Showing posts with label Say to Road. Show all posts
Showing posts with label Say to Road. Show all posts

১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি আওয়ামীলীগ

লেখাটা শুরু করার আগে শিরোনাম নিয়ে ভাবছিলাম – ভাবছিলাম বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে যখন লিখবো তখন শিরোনাম দিই " বাংলাদেশের রাজনীতির প্যারাডাইম শিফট" – কিন্তু ছোট ভাই এর সাথে কথা বলার সময় ওর মুখে শুনলাম – ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি আওয়ামীলীগ হয়ে গেছে – শুনে বেশ মজা লাগলো – তাই শিরোনামটা এই ভাবেই দিলাম। 
আসলে কিছু দিন ধরে পর্যবেক্ষন করে এইটা্ই মনে হচ্ছে – বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন দলই তেমন জনসমর্থন পাচ্ছে না। বিশেষ  করে আমেরিকান এক সংস্থার জরিপ রিপোর্টে বলা হচ্ছে আওয়ামীলীগ আগে চেয়ে বেশী জনসমর্থন ভোগ করছে। আসলে মানুষ ঝামেলা পছন্দ করে না – কারন কাজ মানেই টাকা – টাকার স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশের মানুষ। অন্যদিকে দেখছি – ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা ব্যাপক ভাবে বিজয়ী হচ্ছে – বিএনপির দলী প্রার্থীর চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরা বেশী জিতেছে – কিন্তু তাদের সর্বমোট সংখ্যা অনেক কম। এই প্রেক্ষিতেই ছোটভাইএর মন্তব্য – বাংলাদেশে এখন মানুষের চেয়ে আওয়ামীলীগ বেশী – ব্যাঙ্গত্ব এই উক্তির আড়ালে লুকিয়ে আছে আরেক চিত্র। আমার গ্রামের বাড়ীর এলাকা ছিলো দীর্ঘদিনের বিএনপির ঘাটি – সেখানে আওয়ামীলীগ কোন ভাবেই সুবিধা করতে পারতো না। কিন্তু এবারই প্রথম বিএনপির এক ধনাঢ্য নেতা দল বদল করে আওয়ামীলীগে যোগ দিলেও নৌকা প্রতীক পায়নি – সেই স্থানীয় আওয়ামীলীগ আর বিএনপির একটা অংশের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছে – মুল লড়াইটা হচ্ছে আওয়ামীলীগ বনাম আওয়ামীলীগ – বিএনপি দৃশ্যপটের আড়ালে চলে গেছে। এইটাই আসলে বাংলাদেশের চলমান হালচাল। বিএনপি – জামাত থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান ঠেকাতে  প্রধানমন্ত্রীকে পর্যণ্ত মুখ খুলতে হয়েছে। 
আসলে হচ্ছেটা কি – গত কয়েক মাস আগে ইসলামী ঐক্যজোটের বিশদল ত্যাগের পর থেকে সরকারের সুর বদলে গেছে – প্রধানমন্ত্রী সুষ্পষ্ট ঘোষনা দিয়ে নাস্তিকতার নামে ইসলাম বিরোধী লেখালেখির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলাফল হিসাবে দেখছি বাম-নাস্তিকগ্রুপ প্রচন্ড ক্ষেপে আছে – বিশেষ করে যারা এতোদিন যুদ্ধাপরধী বিচারের দাবীর আড়ালে ইসলাম বিরোধী প্রপাগান্ডা চালাতো – তারা এক কথায় এতিম হয়ে গেছে। অনেক নাস্তিক দেশ ত্যাগ করছে – অনেকে লেখালেখি ছেড়ে দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সরকারের সুষ্পষ্ট এই অবস্থানের প্রভাব পড়েছে পুরো রাজনীতিতেই। 
অন্যদিকে দেখছি – হেফাযতের নেতারা সুর নরম করে কথা বলছে – সরকারের কাজের প্রশংসা করছে। বিএনপি এতোদিন যাদের নেচারাল সাপোর্ট পেতো – তারা বিএনপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে সরকারের – মানে আওয়ামীলীগের দিকে ঝুঁকছে। এইটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরাট একটা পরিবর্তন বটে। বামরা এতোদিন আওয়ামীলীগের ন্যাচারাল এলাই হিসাবে ভুমিকা রেখে আসছিলো – তারা এখন প্রকাশ্যে আওয়ামী বিরোধী ভুমিকায় আর এতোদিন যারা আওয়ামীলীগের রিরোধীতা করতো তারা নানান ভাবে আওয়ামীলীগের মিত্রে পরিনত হচ্ছে। 
এই অবস্থায় সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্থ দল হলো বিএনপি – যার প্রভাব আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে দেখছি। যদিও এই ক্ষেত্রে নির্বাচনে কারচূপীর অভিযোগ তুলে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন – কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে স্থানীয় নেতাদের শক্তিই বেশী ভুমিকা রাখে – সেখানে স্থানীয় নেতারা সরকারমুখী হয়ে পড়ায় বিএনপি অনেক জায়গায় প্রার্থী দিতেও ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে এই দুরবস্থার মাঝেও বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন বাণিজ্যের খবরটা বেশ কৌতুহলপ্রদ বটে। 
প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নীতিহীনতা আর সুবিধাবাদে এই চিত্রটা আর আড়ালে থাকলো না। রাজনৈতিকদলগুলো গনতন্ত্রহীনতা এবং আভ্যন্তরীন গনতন্ত্রচর্চাকে বাদ দিয়ে এককেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহন তৃণমুলকে কেন্দ্র থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। অন্যদিকে বিএনপির ভুল এবং আত্নঘাতি রাজনীতি – বিশেষ করে জামায়াতের এজেন্ডার সাথে তাল মিলাতে গিয়ে আন্দোলনের নামে জনবিচ্ছিন্ন কর্মসূচীতে ্ধারাবাহিক ব্যর্থতা দলের কর্মীদের হতাশ করে ফেলেছে – ফলে ওরা দ্রুত ক্ষমতার স্বাদ পাওয়ার লক্ষ্যে সরকারী দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। 
রাজনৈতিক দলগুলো সমর্থন  ক্ষনস্থায়ী বিষয় – নীতী-আদর্শহীন রাজনৈতিক কর্মীরা সময় সুযোগ বুঝে আবারো দল বদলাবে সন্দেহ নেই – সেখানে সুবিধা সেখানেই জিন্দাবাদ। তবে বর্তমান রাজনৈতিক যে পরিবর্তনটা একটা দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে – তা হলো ধর্মভিত্তিক ইস্যুগুলোতে এবার আওয়ামীলীগ অনেকবেশী সুবিধা পেয়ে যাবার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। একদিএক ভু-রাজনৈতিক পরিবর্তন – বিশেষ করে সৌদি-বলয়ের ব্রাদারহুডের বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থানের প্রভাবপড়েছে বাংলাদেশের জামায়াতের রাজনীতিতে – প্রকৃতপক্ষে জামায়াত অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েছে – ফলে ধর্ম বিষয়ক ইস্যুতে আওয়ামীলীগের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিহীন হয়ে পড়ায় ইসলামী ঐক্যজোটের মতো দলগুলো বিকল্প সন্ধান করছে এবং ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগের সাথে সখ্যতার বিষয়টি দৃশ্যমান হচ্ছে। এতে বিএনপির নেতৃত্বের দূর্বলতা এবং অপরানীতির যেমন ভূমিকা আছে – তেমনি আওয়ামীলীগের সুচতুর রাজনৈতিক কৌশলগুলোও কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। ফলাফল – মুসলিম লীগ থেকে বের হয়ে আওয়ামীমীল যে একটা ধর্মনিপপেক্ষ (অনেকের ভাষায় ধর্মহীন) চেহারা তৈরী হয়েছিলো – তা বদলে যাচ্ছে এবং মুসলিমলীগে উত্তরসুরী বিএনপি তাদের ন্যাচারাল এলাই হারাচ্ছে। অবশ্য এই পোলারাইজেশন বিষয়টা সম্পর্কে সম্পূর্ন নিশ্চিত হওয়ার জন্যে আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যণ্ত অপেক্ষা করতে হবে। 
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার – দীর্ঘদিনে পর্যবেক্ষন থেকে বলা যায় আওয়ামীলীগে ঐতিহাসিক মিত্র সিবিপি এখন আওয়ামীলীগ থেকে হাজার ্মাইল দুরে অবস্থান করছে – বিশেষ করে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহ" এবং ইসলাম রাষ্ট্র ধর্ম হিসাবে বহাল রাখার জন্যে শেখ হাসিনার একক সিদ্ধান্তের পর বামদলগুলো যারা প্রকৃতপক্ষে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীন রাষ্ট্র চায় তারা আওয়ামীলীগের মিত্রশক্তি হিসাবে ইস্তফা দিয়েছে এবং সে জায়গা আসন পেয়েছে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক কয়েকটি গোষ্ঠী এবং দল। তাদের পরামর্শ এবং প্রভাবে আওয়ামীলীগ ইসলামপন্থী দলগুলোর সাথে দুরত্ব কমিয়ে আনার প্রেক্ষিতে আজকের এই রাজনৈতিক পোলারাইজেন।এই পোলারাইজেনশন বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে কতটা ভুমিকা রাখবে – তা সময়ের উপর ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। কারন ইসলাম এবং আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে যে মৌলিকদন্দ্ব আছে – সেইগুলো কিভাবে মোকাবেলা করা হয় – তার উপরই এই সমঝোতার বিষয়ের সাফল্য নির্ভর করছে। তবে এক সময় না এক সময় এই দ্বন্ধ সামনে আসবেই – তখন আবার নতুন করে অস্থিরতা আর পোলারাইজেন হবে।  
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক,শেয়ার ও কমেন্ট করে পাশে থাকুন। ঘুরে আসতে পারেন। www.facebook.fom/sobkichu24 www.free.facebook.com/sobkichu24

বর্তমান যুব সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহ্ মাতুল্লাহ।
আশাকরি আল্লাহর অসিম কৃপায় সকলেই ভালো আছেন ভালো থাকবেন এই  প্রত্যাশায়।
গত পর্রবে আমার বিষয় ছিলো
বর্তমান বাংলাদেশ ও তথাকথিত ভারতীয় প্রদর্শন।
হয়তো আপনারা ইতোপূর্বে এড্রেসবারে দেখেছেন আমাদের সম্পাদকীয় পাতার নাম দেওয়া হয়েছে  say to road অর্থাৎ রাস্তাথেকে বলছি।

আমার প্রিয় পত্রিকা হলো নয়া দিগন্ত।
আর বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সাংবাদিক  আবুল কালাম আজাদ রচিত নয়াদিগন্তের  একটি বিশেষ কলামের নাম হলো রাস্তা থেকে বলছি।

তার লেখাগুলি আমার এতোই ভালো লেগেছে যার কারণে তার প্রতি ভালোবাসায় আমার এই লেখা।
আমার সারাটা জীবন লেখলেও তার মত এমন বড়  হতে পারবোনা।

তার পরেও চেষ্টা করতে বৃথা কোথায়?
প্রায় বছর খানেক হয় তাঁর আর কোন লেখা পাচ্ছিনা।
যদি বর্তমানে সে ওফাত গ্রহণ করে থাকে তাহলে  আল্লাহ্‌ তায়ালা তাকে জান্নাত এনায়েত করুন (আমিন)।
আর আপনারা যদি কেউ জেনেশুনে থাকেন,
তাহলে জানালে উপকৃত হবো।
বলতে চাচ্ছিলাম,
বর্তমান যুব সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।
কথায় আছে শিক্ষাই  জাতীর মেরুদণ্ড।
আসলে কথাটাকি এইভাবে হবে?
নাকি কথাটি হবে শুশিক্ষাই জাতীর মেরুদণ্ড।
যা হোক আমরা একটি ধরে নিবো।
একটি যুবো সমাজের পেছনে যে সকল কারণ থাকতে পারে আমরা এক নজরে তা দেখেনেই।
কঃ পারিবারিক।
খঃ সামাজিক।
গঃ প্রাতিষ্ঠানিক।
ঘঃ শারিরিক।
আপাতত এই চার (৪)টি বিষয়ই ধরা যেতে পারে।
কঃ পারিবারিক।
শিশুর শিক্ষা বিকাশে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসিম।
কিছুদিন আগেই হয়তো বছর ১০খানেক হবে, সকালে ঘুম থেকে জাগিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করতে আম্মু মসজিদে পাঠিয়ে দিতো।
নামাজ আদায় করেই মক্তবে ছবকের জন্য বসে গেলাম।
কিন্তু আস্তে ধিরে তা পরিবর্তিত  হতে লাগলো।
এখন ছেলেমেয়েদেরকে সকাল সকাল ঘুম থেকে আর জাগানো হয়না।
আর যদিও জাগে হয়তো স্কুল মাষ্টার নয়তো ডান্স মাষ্টারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
যার কারনে শিশুর মস্তিষ্ক কাজ করে ইসলামের বাহিরে।
আর যদিও কিছু পরিবারে আরবি তথা কোরআন শিক্ষা দেওয়া হয় তাও আবার গৃহশিক্ষক বাসায় এনে।
এতেও শিশুর শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধাবোদ কমে যায়।
তাঁর কাছে জাগিত হয় মাসে ৫০০টাকায় হুজুরের অনভাব।
এছাড়াও আমরা ৩০দিন ১৫জন বখাটে ছেলেদের আচরণের উপর পরিক্ষা করে দেখেছি যে, শিশুর প্রতি অমানুষিক ব্যবহার ( যেমন, সিগারেট আনানো, ধমক দিয়ে কথা বলা, কথায় কথায় গালি দেওয়া ইত্যাদি ) শিশুর মস্তিষ্ককের উপর কুপ্রভাব ফেলার সম্ভাবনা ৭০% এ নিয়ে আসে।
যার কারনে বড় হয়ে সে হয় হিংস্র ও বখাটে।
পিতামার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমার অন্যতম কারন এটি।
খঃ সামাজিক।
সমাজের সাথেও পরিবারের ভূমিকা অপরিসিম।
সন্তানকে শিশুকাল থেকেই ভালোমন্দের শিক্ষা দিতে হবে।
সমাজে চলতে গেলে শিশুদের অবশ্যই বন্ধু-বান্ধব থাকবেই।
এমনকি বন্ধু নির্বাচনেও পরিবার তাকে সাহায্য করবে।
কারণ একজন অসৎ বন্ধুর কারনে আপনার সন্তান হতে পারে শির্ষ একজন ক্যাডার, হতে পারে উশৃংক্ষল দলের নেতা।
তবে রাখববেন,
এই বয়সটাই শিশুর শাসনের সময়।
তাই বলে তার বন্ধু-বান্ধবের সামনে তাকে শাসন করবেন্না!
এতে উভয় পক্ষের কাছে ঘৃণিত হতে পারেন।
গঃ প্রাতিষ্ঠানিক।
শিশুর ভবিষ্যৎ বিকাশে শিক্ষা অপরিহার্য।
বর্তমানে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শুশিক্ষা নেই বললেই চলে।
শুশিক্ষার জন্য প্রয়োজন ছেলে মেয়েদের ভিন্ন ভিন্ন কক্ষ।
কিন্তু তা নেই।
যার কারনে প্রেম বুকামিতেও ধংশ হয়ে যায় সুন্দর আকাঙ্ক্ষার জীবন।
তা ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পর্যায়ে রয়েছে ভুল পথ।
মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিকে অধ্যয়ন করে এমন একজন ছাত্র খুঁজে পাওয়া মুসকিল হবে যে ছাত্র রাজনীতি করেনা।
(তাই বলে আমি ছাত্র রাজনীতির বিপক্ষে নয়।)
যারা পড়া লেখা করেছেন তাঁরা কি কেউ বলতে পারবেন,
উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত রাজনীতি বিষয়ক কোন বিষয় আছে?  যাতে বলা আছে কিভাবে রাজনীতি করবেন?
কার জন্য করবেন?
কখন করবে?
রাজনীতির মাঠটি কেমন হওয়া চাই?
যোগ্য পার্থী কিভাবে হবেন?
ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয়।
বিশেষ করে যারা রাজনীতি করে তাদের ৯০ ভাগই বলতে পারবেনা রাজনীতির র এর অর্থ কী?
এছাড়া বিদ্যালয় বিহীন শিক্ষা ব্যাবস্থাও অন্যতম কারন,
যেমন,
ল্যাপ্টপ উপকরনঃ- এতে করে বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষার্থীর আকর্শন কমে যাবে।
যার কারনে হারাতে হবে শিক্ষকের না বলা গুনীজনদের অজশ্র উদাহরণ।
সৃজনশীল শিক্ষা ব্যাবস্থাঃ- বিদ্যা পাঠ করবে বিদ্যালয়ে অথচ প্রশ্ন হবে বাহির থেকে।
প্রশ্ন হবে নমুনা মুলক।
যেখানে বলা থাকবে  উল্লেখিত সারাংশটি  কোন প্রবন্ধকের সাথে মিল রয়েছে।
অথবা বলা থাকবে  উল্লেখিত সারাংশটি রবি ঠাকুরের কোন প্রবন্ধরের অন্তর্গত?
অথচ যেখানে  শিক্ষার্থীর নতুন করে বানিয়ে বানিয়ে বাজে বকুনি ছাড়া আর কিছুই নয়।
অবস্থা এমনই হচ্ছে ; জাতী  তাঁর জাতীর ইতিহাস ভুলে যাচ্ছে।
ধাবিত হচ্ছে বিদ্যালয় বিহীন বিদ্যাতে।
আসলে সৃজনশীল পড়ালেখার নামে  এই কু-বুদ্ধি যার মাথায় এসেছে, সে বিরাট বড় চক্রাকারের আমির।
আসলে জাতী ধংশের এ এক নীল নকশা
ঘঃ শারিরিক।  আমাদের দেশে অনেক গ্রাম্য পরিবার আছে যারা কমপক্ষে ১০/১২টা পুত্র সন্তান কামনা করে।
যাদের শ্লোগান হচ্ছে, মুখ দিছে যে আহারও দিবে সে।
কিন্তু তারা চিন্তা করেনা,  ভাত আর তরকারিই শুধু আহার নয়।
চাই পুষ্টি সম্মত খাবার।
কারন পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যের অভাবে নানা ধরনের রোহ হয়।
এতে শিশু অকর্মঠ হয়ে পরায় বেছে নেয় ভিক্ষার মত ণোংর কাজে।
জরিয়ে পরে মাদক চালানের জন্য মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে।
পরিবারকে যদি তার অকর্মা সন্তান আয় করে আর মায়ের হাতে টাকা দিয়ে বলে আমি ওমুক কাজ করে আয় কতেছি।
হায় আফসোস,  একটি বারের জন্যও আপনার সন্তানের গতিবেগ চিন্তা করলেন্না।
যা হোক বলতে মনে অনেক কিছুই চায়, কিন্তু লিখা আকাশ সমান হলে আপনারা আর পড়বেন্না।
তাই
পরিশেষে বলবো,
প্রতিটা ক্ষেত্রেই পরিবারের প্রধান্য বেশি।
আমি মাদ্রাসার কথা বলবোনা।
শুশিক্ষার জন্য আপনার বিবেক যেখানে কাজ করে সেখানে সন্তানকে শিক্ষা দিন।
কারন আপনার বিবেক হচ্ছে একটি দাবার গুটি।
পরিচালনায় একটু ভুল করেছেনতো শাড়াট জীবন আপনাকে এই অপমানের বোঝা বহন করতে হবে।
যার কারনে আপনার সন্তান হয় গাজা খুর,
মাস্তান, সেরা বখাটে।
তাই আমাদের বর্তমান প্রজন্মকে এমন ভাবে শিক্ষা দিতে হবে যাতে তার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ধুলিয়ে না যায়।
একটু গভীর ভাবে চিন্তা করুন,
আপনি এখন কোথায় আছেন?
আল্লাহ্  হাফেজ।
আবার কথা হবে অন্য কোনদিন অন্য কোন বিষয় নিয়ে।
আমাদের অন্যান্য টপিক গুলি দেখুন।
আর অনেক কিছু শিখে নিন।
যদিও আপনি শিক্ষক তার পরেও  আমি  সবার সেরা ছাত্র।

বর্তমান বাংলাদেশ ও তথাকথিত ভারতীয় প্রদর্শন।

আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সকলেই ভালো আছেন।
সকলেই আমার সালাম নিবেন।
যেহেতু মুসলিম প্রধান দেশ বাংলাদেশ,  আর আমিও মুসলিম তাই সালাম দিয়েই শুরু করলাম।
তার পরেও ভিন্নধর্মী ভাইদের জন্যও আমার সালাম( আসসালামু আলাইকুম মানিত্বায়াল হুদা)।
ভাবলাম কিছু একটা না লেখলেই নয়।
তাই আমার এই লেখা।
সম্পাদকীয় পাতায় এটাই আমার প্রথম লেখে।
প্রায় ২ ঘন্টা ভাবতে লাগলাম হেডলাইন কি দেওয়া  যায়?
অনেক ভেবে-চিন্তে "বর্তমান বাংলাদেশ ও তথাকথিত ভারতীয় প্রদর্শন "
এই হেডলাইনটা দিলাম।
প্রথম পোস্টতো তাই একটু বেশে বকবক করে ফেললাম।
যা হোক কাজের কথায় আসি;;;;;.
দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম আমার সাথে কিছু পাড়াটে বন্ধুও ছিলো,
সকলেই বসে "সনি আটের  আদালত দেখতে লাগলাম"
একজন বৃদ্ধ লোক এসে বল্লো,
"অডা কি হবর চলে চাচোনা।'
কে কান দেয় কার কথায়!
একজন উঠে বল্লো,
ওয়া নেতা অইগিয়োদেনা?
এতো খবর কিয়োল্লাই?
এদিকে নাকি বাসা বাড়িতেও স্টার জলসার কিরণ জ্বালা নাটক না দেখলে
খালা আম্মাদের আরামের ঘুম হারাম হয়ে যায়।
সাথে আপুরাতো আছেই তাদের পড়ালেখা ফেলে।
বলতে চাচ্ছিলাম "বর্তমান বাংলাদেশ ও তথাকথিত ভারতীয় প্রদর্শন"  নিয়ে।
ইসলামিক দৃষ্টিতে রাজ্য কর্তার (নেতা বা নেত্রী) দোষ গুন আম সাধারনের জানার অধিকার আছে।
(তা ছাড়া মহলার আনুগত্য ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।)
আর তা জানার জন্য মুখ্যম হাতিয়ার হচ্ছে মিডিয়া।
কিন্তু আমাদের দেশের মিডিয়ার এখন চরম দুর্ভোগ।
সত্য বললে হয় মিডিয়া বন্ধ করা হবে নয় তো সম্পাদকের  জেল আর রিপোর্টারের খুন হতে হবে।
আর এই ভয়ে সত্যের বিলুপ্তি হচ্চে মিথ্যার কাছে।
সকল মিডিয়াতেই শুনা ও দেখা যায় সরকারি দলের জয়, যোগ্যতা ও দেশ পরিচালনার সাফল্যের কথা।
যার কারনে আম-পাবলিক বলে সরকারতো দেহি পুরাদমেই দেশ চালানো শিইক্ষা গেছেগা আমরা আর খবর দেইখা কি করুম।
যার কারণে  হয়তো হিন্দি ফ্লীম না হয়  স্টার জলসা নিয়ে ব্যাস্ত সকল পরিবার।
এতো গেলো ভারতীয় স্যাটেলাইট।
কিন্তু গিয়েও যাচ্ছে না!
দেশের কিছু লাল চেহারার যৌন কর্মা আপা আছে যারা এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে ভারতের চেয়েও নোংরা ছায়াছবি করতে দিধাভোদ করতেছেনা।
কিছুদিন আগে এক সময় ছিলো যখন মা,বাবা,ভাই,বোন অর্থাৎ পরিবারের সকলে মিলে ছবি দেখতো আর চোখের পানির ঝর্না বহাতো।
আর এখন ছবি দেখলে মনে হয় আমার দেশটা মুসলিম প্রধান ৩ হয়েও ভারতের  মতো উলঙ্গ হয়ে যাচ্ছে।
আজ আমরা বলছি আমরা গর্ভিত বাঙালি কিছুদিন পরে হয়তো এই কথা বলতে লজ্জাবোধ করবে নয়তো বলাত সাহষ আর থাকবেনা।
কারন তখন ভারত+বাংলাদেশ + পাকিস্তান এক হয়ে এক হয়ে যাবে।
আর তারা হবে ভারতীয়।
একথা শুধু আমি নয়

এন,টি বি সহ
অনেই বলে।
পরিশেষে বলবো,
আপনার এক টকার অভাবে অনেক সময় হাজার টাকার ঘাটতি পূরণ করতে হয়।
ঠিক তেমনিই একটু শুক্ষ চিন্তার অভাবে হারিয়ে ফেলতে পারি আমাদের এই দেশের ইসলামিক সভ্যতা।
তাই আসুন, আমরা নিজেদের মধ্যেই সচেতনতা গড়ে তুলি।
বাংলার ইজ্জত রক্ষা করি।