধ্যমে।
৪৬. প্রশ্নঃ তায়াম্মুম করে নামায পড়ার পর সময় পার হওয়ার আগেই যদি পানি পাওয়া যায়, তবে নামায কি ফিরিয়ে পড়তে হবে?
উত্তরঃ না, নামায ফিরিয়ে পড়তে হবে না।
৪৭.প্রশ্নঃ কোন ধরণের অসুস্থতায় তায়াম্মুম করতে পারবে?
উত্তরঃ পানি ব্যবহার করলে যদি অসুখ বেড়ে যায়, বা ভাল হতে দেরী হয়, তবে তায়ম্মুম করতে পারবে।
৪৮. প্রশ্নঃ কোন ধরণের নাপাকীতে তায়াম্মুম করতে পারবে?
উত্তরঃ ছোট-বড় সব ধরণের নাপাকীতে।
৪৯. প্রশ্নঃ সংক্ষেপে তায়াম্মুমের পদ্ধতি উল্লেখ কর?
উত্তরঃ দুহাতে পবিত্র মাটি নিয়ে, তাতে ফুঁ দিয়ে মুখমন্ডল ও দুহাতের কব্জি পর্যন্ত মাসেহ করবে।
৫০. প্রশ্নঃ তায়াম্মুমের জন্য কয়বার মাটি নিতে হবে?
উত্তরঃ একবার।
৫১. প্রশ্নঃ ঋতুবতী নারীর জন্য কি কি করা হারাম?
উত্তরঃ সহবাস, নামায, রোযা, তওয়াফ, কুরআন স্পর্শ করা, মসজিদে অবস্থান করা।
৫২. প্রশ্নঃ ঋতুবতী ছালাতের কাযা আদায় করবে না, কিন্তু রোযার কাযা আদায় করবে। সত্য না মিথ্যা?
উত্তরঃ সত্য।
৫৩. প্রশ্নঃ ছালাত শব্দের আভিধানিক অর্থ কি?
উত্তরঃ দুআ।
৫৪. প্রশ্নঃ মুসলমানদের উপর ছালাত কখন ফরয হয়?
উত্তরঃ মেরাজের রাতে।
৫৫. প্রশ্নঃ ছালাত ইসলামের কয় b¤^i স্তম্ভ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় স্তম্ভ।
৫৬. প্রশ্নঃ ঈমানের পর মুসলমানদের উপর সর্বপ্রথম কোন্‌ ইবাদত ফরয করা হয়?
উত্তরঃ সালাত।
৫৭. প্রশ্নঃ নবী (স.) মৃত্যুর পূর্বে সর্বশেষ কোন বিষয়ে নসীহত করেন?
উত্তরঃ সালাত এবং দাস-দাসী চাকর-চাকরানীদের সাথে সদ্ববহারের।
৫৮. প্রশ্নঃ মানুষ ক্বিয়ামতের মাঠে সর্বপ্রথম কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে?
উত্তরঃ ছালাত সম্পর্কে।
৫৯. প্রশ্নঃ মেরাজে প্রথমে কত ওয়াক্ত নামায ফরয করা হয়? অতঃপর কত ওয়াক্তে তা স্থির হয়?
উত্তরঃ প্রথমে ৫০ ওয়াক্ত। পরে পাঁচ ওয়াক্তে স্থির হয়েছে।
৬০. প্রশ্নঃ সন্তানের বয়স কত হলে তাকে নামাযের আদেশ দিতে হবে?
উত্তরঃ ৭ বছর হলে।
৬১. প্রশ্নঃ কোন্‌ ইবাদত পরিত্যাগ করলে কুফরী হয়?
উত্তরঃ ছালাত।
৬২. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কখন আযান প্রচলিত হয়?
উত্তরঃ প্রথম হিজরীতে।
৬৩. প্রশ্নঃ ক্বিয়ামতের দিন কোন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কাঁধ বিশিষ্ট হবে?
উত্তরঃ মুআয্‌যিন।
৬৪. প্রশ্নঃ যে ব্যক্তি বার বছর আযান দিবে তাকে কি পুরস্কার দেয়া হবে?
উত্তরঃ তাকে জান্নাতে দেয়া হবে।
৬৫. প্রশ্নঃ একজন মানুষ অজ্ঞতা বশতঃ কাপড়ে নাপাকী নিয়ে নামায আদায় করেছে। তাকে কি করতে হবে?
উত্তরঃ নামায ফিরিয়ে পড়তে হবে না।
৬৬.প্রশ্নঃ কোন কোন স্থানে নামায আদায় করা জায়েয নয়?
উত্তরঃ গোরস্থান, শৌচাগার, উট বাঁধার স্থান, ময়লাযুক্ত স্থান এবং রাস্তার মধ্যে।
৬৭. প্রশ্নঃ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নিয়ত কিভাবে করতে হবে?
উত্তরঃ প্রত্যেক নামাযের জন্য আলাদাভাবে অন্তরে নিয়ত করতে হবে। মুখে নিয়ত উচ্চারণ করা বিদআত।
৬৮ প্রশ্নঃ কোন্‌ ধরণের নামাযের জন্য ক্বিবলামুখী হওয়া শর্ত?
উত্তরঃ শুধুমাত্র ফরয নামাযের জন্য।
৬৯. প্রশ্নঃ কোন্‌ ধরণের নামায বিনা শর্তে আরোহীর উপর পড়া জায়েয?
উত্তরঃ সুন্নাত, নফল, বিতর ইত্যাদি।
৭০. প্রশ্নঃ কোন্‌ ধরণের নামায আরোহীর উপর ক্বিবলামুখী না হয়েও পড়া জায়েয?
উত্তরঃ সুন্নাত, নফল, বিতর ইত্যাদি।
৭১. প্রশ্নঃ ক্বিবলা অনুসন্ধান করে ব্যর্থ হয়ে অনুমান করে নামায আদায় করেছে। পরে জানতে পারল যে, ক্বিবলার দিকে সে নামায পড়েনি। তাকে কি করতে হবে?
উত্তরঃ নামায হয়ে যাবে, উহা ফিরিয়ে পড়তে হবে না।
৭২. প্রশ্নঃ নামাযে মহিলাদের সতর কতটুকু?
উত্তরঃ মুখমন্ডল এবং কব্জি পর্যন্ত দুহাত ব্যতীত সমস্ত শরীর আবৃত করা ফরয।
৭৩. প্রশ্নঃ নামায অবস্থায় কারো ওযু ভঙ্গ হয়ে গেলে কিভাবে বের হয়ে আসবে?
উত্তরঃ নিজের নাক ধরে বের হয়ে আসবে।
৭৪. প্রশ্নঃ রাসূল (স.) বলেন, “তার পানি পবিত্র এবং উহার মৃতপ্রাণী হালাল।” কোন্‌ পানি সম্পর্কে তিনি একথা বলেছেন?
উত্তরঃ সমুদ্রের পানি।
৭৫. প্রশ্নঃ কাফেরদের ব্যবহৃত পাত্র ব্যবহার করার হুকুম কি?
উত্তরঃ অন্য পাত্র না পেলে ভালভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে।
৭৬. প্রশ্নঃ রাসূল (স.) বলেন, “কোন পান পাত্রে মাছি পড়লে, তাকে ডুবিয়ে দিবে, তারপর মাছিটি ফেলে দিয়ে উক্ত পানীয় ব্যবহার করবে।” কেন তাকে ডুবাতে হবে?
উত্তরঃ কেননা মাছির এক ডানায় থাকে জীবানু আর অন্য ডানায় থাকে তার ঔষুধ।
৭৭. প্রশ্নঃ কোন কারণে সর্বাধিক কবরের আযাব হয়ে থাকে?
উত্তরঃ শরীরে পেশাবের ছিটা লাগার কারণে।
৭৮. প্রশ্নঃ নামায আদায়ের সর্বোত্তম সময় কোনটি?
উত্তরঃ প্রথম ওয়াক্ত। (সময় হওয়ার সাথে সাথে আদায় করা উত্তম।)
৭৯. প্রশ্নঃ কোন্‌ নামায আদায় করলে মানুষ আল্লাহর যিম্মাদারীর মধ্যে এসে যায়?
উত্তরঃ ফজরের নামায।
৮০. প্রশ্নঃ কোন নামায জামাতের সাথে আদায় করলে অর্ধেক রাত্রি নফল নামায পড়ার ছোয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ এশা নামায।
৮১. প্রশ্নঃ কোন নামায জামাতের সাথে আদায় করলে পূর্ণ রাত্রি নফল নামায পড়ার ছোয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ফজর নামায।
৮২. প্রশ্নঃ কোন দুরাকাত নামাযে একটি মাকবূল হজ্জ ও একটি মাকবূল উমরার ছোয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ফজরের নামায পড়েস্বীয় মুসল্লায় বসে থেকে সূর্য উঠার পর দুরাকাত নামায পড়লে।
৮৩. প্রশ্নঃ কোন নামায ছুটে গেলে মানুষ পরিবার-পরিজন ও ধন সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়?
উত্তরঃ আসরের নামায।
৮৪. প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “মানুষ যদি জানতো এই দুনামাযে কি পুরস্কার রয়েছে, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হত।” নামায দুটি কি কি?
উত্তরঃ এশা ও ফজর নামায।
৮৫. প্রশ্নঃ কোন দুটি নামায মুনাফেক্বদের উপর সবচেয়ে ভারী ও কষ্টকর?
উত্তরঃ এশা ও ফজর নামায।
৮৬. প্রশ্নঃ ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায কোনটি?
উত্তরঃ রাতের নফল (তাহাজ্জুদ) নামায।
৮৭.প্রশ্নঃ যে ব্যক্তি দিনে-রাতে ১২ রাকাত সুুন্নাত নামায নিয়োমিত আদায় করবে, তাকে কি পুরস্কার দেয়া হবে?
উত্তরঃ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করা হবে।
৮৮. প্রশ্নঃ জামাতের সাথে নামায পড়লে কতগুণ বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ২৫ গুণ বা ২৭ গুণ।
৮৯. প্রশ্নঃ সিজদার সময় কয়টি অঙ্গ মাটিতে রাখা আবশ্যক এবং তা কি কি?
উত্তরঃ ৭টি, (দুপা, দুহাঁটু, দুহাত এবং মুখমন্ডল তথা নাক ও কপাল)
৯০. প্রশ্নঃ সফর অবস্থায় কোন কোন নামায একত্রিত করা যায়?
উত্তরঃ যোহর-আছর একসাথে ও মাগরিব-এশা একসাথে।
৯১. প্রশ্নঃ ক্বিবলা পরিবর্তন হওয়ার পর মুসলমানগণ সর্বপ্রথম কোন নামায কাবার দিকে আদায় করেন?
উত্তরঃ আছরের নামায।
৯২. প্রশ্নঃ কোন নামাযে আযান নেই রুকূ নেই সিজদা নেই?
উত্তরঃ জানাযার নামায।
৯৩. প্রশ্নঃ কোন দুরাকাত সুন্নাত নামায সম্পর্কে নবী (স.) বলেন, “উহা দুনিয়া এবং উহার মধ্যস্থিত সকল বস্তু চাইতে উত্তম।”?
উত্তরঃ ফজরের দুরাকাত সুন্নাত।
৯৪. প্রশ্নঃ কোন নামাযে আযান নেই- আগে পরে কোন সুন্নাত নামায নেই?
উত্তরঃ দুঈদের নামায।
৯৫. প্রশ্নঃ ঈদের নামায কয় তাকবীরে আদায় করা সুন্নাত?
উত্তরঃ ১২ (বার) তাকবীরে।
৯৬. প্রশ্নঃ নামাযে কোথায় হাত বাঁধা সুন্নাত?
উত্তরঃ বুকের উপর।
৯৭. প্রশ্নঃ নামাযে কখন কখন রফউল ইয়াদায়ন (দুহাত উত্তোলন) করা সুন্নাত?
উত্তরঃ (১) তাকবীরে তাহরিমা বলার সময় (২) রুকূ করার সময় (৩) রুকূ থেকে উঠার সময় এবং (৪) দুরাকাত শেষ করে তৃতীয় রাকাতের জন্য উঠার সময়।
৯৮. প্রশ্নঃ যে লোক তাড়াহুড়া করে নামায পড়ে- ঠিক মত রুকূ করে না- রুকূ থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ায় না- ঠিক মত সিজদা করে না- তাকে হাদীসে কি বলা হয়েছে?
উত্তরঃ নামায চোর।
৯৯.প্রশ্নঃ নামাযে তাওয়ার্‌রুক করা কাকে বলে? উহার হুকুম কি?
উত্তরঃ তিন বা চার রাকাত নামাযের শেষ তাশাহুদে বসার সময় ডান পায়ের নীচ দিয়ে বাম পা বের করে দিয়ে নিতম্ব মাটিতে রেখে বসাকে তাওয়াররুক করা বলে। এরূপ করা সুন্নাত।
১০০. প্রশ্নঃ জায়নামায পাক করার জন্য ইন্নী ওয়াজ্জাহতু… দুআ পাঠ করার হুকুম কি?
উত্তরঃ বিদআত। (হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই)
১০১. প্রশ্নঃ ফরয নামায শেষে দলবদ্ধভাবে মুনাজাত করার নিয়ম কি?
উত্তরঃ এরূপ করা বিদআত।
১০২. প্রশ্নঃ ঈদের নামায কোথায় পড়া সুন্নাত? বড় জামে মসজিদে 5 মাঠে 5 বাড়ীতে 5 ?
উত্তরঃ মাঠে।
১০৩.প্রশ্নঃ মেয়েরা যদি জামাত করে ফরয নামায পড়ে, তবে তাদের ইমাম কোথায় দাঁড়াবে?
উত্তরঃ কাতারের মধ্যবর্তী স্থানে।
১০৪.প্রশ্নঃ পুরুষ ইমামের সাথে যদি একজন নারী জামাতে নামায পড়ে তবে সে কোথায় দাঁড়াবে?
উত্তরঃ একাকী তার পিছনে।
১০৫. প্রশ্নঃ জানাযার নামায (ফরযেকেফায়াহ? সুন্নাত ? নাকি ফরযে ?)
উত্তরঃ ফরযে কেফায়া।
১০৬. প্রশ্নঃ কোন কাজটি নামাযের রুকন (সূরা ফাতিহা /ছানা পাঠ/হাত বাঁধা)?
উত্তরঃ সূরা ফাতিহা পাঠ।
১০৭. প্রশ্নঃ জানাযার তাকবীর কয়টি? (৩/৪/৬)?
উত্তরঃ ৪টি।
১০৮.প্রশ্নঃ কোন মানুষ যদি নামায পড়তে ভুলে যায় তবে উহা কখন আদায় করবে? (পরবর্তী দিন/স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে/পরবর্তী ফরয নামাযের সময়)?
উত্তরঃ স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে।
১০৯. প্রশ্নঃ কোন্‌ মুক্তাদী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ইমামের পূর্বে রুকূ করে, তবে তার (নামায বিশুদ্ধ/, নামায বাতিল/, নামায বিশুদ্ধ কিন্তু এরূপ করা মাকরূহ)?
উত্তরঃ নামায বাতিল।
১১০.প্রশ্নঃ মসজিদে প্রবেশ করার সময় কিভাবে প্রবশে করবে?
উত্তরঃ ডান পা আগে রাখবে এবং বের হওয়ার সময় বাম পা আগে বের করবে।
১১১. প্রশ্নঃ নারীদের নামায আদায় করার সর্বোত্তম স্থান কোথায়?
উত্তরঃ নিজের গৃহের মধ্যে।
১১২.প্রশ্নঃ নারীদের মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামায পড়া (ওয়াজিব/সুন্নাত/জায়েয)?
উত্তরঃ জায়েয।
১১৩. প্রশ্নঃ পুরুষদের মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামায পড়ার হুকুম কি?
উত্তরঃ ওয়াজিব।
১১৪. প্রশ্নঃ কোন্‌ স্থানে নামায পড়া নিষেধ? (গৃহে/কবরস্থানে বা মাজারে/ফাঁকা মাঠে)?
উত্তরঃ কবরস্থানে বা মাজারে।
১১৫.প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন্‌ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়? (মসজিদে আক্বসা/মসজিদে হারাম/মসজিদে নববী)
উত্তরঃ মসজিদে হরাম (মক্কা)।
১১৬. প্রশ্নঃ মসজিদে হারামে নামায আদায় করার ছওয়াব কত?
উত্তরঃ অন্যান্য মসজিদের তুলনায় একলক্ষ গুণ বেশী।
১১৭.প্রশ্নঃ মসজিদে নববীতে নামায আদায় করার ছওয়াব কত?
উত্তরঃ এক হাজার গুণ।
১১৮. প্রশ্নঃ কোন মসজিদে দুরাকাত নামায পড়লে একটি ওমরার ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ মদীনার মসজিদে কুবায়।
১১৯. প্রশ্নঃ নামাযের এক্বামত হয়ে গেছে এবং পেশাব বা পায়খানার চাপ পড়েছে। এসময় কোন কাজটি আগে করতে হবে?
উত্তরঃ পেশাব বা পায়খানা আগে সারতে হবে।
১২০. প্রশ্নঃ কোন্‌ ধরণের লোকদের বাড়ী-ঘর নবী (স.) আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ বিনা ওযরে যারা জামাতের নামাযে অনুপস্থিত থাকে।
১২১. প্রশ্নঃ নামাযে জোরে আমীন বলা কি? (ওয়াজিব/সুন্নাত/হারাম)?
উত্তরঃ সুন্নাত।
১২২.প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (স.) বলেন, “চার রাকাত নামাযের জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়।” কোন সেই চার রাকাত নামায?
উত্তরঃ যোহরের পূর্বে চার রাকাত সুন্নাত।
১২৩. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি বার রাকাত নামায যথারীতি আদায় করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে।” উক্ত বার রাকাত নামায কি?
উত্তরঃ পাঁচ ওয়াক্তের সাথে সংশ্লিষ্ট ১২ রাকাত সুন্নাত।
১২৪. প্রশ্নঃ কোন্‌ ধরণের নামায গৃহে আদায় করলে বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ফরয ছাড়া যাবতীয় সুন্নাত-নফল নামায।
১২৫. প্রশ্নঃ বিতর নামাযের হুকুম কি: ওয়াজিব/ ফরজ/ সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ?
উত্তরঃ সুন্নাতে মুআক্কাদা।
১২৬. প্রশ্নঃ বিতর নামায আদায় করার সর্বোত্তম সময় কোনটি?
উত্তরঃ শেষ রাতে ফজরের পূর্বে।
১২৭. প্রশ্নঃ বিতর নামাযের সর্ব নিম্ন রাকাত সংখ্যা কত?
উত্তরঃ ১ রাকাত।
১২৮.প্রশ্নঃ বিতর নামাযে দুআ ক্বনূত পাঠ করাঃ ওয়াজিব/ফরয/মুস্তাহাব?
উত্তরঃ মুস্তাহাব।
১২৯. প্রশ্নঃ ইমামের খুতবা চলা অবস্থায় কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে কি করবে?
উত্তরঃ ২ রাকাত নামায পড়ে বসবে।
১৩০.প্রশ্নঃ ইমামের খুতবা চলাবস্থায় পরস্পর কথা বলার হুকুম কি?
উত্তরঃ যারা কথা বলবে তারা জুমআর ছওয়াব থেকে বঞ্ছিত হবে।
১৩১. প্রশ্নঃ বিশেষভাবে সপ্তাহের কোন্‌ দিন নবী (স.) এর প্রতি বেশী বেশী দরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব?
উত্তরঃ শুক্রবার।
১৩২.প্রশ্নঃ সপ্তাহের সর্বশ্রে দিন কোনটি?
উত্তরঃ শুক্রবার।
১৩৩. প্রশ্নঃ পাঁচটি বিষয় একজন মুসলমানের পক্ষ থেকে আরেক জনের উপর ওয়াজিব। বিষয়গুলো কি কি?
উত্তরঃ ১) সালামের জবাব ২) হাঁচির জবাব ৩) দাওয়াত গ্রহণ ৪) অসুস্থের সুশ্রসা ৫) জানাযায় উপস্থিত হওয়া।
১৩৪. প্রশ্নঃ কোন্‌ নামাযে এক ক্বিরাত (বড় একটি পাহাড়) পরিমাণ ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ জানাযার নামাযে।

হজ্জ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান।



০১. প্রশ্নঃ হাজ্জ ইসলামের কয় নম্বর রুকন?
উত্তরঃ ৫ নম্বর।
০২. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরার কত নং আয়াতে হাজ্জ ফরযের কথা উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ সূরা আলে ইমরান ৯৭ নং আয়াত।
০৩. প্রশ্নঃ কত হিজরী সনে হাজ্জ ফরয হয়?
উত্তরঃ ৯ম অথবা ১০ হিজরী।
০৪. প্রশ্নঃ হাজ্জ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ হাজ্জ তিন প্রকারঃ তামাত্তু, ক্বিরাণ ও ইফরাদ।
০৫.প্রশ্নঃ কোন হাজ্জে কুরবানী আবশ্যক নয়?
উত্তরঃ ইফরাদ হাজ্জে।
০৬. প্রশ্নঃ তামাত্তু হজ্জ কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রথমে ওমরা তারপর হাজ্জ- আলাদা আলাদা ইহরামে করাকে তামাত্তু হাজ্জ বলে।
০৭ প্রশ্নঃ ক্বিরাণ হাজ্জ কাকে বলে?
উত্তরঃ একই ইহরামে হাজ্জ ও ওমরা করাকে।

০৯. প্রশ্নঃ ইফরাদ হাজ্জ কাকে বলে?
উত্তরঃ ওমরা না করে শুধু হাজ্জ করাকে।
১০. প্রশ্নঃ ইহরামের উদ্দেশ্যে গোসল করার হুকুম কি?
উত্তরঃ সুন্নাত।
১১. প্রশ্নঃ শুধুমাত্র ইহরামের নিয়তে দুরাকাত নামায আদায় করার হুকুম কি?
উত্তরঃ বিদআত।
১২. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় ইজতেবা কাকে বলে?
উত্তরঃ ইহরামের কাপড়কে ডান বগলের নীচ দিয়ে নিয়ে বাম কাঁধের উপর রাখা এবং ডান কাঁধ খোলা রাখা।
১৩.প্রশ্নঃ হাজ্জ-ওমরার জন্য ইহরাম বাঁধার বিধান কী?
উত্তরঃ রুকন।
১৪. প্রশ্নঃ মীক্বাত বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাজ্জ-ওমরার উদ্দেশ্যে যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে হয় তাকে মীক্বাত বলে।
১৫.প্রশ্নঃ ইহরামের কাপড় দুটি সাদা হওয়ার বিধান কি?
উত্তরঃ সুন্নাত।
১৬. প্রশ্নঃ ইজতেবা কখন করা সুন্নাত?
উত্তরঃ তওয়াফ শুরু করার সময়।
১৭. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় কোন কাজটি হারামঃ আতর ব্যবাহার করা? গোসল করা? মেসওয়াক করা?
উত্তরঃ আতর ব্যবহার।
১৮ প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় কোন কাজটি হারামঃ শরীর চুলকানো/ মাথা আঁচড়ানো/, মাথা ঢাকা?
উত্তরঃ মাথা ঢাকা।
১৯. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় হারামঃ সেলাই করা কাপড় পরা/ সেলাই বিহীন রঙ্গিন কাপড় পরা/, গামছা ব্যবহার করা?
উত্তরঃ সেলাই করা কাপড় পরা।
২০. প্রশ্নঃ হাজ্জের রুকন হচ্ছেঃ যমযম পানি পান/ সাফা-মারওয়া সাঈ/ কঙ্কর নিক্ষেপ?
উত্তরঃ সাফা-মারওয়া সাঈ।
২১. প্রশ্নঃ হাজ্জের রুকন হচ্ছেঃ আরাফাতে অবস্থান/, মুযদালিফায় অবস্থান/, মাথা মুন্ডন/?
উত্তরঃ আরাফাতে অবস্থান।
২২. প্রশ্নঃ হাজ্জের রুকন হচ্ছেঃ হজরে আসওয়াদ চুম্বরন করা/, তওয়াফ/, মাক্বামে ইবরাহীমে নামায আদায়?
উত্তরঃ তওয়াফ।
২৩. প্রশ্নঃ কাবা ঘরের গিলাফ ধরে দুআ করাঃ ওয়াজিব/ সুন্নাত/ বিদআত?
উত্তরঃ বিদআত।
২৪. প্রশ্নঃ ৮ জিলহাজ্জ মিনায় অবস্থান করাঃ রুকন/, ওয়াজিব/, সুন্নত?
উত্তরঃ সুন্নাত।
২৫. প্রশ্নঃ হাজ্জের ওয়াজিব হচ্ছেঃ মুযদালিফায় রাত কাটানো/, মুযদালিফায় পাথর কুড়ানো/, মুযদালিফায় সারা রাত ইবাদত করা?
উত্তরঃ মুযদালিফায় রাত কাটানো।
২৬. প্রশ্নঃ কোন সময়ের তওয়াফে রমল করতে হয়? তওয়াফে কুদূমে, হাজ্জের তওয়াফে, বিদায়ী তওয়াফে?
উত্তরঃ তওয়াফে কুদূমে।
২৭. প্রশ্নঃ তওয়াফে রমল করা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ ছোট ছোট কদম ফেলে দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করা।
২৮. প্রশ্নঃ কয় চক্করে রমল করতে হয়?
উত্তরঃ প্রথম তিন চক্করে।
২৯. প্রশ্নঃ রুকনে ইয়ামানীকে (স্পর্শ করা, চুম্বন করা, কোনটাই না করা) সুন্নাত।
উত্তরঃ স্পর্শ করা সুন্নাত।
৩০. প্রশ্নঃ আরাফাতে যোহর-আসর নামায একত্রে যোহরের সময় আদায় করাঃ (সুন্নাত/, বিদয়াত/, ওয়াজিব)?
উত্তরঃ সুন্নাত।
৩১. প্রশ্নঃ ১০ তারিখে কঙ্কর মারতে হবেঃ তিনটি জামরাতে/, বড় জামরাতে/, দুটি জামরাতে?
উত্তরঃ বড় জামরাতে।
৩২. প্রশ্নঃ জিলহজ্জের ১০ তারিখে বড় জামরাতে কঙ্কর মারার সময় কখন থেকে শুরু হয়?
উত্তরঃ সে দিন সূর্যোদয়ের পর থেকে।
৩৩. প্রশ্নঃ জিলহজ্জের ১১, ১২ তারিখ কয়টি জামরাতে কঙ্কর মারতে হয়?
উত্তরঃ ৩টি জামরাতে।
৩৪. প্রশ্নঃ জিলহজ্জের ১১, ১২ তারিখ জামরাতে কঙ্কর মারার সময় কখন থেকে শুরু হয়?
উত্তরঃ পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলার পর।
৩৫.প্রশ্নঃ মিনাতে কয় রাত থাকা ওয়াজিব?
উত্তরঃ ২ রাত। (১০ ও ১১ তারিখ দিবাগত রাত)
৩৬. প্রশ্নঃ বিদায়ী তওয়াফ করার আগে কোন নারী ঋতুবতী হয়ে পড়লে তাকে বিদায়ী তওয়াফ করতে হবে না। সত্য না মিথ্যা?
উত্তরঃ সত্য।
৩৭. প্রশ্নঃ হজ্জের রুকন কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৪টি। ইহরাম, তওয়াফ, সাঈ, আরাফাতে অবস্থান।
৩৮. প্রশ্নঃ ওমরার রুকন কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৩টি। ইহরাম, তওয়াফ ও সাঈ।
৩৯. প্রশ্নঃ ওমরার ওয়াজিব কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ২টি। মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা ও মাথার চুল মুন্ডন করা বা ছোট করা।
৪০. প্রশ্নঃ রুকন বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ যে সমস্ত কাজের মধ্যে কোন একটি বাদ পড়লে হজ্জ বা ওমরা হবে না তাকে রুকন বলে।
৪১. প্রশ্নঃ মিনায় রাত না কাটালেও হজ্জ হয়ে যাবে। কথাটি ঠিক না বেঠিক? বেঠিক হলে করণীয় কি?
উত্তরঃ বেঠিক। করণীয় হচ্ছেঃ ফিদ্‌ইয়া হিসেবে একটি ছাগল যবেহ করতে হবে।
৪২. প্রশ্নঃ তওয়াফে ইফাযা কাকে বলে?
উত্তরঃ আরাফাত থেকে ফেরত আসার পর যে তওয়াফ করতে হয় তাকে তওয়াফে এফাযা বলে।
৪৩. প্রশ্নঃ বিদায়ী তওয়াফ করাঃ রুকন/, সুন্নাত/, ওয়াজিব?
উত্তরঃ ওয়াজিব।
৪৪. প্রশ্নঃ মদীনা যিয়ারত করা হজ্জেরঃ সুন্নাত, ওয়াজিব, কোনটাই নয়?
উত্তরঃ কোনটাই নয়।
৪৫. প্রশ্নঃ মদীনা আগমনের পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কবর যিয়ারত করাঃ ওয়াজিব/, ফরয/, মুস্তাহাব|
উত্তরঃ মুস্তাহাব।
৪৬. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কবর যিয়ারতের নিয়তে মদীনা সফর করাঃ ওয়াজিব/, বিদআত/, মুস্তাহাব|
উত্তরঃ বিদআত।
৪৭. প্রশ্নঃ মদীনা সফর করার জন্যে কি নিয়ত করতে হবে?
উত্তরঃ মসজিদে নববীতে সালাত আদায় করার নিয়তে সফর করতে হবে।

দুয়া ও জিকির বিষয়ক


০১. প্রশ্নঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় দুআঃ
আরবীঃ
بِاسْمِكَ اللهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا
উচ্চারণঃ বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নামে মৃত্যু বরণ করছি, তোমার নামেই।
০২.  প্রশ্নঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
উচ্চারণঃ আল হামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্নুশূর।
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন। আর তার কাছেই আমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
০৩.  প্রশ্নঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআটি কি?
উত্তরঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ্‌ দওয়াতিত্‌ তাম্মাহ ওয়াস্‌ সালাওয়াতিল কায়িমাহ আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতি ওয়াল ফযীলাহ ওয়াবআছহু মাকামাম্মাহমূদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান এবং এই প্রতিতি নামাযের তুমিই প্রভূ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে দান কর সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা। তাঁকে প্রতিষ্ঠিত কর প্রশংসিত স্থানে যার অঙ্গিকার তুমি তাঁকে দিয়েছো।
০৪. প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ ওযুর শুরুতে পাঠ করতে হয়ঃ
আরবীঃ
بسم الله
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ। (ছাড়া অন্য কোন দুআ পড়া বিদআত।)
০৫. প্রশ্নঃ ওযুর শেষে কোন দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে?
উত্তরঃ ওযুর শেষে এই দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হয়ঃ
আরবীঃ
أشْهَدُ أنْ لإَاِلَهَ إلاَّاللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًاعَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
উচ্চারণঃ আশহাদুআল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লাশারীকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।
০৬. প্রশ্নঃ মসজিদে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ মসজিদে প্রবেশের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করে দাও।
০৭. প্রশ্নঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাযলিকা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার অনুগ্রহ প্রর্থনা করছি।
০৮. প্রশ্নঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
উচ্চারণঃ আল্লাহম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি- যাবতীয় দুষ্ট জিন ও জিন্নী থেকে।
০৯. প্রশ্নঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআঃ
আরবীঃ
غُفْرَانَكَ
উচ্চারণঃ গুফরানাকা
অর্থঃ তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!
১০. প্রশ্নঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআ কি?
উত্তরঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআঃ
আরবীঃ
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
উচ্চারণঃ আউযু বিল্লাহি মিনাশ্‌ শায়তানির রাযীম।
১১. প্রশ্নঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআ কি?
উত্তরঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওয়ুন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করাকে আপনি পছন্দ করেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।
১২. প্রশ্নঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য কি দুআ করতে হয়?
উত্তরঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য দুআঃ
আরবীঃ
جَزَاكَ اللَّهُ خَيْراً
উচ্চারণঃ যাজাকাল্লাহু খাইরান।
১৩. প্রশ্নঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআ কি?
উত্তরঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআঃ
আরবীঃ
لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
উচ্চারণঃ লা বাস তাহূর ইনশাআল্লাহ।
অর্থঃ আপনার কোন অসুবিধা না হোক! আল্লাহ চাহে তো আপনি অতি সত্বর সুস্থ হয়ে উঠবেন।
১৪. প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে কি দুআ বলতে হয়?
উত্তরঃ পানাহারের শুরুতে দুআঃ
আরবীঃ
بسم الله
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ
১৫. প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে কি করবে?
উত্তরঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে তার দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ফী আওয়ালিহি ওয়া আখিরিহি।
১৬. প্রশ্নঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআ কি?
উত্তরঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاقُوَّةٍ
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আত্বআমানী হাযা ওয়া রাযাকানীহে মিন গাইরি হাওলিন মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন।
অর্থঃ সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাকে ইহা খাইয়েছেন ও রিযিক হিসেবে দান করেছেন। যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।
১৭. প্রশ্নঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে কি দুআ বলবে?
উত্তরঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي
উচ্চারণঃ (আল্লাহুম্মা আত্‌য়েম্‌ মান্‌ আত্‌আমানী ওয়াস্‌ কে মান আসক্বানী)
অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে যে খাইয়েছে তাকে তুমি খাদ্য দান কর, যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে তুমি পান করাও।
১৮. প্রশ্নঃ পিতা-মাতার জন্য কি দুআ পড়তে হয়?
উত্তরঃ পিতা-মাতার জন্য দুআঃ
আরবীঃ
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানী সাগীরা।
অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার উভয়ের উপর অনুগ্রহ করুন, যেমনভাবে তারা আমাকে ছোটকালে লালন-পালন করেছিল।
১৯. প্রশ্নঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআ কি?
উত্তরঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআঃ
আরবীঃ 
رَبِّ زِدْنِيْ عِلْماً
উচ্চারণঃ রাব্বি যিদনী ইলমা।
অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও।
২০. প্রশ্নঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআ কি?
উত্তরঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআঃ
আরবীঃ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতান ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতান ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার।
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর। আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।
২১. প্রশ্নঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর কোন্‌ দুআটি পাঠ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর এই দুআটি পাঠ করেনঃ
আরবীঃ
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنْ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণঃ রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইন্‌ লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খাসেরীন।
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না কর, আমাদের প্রতি দয়া না কর, তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাব।(সূরা আরাফঃ ২৩)
২২. প্রশ্নঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?
উত্তরঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে এই দুআঃ
আরবীঃ
لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণঃ লা-ইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।
২৩.প্রশ্নঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কি দুআ পড়তে হয়?
উত্তরঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি।
২৪. প্রশ্নঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআ কি?
উত্তরঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআঃ
আরবীঃ
سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাযী সাখ্‌খারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরেনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবূন।
২৫. প্রশ্নঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআ কি?
উত্তরঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা ওয়া আলা রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।
২৬. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ) মাছের পেটে থাকাকালিন কোন দুআ পড়েছিলেন?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।
২৭. প্রশ্নঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন কি?
উত্তরঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন হলোঃ
আরবীঃ
لا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণঃ লাহাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
২৮. প্রশ্নঃ দুটি কালেমা- মুখে উচ্চারণ করতে খুবই সহজ, পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। উহা কি?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।
২৯. প্রশ্নঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআ কি?
উত্তরঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي هَذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلا قُوَّةٍ.
উচ্চারণঃ আল্‌ হামদুলিল্লাহিল্লাযী কাসানী হাযাছ্‌ ছওবা ওয়া রাযাক্বানীহে মিন গায়রে হাওলীন্‌ মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন্‌।
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এই পোষাক পরিয়েছেন এবং জীবিকা হিসেবে দান করেছেন, যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।
৩০. প্রশ্নঃ একটি দুআ আছে কোন মানুষ যদি উহা দিনে একশত বার পাঠ করে, তাকে দশজন ক্রীতদাস মুক্ত করার ছওয়াব দেয়া হবে, তার জন্য একশতটি নেকী লেখা হবে, একশতটি গুনাহ ক্ষমা করা হবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন উহা তার জন্য রক্ষা কবচ হবে এবং তার চাইতে উত্তম আমল কেউ আর নিয়ে আসতে পারবে না- তবে ঐ ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে এর চাইতে বেশী আমল করবে। সে দুআটি কি?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।
৩১. প্রশ্নঃ কোন্‌ তাসবীহটি দৈনিক একশতবার পড়লে- পাপ সমূহ সমুদ্রের ফেনারাশী পরিমাণ হলেও ক্ষমা করা হবে?
উত্তরঃ তাসবীহটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
سبحان الله وبحمده
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি।
৩২. প্রশ্নঃ সকাল-সন্ধ্যায় পঠিতব্য অনেক দুআ আছে তম্মধ্যে একটি উল্লেখ কর?
উত্তরঃ তাসবীহটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
اللهُمَّ بِكَ أصْبَحْناَ وبِكَ أمسَيْناَ وبِكَ نَحْياَ وَبِكَ نَمُوْتُ وَإلَيْكَ النُّشُوْرُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা বিকা আস্‌বাহনা ওয়া বিকা আমসায়না ওয়া বিকা নাহইয়া ওয়া বিকা নামূতু ওয়া ইলাইকান্‌ নুশূর।
অর্থঃ হে আল্লাহ তোমার অনুগ্রহে সকাল করেছি এবং তোমার অনুগ্রহে সন্ধ্যা করেছি, তোমার করুণায় জীবন লাভ করি এবং তোমার ইচ্ছায় আমরা মৃত্যু বরণ করব, আর কিয়ামত দিবসে তোমার কাছেই পূণরুত্থিত হতে হবে।
৩৩. প্রশ্নঃ নব বিবাহিত বরের উদ্দেশ্যে কি দুআ বলবে?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ
উচ্চারণঃ (বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা ওলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্‌।)
৩৪. প্রশ্নঃ কোন দুআটি একবার পাঠ করলে আল্লাহ দশবার রহমত নাযিল করবেন?
উত্তরঃ দরূদ শরীফ।
আরবীঃ
"اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ"
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্‌রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্‌তা আলা ইব্‌রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ"।
অর্থঃ " হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্‌রাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।"
আপনি মুহাম্মাদ ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্‌রাহীম ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত, সম্মানিত"।
৩৫. প্রশ্নঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
إناَّ للهِ وإناَّ إلَيْهِ راَجِعُوْنَ، اللهمَّ أجُرْنِيْ فِيْ مُصِيبَتِيْ واَخْلُفْ لِيْ خَيْراً مِنْهاَ
উচ্চারণঃ (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেঊন, আল্লাহুম্মাজুরনী ফী মুছীবাতী ওয়াখ্‌লুফলী খায়রান্‌ মিনহা)
অর্থঃআমরা আল্লাহরজন্য এবংআমরা আল্লাহর কাছেই প্রত্যাবর্তন করব।হেআল্লাহ আমার বিপদে আমাকে প্রতিদান দাও এবং আমাকে এর বিপরীতে উত্তম বিষয় দান কর।
৩৬. প্রশ্নঃ হজ্জের মাঠে (আরাফাতের দিবসের) শ্রেষ্ঠ দুআ কি?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لاَ إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।
৩৭. প্রশ্নঃ শরীরের কোন স্থানে জখম বা ফোঁড়া হলে কি দুআ পড়বে?
উত্তরঃ তর্জনী আঙ্গুলে থুথু লাগাবে তারপর তা দ্বারা মাটি স্পর্শ করবে এবং সেই মাটি জখম বা ফোঁড়ার স্থানে লাগাবে ও সে সময় এই দুআ পাঠ করবে: 
আরবীঃ
بِسْمِ الله، تُرْبَةُ أرْضِناَ بِرِيْقَةِ بَعْضِناَ، يُشْفَى سَقِيْمُناَ بإذْنِ رَبِّناَ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ, তুরবানতু আরযেনা বেরীক্বাতে বা’যেনা ইউশ্‌ফা সাক্বীমুনা বিইযনে রাব্বিনা
অর্থঃ আল্লাহর নামে, আমাদের যমীনের কিছু মাটি, আমাদের একজনের থুথুর দ্বারা আমাদের রবের অনুমতিতে আমাদের রুগীর আরোগ্য হবে।
৩৮. প্রশ্নঃ বিষধর প্রাণী বা সাপে কাটলে কোন দুআ পড়ে পড়ে রুগীকে ঝাড়-ফুঁক করবে?
উত্তরঃ সূরা ফাতিহা