ঢাকা ‘জেলা জেএমবির আমিরসহ’ গ্রেপ্তার ৪



ঢাকার খিলগাঁও ও ফকিরাপুল এলাকা থেকে ‘জেলা জেএমবির আমির’সহ চার জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব সদরদপ্তর।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান মুফতি মাহমুদ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বুধবার রাত ১১টার দিকে খিলগাঁও থেকে দুইজন এবং রাত ১টার দিকে ফকিরাপুল থেকে বাকি দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩ সদস্যরা।
এরা হলেন- আব্দুল বাতেন ওরফে খায়রুল ইসলাম ওরফে মামুনুল হক (২৮), মনির মোল্লা ওরফে মনির (২৯), মো. গোলাম কিবরিয়া ওরফে আক্তার (৬২) ও মো. রুম্মান খান ওরফে রুম্মান (২৭)।
র‌্যাব বলছে, বাতেন জেএমবির ঢাকা জেলার আমির; আর মনির গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় সংগঠনের কার্যক্রম দেখার দায়িত্বে ছিলেন।
মুফতি মাহমুদ বলেন, রাত ১১টার দিকে খিলগাঁও এলাকা থেকে বাতেন ও মনিরকে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছে একটি পিস্তল, চারটি গুলি, ১৪টি পেট্রোল বোমা, স্প্রিন্টার ও জিহাদি বই পাওয়া যায়।
আর আক্তার ও বাতেনকে ফকিরাপুল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রাত ১টার দিকে। তাদের কাছে পাওয়া যায় এক কেজি বিস্ফোরক, ১৪টি পেট্রোল বোমা ও জিহাদি বই।
র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান বলেন, “২০১৪ সালের ২ অগাস্ট ‍ভারতের বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে বাংলাদেশের জেএমবি নেতা শেখ রহমতুল্লাহ ওরফে মাছুম ওরফে সাজিদ এবং মো. নাঈমের নাম আসে। গ্রেপ্তার বাতেন সেই নাঈমের সহযোগী।”
আর বাতেনের নেতৃত্বে মনির ঢাকার গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় ‘জনবল বৃদ্ধি ও অর্থ সংগ্রহের’ কাজ করে আসছিলেন বলে র‌্যাবের ভাষ্য।
মুফতি মাহমুদ বলেন, “আক্তার ও রুম্মান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, রাজধানীতে নাশকতা করার উদ্দেশ্য নিয়ে তারা চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে ঢাকায় আসেন।”
আক্তার ২০০৭ সালে জেএমবিতে যোগ দেন জানিয়ে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে সে বিভিন্ন আঞ্চলিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করত এবং নির্দেশনা পৌঁছে দিত।
“বেশি বয়সের সুবিধা ব্যবহার করে সে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরক পৌঁছে দিত বলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে,” বলেন এই র‌্যাব কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
bdnews24

Share this

Related Posts

Previous
Next Post »